×

সারাদেশ

ঘূর্ণিঝড় রেমাল

ভোলায় প্রস্তুত ৮৬৯ আশ্রয় কেন্দ্র ও ১৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক

Icon

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ১২:৩২ পিএম

ভোলায় প্রস্তুত ৮৬৯ আশ্রয় কেন্দ্র ও ১৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক

ছবি: ভোরের কাগজ

বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এরই মধ্যে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভোলায়।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি সঙ্গে হালকা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে দ্বীপ জেলা ভোলায়। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার সন্ধায়। সভায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের বর্তমান অবস্থান ও দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগের পরবর্তী সময়ের উদ্ধার কার্যক্রমসহ সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারের সকল বিভাগের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন। সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট, কোস্টগার্ড, ফায়ার ডিফেন্স, আনসার, রোভার স্কাউট, প্রাথমিক শিক্ষা, মৎস্য বিভাগ, এনজিও, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় জেলা জুড়ে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র ও ৬৭৫টি কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ১৩৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, দৌলতখান উপজেলায় ১১২টি আশ্রয়কেন্দ্র, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১২২টি আশ্রয়কেন্দ্র, তজুমুদ্দিন উপজেলায় ৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র, লালমোহন উপজেলায় ১৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র, চরফ্যাশন উপজেলায় ১৬৫টি আশ্রয়কেন্দ্র, মনপুরা উপজেলায় ৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র সার্বিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়াও জেলার সাত উপজেলায় ৬৯৩টি ইউনিটে মোট ১৩ হাজার ৮৬০ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৮৭টি ইউনিটের ১ হাজার ৭৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক, দৌলতখান উপজেলায় ৯১টি ইউনিটে ১ হাজার ৮২০ জন স্বেচ্ছাসেবক, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৭৩টি ইউনিটের ১ হাজার ৪৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক, তজুমদ্দিন উপজেলায় ৮১টি ইউনিটে ১ হাজার ৬২০ জন স্বেচ্ছাসেবক, লালমোহন উপজেলায় ১৩৭টি ইউনিটে ২ হাজার ৭৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক, চরফ্যাশন উপজেলায় ১৬৫টি ইউনিটে ৩ হাজার ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক, মনপুরা উপজেলায় ৫৯টি ইউনিটে ১ হাজার ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবককে সর্বাত্মক প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়াও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে আসা মানুষের জন্য শুকনো খাবার, জ্বালানি ও জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে বেশ কয়েকটি টিম প্রস্তুত রেখেছেন ভোলার জেলা প্রশাসন ।


টাইমলাইন: ঘূর্ণিঝড় রেমাল

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App