গাজায় থামছে না লাশের মিছিল, আরো ১১ জনের প্রাণহানি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) একটি আশ্রয় শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। উল্লেখ্য, গাজার বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বর্তমানে অস্থায়ী তাবু টানিয়ে সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
গাজার চিকিৎসকরা বলেছেন, ‘উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পৃথক বিমান হামলায় পাঁচজন এবং উত্তরাঞ্চলে গুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন।’
গাজা সিটির তেল আল-হাওয়া অঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ধারণা করা হচ্ছে, হামাসের সহযোগী সংগঠন ইসলামিক জিহাদের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর এই সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ইসরায়েলি 'গণহত্যা' বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'বোর্ড অফ পিস'-এর প্রথম বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে এই হত্যাকাণ্ড যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি বড় ধরনের লঙ্ঘন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গত অক্টোবরে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করেছে।’
তিনি আরো কলেন, এসব হামলা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
ইসরায়েল ও হামাস—উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলছে। গাজা সংঘাত নিরসনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে পরিকল্পনা ছিল, এই চুক্তিটি ছিল তারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। গত কয়েক দশকের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বে এবারের যুদ্ধটি সবচেয়ে ভয়াবহ এবং প্রাণঘাতী হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
