×

আন্তর্জাতিক

অ্যাপের মাধ্যমে গলার স্বর বদল

অধ্যাপিকা পরিচয়ে ৭ ছাত্রীকে ধর্ষণ!

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম

অধ্যাপিকা পরিচয়ে ৭ ছাত্রীকে ধর্ষণ!

ছবি: সংগৃহীত

পেশায় তিনি কারখানার শ্রমিক, নেই কোনো অক্ষরজ্ঞান। কিন্তু প্রযুক্তিতে বেশ হাত পাকিয়েছিলেন। আর সেই প্রযুক্তিকেই ব্যবহার করে কলেজের ছাত্রীদের কাছে নিজেকে অধ্যাপিকা বলে পরিচয় দিয়েছিলেন কারখানার শ্রমিক ব্রজেশ কুশওয়া। 

অ্যাপের মাধ্যমে গলার স্বর বদলে নারী কণ্ঠে ছাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তাদের বৃত্তি পাইয়ে দেওর টোপ দিতেন। আর সেই ফাঁদে পা দিতেই ছাত্রীদের নিজের লালসার শিকার বানাতেন ব্রজেশ। এভাবেই ৭ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। মধ্যপ্রদেশের সিধি জেলার ঘটনা। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকার।

পুলিশ জানিয়েছে, একটি কারখানায় কাজ করতেন ব্রজেশ। ফোন করে ছাত্রীদের তার বাড়িতে দেখা করার জন্য বলতেন। ছাত্রীদের প্রথমে একটি ফাঁকা এলাকায় আসতে বলতেন। তাদের আরও বলতেন যে, ওখানে অপেক্ষা করতে। তার পর এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে ছাত্রীদের ‘অধ্যাপিকা’র বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে জঙ্গলে নিয়ে যেতেন। সেখানেই অপেক্ষা করতেন ব্রজেশ। তার পর সেখানেই ছাত্রীদের ধর্ষণ করতেন। আদিবাসী কলেজের ৭ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এক নির্যাতিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, ব্রজেশ সব সময় হেলমেট পরে থাকতেন। ফলে তাকে চেনা যেত না। হাতেও গ্লাভস পরা থাকত তার। কারখানায় কাজ করার সময় তার হাত ঝলসে গিয়েছিল। 

মধ্যপ্রদেশ পুলিশের আইজি মহেন্দ্র সিকরওয়ার জানিয়েছেন, এক ছাত্রী তাদের কাছে অভিযোগ করেন, একব্যক্তি অধ্যাপিকার পরিচয়ে বৃত্তি পাইয়ে দেয়ার টোপ দিয়ে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই ছাত্রী একা নন, তার মতো আরো ৬ জনকেও একইভাবে টোপ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল। 

তবে ব্রজেশ সব সময় হেলমেট পরে থাকায় এবং হাতে গ্লাভস থাকায় তাকে চেনা যাচ্ছিল না। কিন্তু নির্যাতিতাদের কাছ থেকে পাওয়া হেলমেট আর গ্লাভসের সূত্রই অপরাধীকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে পুলিশকে। শনিবার ব্রজেশকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App