×

আন্তর্জাতিক

বিজেপির দপ্তরে ভাঙচুর চালাল তৃণমূল কাউন্সিল

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৪, ১২:০১ পিএম

বিজেপির দপ্তরে ভাঙচুর চালাল তৃণমূল কাউন্সিল

ছবি: সংগৃহীত

কামারহাটিতে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে বৈঠক চলাকালীন ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তিনি নাকি গাড়ি নিয়ে সোজা দপ্তরে ঢুকে পড়েন। এর ফলে দরজা ভেঙে যায়, দপ্তরের বাইরে সাজানো মনীষীদের কাট-আউট ভেঙে যায়। 

এ সকল অভিযোগ অস্বীকারও করেছেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্মলা রাই। তার পাল্টা দাবি, বিজেপির লোকজন তার উপর চড়াও হন এবং তাকে আঘাত করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার (২৯ জুন) রাতে উত্তাপ ছড়িয়েছে বেলঘরিয়ায়।

কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলা কার্যালয়ে শনিবার রাতে বৈঠক চলছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

তিনি জানান, আচমকা বাইরে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। বিজেপি কর্মীরা বাইরে গিয়ে দেখেন, তাদের গাড়ি, বাইক ফেলে ভাঙচুর করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে গালিগালাজ। এর পরেই দু’পক্ষের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়।

আরো পড়ুন: গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির কোনো অগ্রগতি নেই: হামাস

এ প্রসঙ্গে বিজেপির উত্তর শহরতলির জেলা সভাপতি অরিজিত বক্সী বলেন, ‘নির্মলা রাই তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে হঠাৎ করে আমাদের দলীয় কার্যালয়ের বাইরে রাখা বাইকগুলি ফেলে ভাঙতে শুরু করেন। শুনতে পেয়ে আমরা বাইেরে যাই। তখন অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন আমাদের। বলেন, এখানে বিজেপির বৈঠক করা যাবে না। করতে হলে তার অনুমতি নিতে হবে। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে, গণতান্ত্রিক দেশে এ ভাবে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা যায় না। কিন্তু আমাদের কথা বোঝার মতো অবস্থা তদের ছিল না। তার সঙ্গে যারা ছিলেন, তারা অনেকেই মত্ত অবস্থায় ছিলেন বলে আমাদের মনে হয়েছে। চার চাকা গাড়ি নিয়ে আমাদের দপ্তরে ঢুকে পড়েছিলেন, তাই দরজা ভেঙে গিয়েছে।’

বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নির্মলা। তার পাল্টা দাবি, বিজেপির বহিরাগতেরা তার উপর হামলা করেন। তার আঙুলে চোট লেগেছে বলেও জানান। নির্মলা বলেন, ‘আমি রাতে দলীয় বৈঠক সেরে ফিরছিলাম। দেখলাম ২০০-র বেশি বাইক এবং ২০ থেকে ২৫টি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে রাস্তায়। রাস্তা আটকে থাকায় এলাকার বাসিন্দারা আমাকে অসুবিধার কথা জানান। তখন আমি ওদের গিয়ে অনুরোধ করেছি, রাস্তা খালি করে দিন। 

কিন্তু ওরা কেউ কথা শোনেনি। উল্টে আমাদের গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করছিল। আমরা পালাতে গেলে আমাকেও আক্রমণ করে। অন্তত ২০০ জন আমাদের উপর চড়াও হয়। ওদের কাছে পিস্তল ছিল। আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। সকলে বহিরাগত, চেনা কেউ ছিল না। কী ঘটেছে, তা তদন্ত করলে বোঝা যাবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App