×

আন্তর্জাতিক

কানাডায় শিখ নেতা হত্যার ঘটনায় আরো একজন গ্রেপ্তার

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৪, ০৮:৫৩ এএম

কানাডায় শিখ নেতা হত্যার ঘটনায় আরো একজন গ্রেপ্তার

একটি ম্যুরালে হরদীপ সিং নিজ্জরের ছবি। ২০২৩ সালের জুন মাসে কানাডায় খুন হন তিনি। ছবি: রয়টার্স

কানাডার নাগরিক এবং সেখানে বসবাসরত শিখ সম্প্রদায়ের নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১২ মে) কানাডার টরন্টো শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি)। গ্রেপ্তার ওই তরুণের নাম আমানদীপ সিং (২২)।

সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে আরসিএমপির ইন্টিগ্রেটেড হোমিসাইড ইনভেস্টিগেশন টিম (আইএইচআইটি) জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আমানদীপের বিরুদ্ধে ‘ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার’ এবং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর আগে গত ৩ মে মামলার তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছিল আরসিএমপি। গ্রেপ্তাররা হলেন করণপ্রীত সিং (২৮), কমলপ্রীত সিং (২২) এবং করণ ব্রার (২২)। কানাডার অ্যালবার্টা প্রদেশের এডমন্টন শহর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণকারী হরদীপ সিং নিজ্জর কানাডায় প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে বাস করছিলেন। ৪৫ বছর বয়সী এ শিখ ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরের গুরু নানক শিখ গুরুদুয়ারার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পাঞ্জাবে খালিস্তান বানানোর ‌আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন নিজ্জর। ভারত সরকার তাকে 'জঙ্গী' তকমাও দিয়েছিল এবং ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার গ্রেপ্তানি পরোয়ানাও জারি করে। তবে তার সমর্থকরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি অনবরত হত্যার হুমকি পেয়ে আসছিলেন।  

গত বছরের ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার ভ্যাঙ্কুভার থেকে ৩০ কিলোমিটার পূর্বে সারের গুরু নানক শিখ গুরুদ্বারে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তার ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, মৃত্যুর আগে কানাডার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাকে সতর্ক করেছিল যে তার প্রাণনাশের হুমকি রয়েছে। ব্রিটিশ কলম্বিয়া গুরুদ্বার কাউন্সিলের সদস্য মনিন্দর সিং, যিনি নিজ্জরের ১৫ বছর ধরে বন্ধু, বিবিসিকে বলেন, তদন্তের অগ্রগতি দেখে শিখ সম্প্রদায় কৃতজ্ঞ।

তিনি আরো বলেন, 'এখনও জননিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ভয় রয়ে গেছে। হতাশা আছে। আশার আলোও আছে।'  নিহত হওয়ার তিন মাস পর হাউস অব কমন্সে দাঁড়িয়ে ট্রুডো বলেন, কানাডা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, কানাডা খালিস্তানি সন্ত্রাসী ও চরমপন্থীদের আশ্রয় দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিরোধের ফলে দিল্লি ভারতে নিযুক্ত কানাডিয়ান কূটনীতিকদের সংখ্যা হ্রাস করতে বলেছিল। দিল্লির জড়িত থাকার অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ হাজির করতেও চাপের মুখে পড়েছেন ট্রুডো।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App