তাহিরপুরে কয়লার পর এবার উদ্ধার চোরাই চুনাপাথর

আগের সংবাদ

ঢাকায় ভয়ংকর মাদক আইসের সর্ববৃহৎ চালান জব্দ

পরের সংবাদ

হল কর্মচারীর মাথা ফাটিয়ে দিলেন ঢাবি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৩ , ২:৪৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৩ , ২:৪৯ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ক্যান্টিনে খাবারে মাছি পড়াকে কেন্দ্র করে এক কর্মচারীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন একই হলের এক শিক্ষার্থী।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের হলের মেইন ক্যান্টিনে (প্রধান ক্যান্টিন) এই ঘটনা ঘটে। আহত ওই কর্মচারীর নাম কাওসার আহমেদ তানিক। তিনি তার বাবার ক্যান্টিনের ক্যাশে বসেছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম শোয়াইব আহমেদ খান প্রান্ত। তিনি শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এছাড়াও তিনি হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দুপুরের খাবারে তরকারিতে মাছি দেখতে পেলে ক্যান্টিনে ক্যাশে গিয়ে খাবারের বাটি ছুঁড়ে মারেন প্রান্ত। এসময় ক্যাশে বসে থাকা তানিকের মাথায় আঘাত পেলে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) পাঠানো হয়। এসময় ক্যান্টিনে খাবার সরবরাহ সাময়িক বন্ধ ছিলো।

পরে হল ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল উদ্দীন রানা ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেনের তত্ত্বাবধানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। এবং ক্যান্টিনে অপ্রত্যাশিত কাজ করার জন্য নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান অভিযুক্ত শিক্ষার্থী প্রান্ত।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তানিম বলেন, আমি ক্যাশে বসে ছিলাম। প্রান্ত ভাই ক্যান্টিনের খাবার নিয়ে ক্যান্টিনের পাশে দোকানের সামনে খাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে এসেই খাবারের বাটি ছুঁড়ে মারেন। এতে আমার মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়া শুরু করে।

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করেননি দাবি করে প্রান্ত ভোরের কাগজকে বলেন, খাবারে মাছি দেখে আমি খাবার ছুঁড়ে মেরেছি। তবে তার মাথায় আঘাত করার উদ্দেশে আমি বাটি ছুঁড়ে দেইনি। ক্যান্টিন থেকে বলছে আমি বাইরে খেয়েছি তাই খাবারের সময় তরকারিতে মাছি বসেছে। কিন্তু, মাছিটা আগে থেকেই মরা ছিল। তাই, আমি সেটার প্রতিবাদ করেছি।

এ বিষয়ে হল ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল উদ্দীন রানা বলেন, প্রান্ত যে কাজটি করেছে সেটি অন্যায় করেছে। আমরা উভয়পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে দিয়েছি। তানিকের চিকিৎসার খরচ আমরা হল শাখা ছাত্রলীগ থেকে দিয়ে দেবো। এছাড়াও প্রান্তের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম ভোরের কাগজকে বলেন, আমি হলের বাইরে আছি। ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব৷

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়