×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

ক্যারিয়ার

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:০৮ পিএম

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

গাইবান্ধার নদ-নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। ছবি : সংগৃহীত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টিতে গাইবান্ধার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা। বন্যার কবলে পড়েছে জেলার সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জসহ চার উপজেলা।

চার উপজেলার ২৪টি ইউনিয়নের অন্তত ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে দিন কাটাচ্ছেন। পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে আউশ ধান, পাট, ভুট্টা ও আমন বীজতলা। তলিয়ে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে জেলার ৮০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার (৫ জুলাই) সকাল ৯টায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার এবং শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ঘাঘট নদের পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর, গিদারি, ঘাগোয়া ও ফুলছড়ি উপজেলার এরান্ডাবাড়ি, ফুলছড়ি ও ফজলুপুর, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, হরিপুর ইউনিয়ন ও সাঘাটা উপজেলা ভরতখালী ও হলদিয়া ইউনিয়ন ছাড়াও বেশকিছু এলাকায় পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হচ্ছে।

আরো পড়ুন : যমুনার পানি বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার উপরে, বন্যার আশঙ্কা

জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গাইবান্ধার সদর উপজেলার দুইটি ইউনিয়ন, সুন্দরগঞ্জের সাতটি, সাঘাটার আটটি ও ফুলছড়ি উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। এই ২৪ ইউনিয়নে পানিবন্দি ১৭ হাজার ৮২০টি পরিবার। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় দুই হাজার ১৫০টি, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চার হাজার ৭০০টি, সাঘাটা উপজেলায় পাঁচ হাজার ১৭০টি ও ফুলছড়ি উপজেলার ছয় হাজার ৮০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 

পানি বেড়ে চরাঞ্চলের রাস্তাঘাটসহ বাড়িঘর ডুবে গেছে। পানিতে নিমজ্জিত গ্রীষ্মকালীন অনেক ফসল। জেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন। রান্না-খাওয়াসহ গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা আরো অনেক বেশি। পানিবন্দি এসব মানুষের জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে মোট ১৮১টি আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাঘাটা উপজেলায় রয়েছে ৩৬টি, সুন্দরগঞ্জে ৪৮টি, ফুলছড়িতে ২৩টি, সদরে ২৪টি, সাদুল্লাপুরে ৩৩টি, পলাশবাড়ীতে ছয়টি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা রয়েছে।

এদিকে, বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরে বন্যার পানি ওঠায় ইতোমধ্যে সদর উপজেলার ১৭টি, ফুলছড়িতে ১৪টি, সাঘাটায় ২১টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ১১টিসহ জেলার মোট ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। এছাড়া, সাতটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং তিনটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App