রাশিয়ার সঙ্গে ‘যুদ্ধের পথ’ বেছে নিয়েছে ইউরোপ

আগের সংবাদ

উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাবে ইউক্রেন

পরের সংবাদ

ডিএসসিসি মেয়র

পুরান ঢাকার ডিআইটি পুকুর দখলমুক্ত করা হবে

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৩ , ৪:৪৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৭, ২০২৩ , ৪:৫০ অপরাহ্ণ

পর্চা অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করে পুরান ঢাকার ডিআইটি পুকুর দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, ওই জমিটা নিয়ে ইতোমধ্যে আমরা আমাদের সম্পত্তি বিভাগকে জরিপ করতে বলেছি। তারা দেখবে। জমির মালিকানা অনেকেই দাবি করছে। তাই বিষয়টা খতিয়ে দেখে আমরা রাজউকের সঙ্গে কথা বলে সেটা সংরক্ষণ করব। কেউ এটা দখল করতে পারব না। আমরা সেখানে সেখানে সৌন্দয্যবর্ধন করব।

বুধবার (৭ জুন) মেয়র মোহাম্মদ হানিফ উড়ালসেতুর নিচে সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে রাজধানী সুপার মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। সেখানেই এসব কথা বলেন মেয়র।

বিভিন্ন সংস্থার কাছে থাকা জলাশয়, পুকুর আইন অনুযায়ী করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর না করায় দখলের আগ্রাসন বেড়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আমরা রাজউককে জানিয়েছিলাম এটা দখলমুক্ত করতে। কারণ, সব জলাশয়-পুকুর সংরক্ষণ করা কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব-কর্তব্য। কিন্তু এখনো বিভিন্ন জলাশয়, পুকুর অনেক সংস্থার কাছে রয়ে গেছে। যার কারণে আমরা যথাযথ তড়িৎ ব্যবস্থা নিতে চাইলেও পারছি না। যেমন খিলগাঁওয়ের তালতলা ঝিল। সেটাও আমাদের কাছে হস্তান্তররের জন্য আমরা গণপূর্তের কাছে আবেদন করে বসে আছি। সেটাও দখল হচ্ছে। দিনে দিনে দখলের আগ্রাসন আরো বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, রোকনপুর সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সেটির সংস্কার কাজ চলছে। কাজ শেষ হলেই ডিআইটি পুকুর পাড়ে আর কোনো কাউন্সিলর কার্যালয় থাকতে পারবে না।

শেখ তাপস বলেন, জনগণের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় উড়ালসেতুর নিচে সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। উড়ালসেতুর নিচে যে পরিবেশ আছে, সেটাকে কীভাবে উন্নয়ন করা যায় তা ঢাকাবাসীর অনেক দিনের প্রাণের দাবি। আমরা পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছি। কোন জায়গায় এলাকাবাসীর কি প্রয়োজন সেটা মাথায় নিয়ে এখানে কিভাবে সৌন্দর্যবর্ধন করা যায় সে বিষয়টা আমরা খতিয়ে দেখছি।

মগবাজার উড়ালসেতুর নিচে পুলিশের গাড়ি সরানো হবে কিনা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তাপস বলেন, মগবাজার উড়ালসেতুর নিচের অংশসহ আমরা ঢাকা শহরের পুরো অংশে যে উড়াল সেতু রয়েছে, তার নিচে আমরা কাজ আরম্ভ করেছি। মগবাজার অংশে কাজ আরম্ভ করেছি। সেখানে একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে বসার জায়গা করা হবে। মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল রাখার জায়গা করা হবে। এখানে যত্রতত্র কিছু পুলিশের গাড়ি রাখা হয়েছে। সেগুলো আলামত হিসেবে ব্যবহার করে। সেগুলো আমরা তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি। তারা দুই-একদিনের মধ্যেই সরিয়ে ফেলবে। আমরা পুরো এলাকাটা নিয়ে আমাদের কাজগুলো সম্পন্ন করবো।

এর আগে মেয়র মগবাজার উড়ালসেতুর নিচে চলমান কাজ ও পরে ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম, ধোলাইপাড় দয়াগঞ্জ রেল ব্রিজ পর্যন্ত বক্স কালভার্ট পরিষ্কার কার্যক্রম ও ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, ৩৯ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রোকন উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়