×

আন্তর্জাতিক

বৃষ্টি বিপর্যস্ত দিল্লিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৪, ১১:৩৭ এএম

বৃষ্টি বিপর্যস্ত দিল্লিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দিল্লি

আগামীকাল (সোমবার ১ জুলাই) বৃষ্টি আরো বাড়বে। চার দিন ধরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সঙ্গে জারি করেছে সতর্কতাও। ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ বহু এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। ফলে আরো ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসে ত্রস্ত দিল্লিবাসী। বৃষ্টি বিপর্যস্ত রাজধানীতে গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। তাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বৃষ্টির জমা পানিতে ডুবে। মৃতদের মধ্যে কয়েক জন শিশুও রয়েছে।

শনিবারের বৃষ্টিতে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে রোহিণী, বুরারি এবং মধ্য দিল্লির বহু এলাকা। সফদরজঙে শনিবার বৃষ্টি হয়েছে ৮.৯ মিলিমিটার। লোঢী রোডে বৃষ্টি হয়েছে ১২.৬ মিলিমিটার। রবিবার এবং সোমবারেও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ারও পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আগামী চার দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হলেও সাত দিন পর্যন্ত এই পরিস্থিতি চলতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্ষার মৌসুমে দিল্লিতে ৬৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হয়। কিন্তু শুধু শুক্রবারই গোটা মৌসুমের এক তৃতীয়াংশ বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। এক দিনে ২২৮ মিলিমিটার বৃষ্টির জেরে প্লাবিত হয়েছে গোটা রাজধানী।

আরো পড়ুন: মহাকাশে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি সুনীতারা

শুধু দিল্লিই নয়, উত্তর এবং মধ্য ভারতের রাজ্যগুলোতেও আগামী দিনে বৃষ্টির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানে ৩ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, এই সময়ের মধ্যে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, পূর্ব রাজস্থান, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

হিমাচলে ২ জুলাই পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জেরে কাংড়া, কুলু এবং সোলানে বহু রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ধরমপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ধর্মশালায় ৫২.৪, কসৌলিতে ৩৯ মিমি এবং জুব্বারহাটিতে ৩৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে ভারী বৃষ্টির জেরে বিপদসীমা ছুঁয়ে ফেলেছে গঙ্গা। সুখী নদী উপচে পড়ায় বহু রাস্তা এবং ঘরবাড়ি জলাবদ্ধের সৃষ্টি হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App