×

জাতীয়

কসাই জিহাদকে নিয়ে আনারের টুকরো টুকরো দেহাংশের খোঁজ চলছে ভাঙ্গরে

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ১০:১৮ পিএম

কসাই জিহাদকে নিয়ে আনারের টুকরো টুকরো দেহাংশের খোঁজ চলছে ভাঙ্গরে

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কলকাতায় চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে নিহত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের অংশ খুঁজতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জিহাদ হাওলাদারকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামের বাগজোলা খালে অভিযান চালায় সিআইডি টিম।

এ হত্যার ঘটনায় আটককৃতদের দেয়া তথ্য মতে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, দেহাংশ পোলেরহাট থানার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামে ফেলা হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা এ কারণে ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে চলছে তল্লাশি।  

জিহাদ হওলাদারকেও নিয়ে আসা হয়েছে ভাঙ্গরে। দেহাংশ কোথায় ফেলা হয়েছে তা চিহ্নিত করা হচ্ছে।

ভাঙড়ের বাগজোলা খালে আনোয়ারুল আজীম আনারের দেহাংশের খোঁজ চলছে। ছবি: সংগৃহীত

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, পেশায় কসাই জিহাদ বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাসিন্দা। অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন তিনি। আজিমকে খুনের প্রায় দুই মাস আগে অভিযুক্তরা তাকে মুম্বাই থেকে কলকাতায় নিয়ে আসে‌। 

সিআইডি বলছে, জেরায় আনওয়ারুলকে খুনের কথা স্বীকার করেছে জিহাদ। তাকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, অভিযুক্ত আখতারুজ্জামানের নির্দেশেই জিহাদ সব কাজ করেছে। জিহাদ ছাড়াও আরো চারজন বাংলাদেশি নাগরিক এই কাজে তাকে সাহায্য করেছিলো। আনোয়ারুল আজীমকে তারা প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। নিহতের পরিচয় যাতে বোঝা না যায় তাই শরীরের হাড় এবং মাংস আলাদা করে ফেলে। এরপর হাড় ও মাংস টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে সব কিছু পলিথিন ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাটের বাইরে গিয়ে ফেলে দেয়। বিভিন্ন গাড়িতে চড়ে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় তারা।

কলকাতার একাধিক এলাকায় ফেলা হয় দেহাংশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ভাঙড়ে ফেলা হয়েছে দেহাংশ। আটক অ্যাপ ক্যাব চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার দাবি অনুযায়ী, খুনের পর দেহ টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। দেহাংশ পোলেরহাট থানার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামে ফেলা হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে চলছে তল্লাশি।  

এদিকে সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, আজিম কলকাতায় আসার অনেক আগেই সেখানে চলে যায় অভিযুক্তরা। শহরে বসেই তারা খুনের ছক কষেছিলো বলে মনে করা হচ্ছে। দুই অভিযুক্ত কলকাতার সদর স্ট্রিটের একটি হোটেলে ছিলো ২ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত। ১২ মে কলকাতায় যান আজিম। অর্থাৎ, তার আসার অন্তত ১০ দিন আগে কলকাতায় আসে ওই দুই অভিযুক্ত।

টাইমলাইন: ভারতে এমপি আজিম হত্যাকাণ্ড

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App