করোনায় আরও ১৪৭ জনের মৃত্যু

আগের সংবাদ

সাকিবের পরশে ডিপিএলে প্রথম জয় পেল মোহামেডান

পরের সংবাদ

জল্পনা-কল্পনা শেষে আইপিএলে মোস্তাফিজ

প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২৩ , ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৩ , ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

টি-টোয়েন্টি সংস্করণে গোটা বিশ্বে ভারতের জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট আইপিএলের সুনাম আছে। যেখানে খেলতে মুখিয়ে থাকেন বিশ্বের নামিদামি ক্রিকেটাররা। এবার বাংলাদেশ থেকে এই টুর্নামেন্ট মাতাবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, মারকুটে ওপেনার লিটন দাস ও কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তবে গত কদিন ক্রিকেটপাড়ায় গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের আইপিএলে খেলতে যাওয়ার অনুমতি দেবে না।

অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল সকালে ভাড়া করা বিমানে ভারতে পা রাখেন মোস্তাফিজ। এছাড়া সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস এবারের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন। তবে শুরু থেকে তাদের দুজনকে পাচ্ছে না কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এদিকে ভারতের জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তিনি ২০১১ থেকে এখন পর্যন্ত ৭১টি ম্যাচ খেলেছেন। আর মোস্তাফিজ খেলেছেন ৪৬ ম্যাচ। যাই হোক, আইপিএলে কাটার মাস্টারের দাপট নতুন কিছু নয়। তার গতির সামনে কোমর সোজা করে দাঁড়াতেই পারেন না বিশ্বের তারকা ব্যাটসম্যানরা। টাইগার দলের এই তারকা পেসার আইপিএলে চারটি ভিন্ন দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। প্রথমবার তাকে দলে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, এরপর মোস্তাফিজ খেলেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে।

গত বছর মোস্তাফিজকে দলে নেয় রাজস্থান রয়্যালস। সর্বশেষ আসরে ভালো খেললেও ফিজকে পেতে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি রাজস্থানের। দলটি এর আগেই ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিধ কৃষ্ণদের দলে ভিড়িয়েছে। এর আগে ২০১৬ সাল থেকে আইপিএলে নিয়মিত খেলছেন তিনি। সে মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলে টেনে নেয় তাকে। প্রথম আসরেই বাজিমাত করেন তিনি। ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট তুলে নেন। দলের শিরোপা জয়ে এমন ভূমিকা রেখে তিনি বনে যান আসরের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়। পরের মৌসুমেও ছিলেন হায়দরাবাদেই। তবে সে মৌসুমে একটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। দুই মৌসুম হায়দরাবাদে থেকে ২০১৮ সালে তিনি যোগ দেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে।

তবে সেই বছর সময়টা খুব ভালো কাটেনি তার। খেলেছেন ৭ ম্যাচে, পেয়েছেন সাতটি উইকেট। এর পরের বছর নিলামে তাকে আর ধরে রাখেনি মুম্বাই। এরপর ২০১৯ সালে আইপিএলের জন্য তাকে ছাড়েনি বিসিবি। ২০২০ সালে থেকে যান অবিক্রীত। ২০২১ সালে সব শেষ আসরে ভিত্তিমূল্য এক কোটি রুপিতে রাজস্থান রয়্যালসে দল পেয়েছিলেন মোস্তাফিজ। এই আসরে বেশ ভালো নৈপুণ্য দেখান তিনি। আইপিএলে সব সময় তিনি নিজেকে উজাড় করে দিতে চান। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি ভালো ফিল্ডিংও করেন।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আইপিএলে একটি ফিল্ডিং এখনো চোখে ভাসে ক্রিকেটপ্রেমীদের। বাউন্ডারির উপরে বল, ছয় হবেই- এমটাই ভেবে ছিল গোট বিশ্বের আইপিএলভক্তরা। বেশির ভাগ মানুষের ভাবনাই হয়তো ছিল এমন। কিন্তু মোস্তাফিজ দুর্দান্ত ভঙ্গিতে সেই ছক্কার বলটি লুফে নিয়ে বাউন্ডারির বাইরে তার পা মাটি ছোঁয়ার আগেই বল ভেতরে ছুড়ে দেন। ফলে ছক্কা বাঁচালেন তিনি। ওই ম্যাচে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর দুটি উইকেটও নিয়েছেন মোস্তাফিজ।

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়