×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

জাতীয়

শিমু হত্যা: গৃহকর্মী দুই সাক্ষীকে যাতায়াত খরচ দেয়ার নির্দেশ

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:১৩ পিএম

শিমু হত্যা: গৃহকর্মী দুই সাক্ষীকে যাতায়াত খরচ দেয়ার নির্দেশ

ফাইল ছবি

চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলার দুই গৃহকর্মী সাক্ষীকে যাতায়াত খরচ বাবদ এক হাজার টাকা করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

বিচারক বলেন, আসামিপক্ষ দুই সাক্ষীর সাক্ষ্য পেছানোর কথা বলেছে। তারা কাজে না গিয়ে টাকা খরচ করে আদালতে এসেছেন। কাজেই এই খরচটা আসামিপক্ষকে বহন করতে হবে।

এরআগে বিচারক দুই সাক্ষীরর কাছে জানতে চান, পরবর্তী তারিখে তারা আসতে পারবেন কি না। উত্তরে বলেন, হ্যাঁ, আসতে পারবে। এরপর বিচারক এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ার সরদার জানান, এদিন মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। শিমুর স্বামীর বাসার দুই গৃহকর্মী শান্তা বেগম ও আমেনা বেগম সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসেন। এ মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত দুই আইনজীবী সাক্ষীদের জেরা করতেন। তবে আসামিপক্ষ এতে সন্তুষ্ট ছিল না। এজন্য তারা নতুন আইনজীবী নিয়োগ দেয়ার কথা আদালতকে জানান। পাশাপাশি নতুন সাক্ষীদের সাক্ষ্য না নেওয়ার প্রার্থনা করেন। আদালত নতুন কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য না নিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। আর ওই দুই গৃহকর্মীকে যাতায়াত খরচবাবদ আসামিপক্ষকে দুই হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষ এতে সম্মত হয়েছে।

এরআগে এদিন শিমুর মেয়ে অজিহা আলিম রিদকে জেরা শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

এদিকে সাক্ষ্য শেষে আদালত প্রাঙ্গণে কাঁদতে দেখা যায় রিদকে। আদালত থেকে বের হয়ে বাবাকে বলে, চলে গেলাম। এসময় হাত দিয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা যায় রিদকে। পরে তারা বাবাকে যখন কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন অঝোরে কান্নায় ভেঙে পড়েন রিদএদিকে এদিন শুনানিকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সুমনও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আসামিরা হলেন- শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও এস এম ফরহাদ। এ নিয়ে মামলাটিতে দুই জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। গত বছর ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

জানা যায়, গত ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়ভাবে সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজ থেকে ৩০০ গত উত্তর পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ঝোপের ভিতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতনামা ৩২ বছর বয়সী এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হয়। পোস্টমর্টেমের জন্য মৃতদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে মৃতদেহের নাম পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তদন্তকালে জানা যায়, মৃতদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর। দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭-৮ টার মধ্যে যেকোনো সময় খুন হন শিমু। শিমুকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে গত ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম দুই জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App