আ'লীগের জন্মতো ক্যান্টমেন্টে নয়, তারা কেনো গণতন্ত্র হত্যা করে

আগের সংবাদ

সেই রেলক্রসিংয়ে অতিরিক্ত রোড ডিভাইডার বসালো পুলিশ

পরের সংবাদ

সংসদে অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ , ৯:২৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ , ৯:২৯ অপরাহ্ণ

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ হতে অর্থপাচারের কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সংরক্ষিত মহিলা আসনের লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) পাচারকারী বা পাচারকৃত অর্থের বিষয়ে বিদেশি আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা হতে তথ্য সংগ্রহ করে দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থায় তা সরবরাহ করে থাকে। বিদেশে (সিঙ্গাপুর, মালেয়শিয়া, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ইত্যাদি) ফ্ল্যাট বা বাড়ি ক্রয় অথবা অন্য কোনো পদ্ধতিতে অর্থ পাচার বিষয়ক বেশকিছু মামলা বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কর্তৃক পাচার সংশ্লিষ্ট বেশকিছু মামলা চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, অর্থ পাচার সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বা তথ্য প্রাপ্ত হলে বিএফআইইউ আইনের বিধান অনুযায়ী ‘গোয়েন্দা প্রতিবেদন’ প্রণয়নকরতঃ তা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থায় প্রেরণ করে থাকে। বিএফআইইউ হতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা অনুসন্ধান ও তদন্তকার্য সম্পাদনপূর্বক প্রয়োজনীয় বিচারিক প্রক্রিয়া গ্রহণ করে থাকে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের শিডিউলভুক্ত অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করার ঘটনা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচার করার ঘটনা বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক তদন্ত করা হয়ে থাকে। এছাড়া হুন্ডি বা অন্য কোন উপায়ে অর্থ পাচার হলে তা বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি কর্তৃক তদন্ত করা হয়ে থাকে।

অর্থপাচার রোধ এবং পাচারকৃত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত আনার বিষয়ে সরকার বদ্ধ পরিকর এবং এ লক্ষ্যে সরকারের সকল সংস্থা একযোগে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অর্থপাচার ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১২ সালে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ জারি করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আইনটির বিভিন্ন ধারা সংশোধন করা হয়। আইনের বিভিন্ন ধারা সংশোধনের মাধ্যমে অর্থ পাচার ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধের কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হয়।

তিনি বলেন, আইনের বিধান অনুসারে বৈধ বা অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ বা সম্পত্তি নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিদেশে পাচার মানিলন্ডারিং অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ বাংলাদেশে ফেরত আনার লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশের সাথে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন, ২০১২ জারি করা হয়েছে। উক্ত আইনের আওতায় অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা প্রদানকল্পে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ (Central Authority) হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্ধারণ করা হয়েছে।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়