বিয়ে করেছেন একা

আগের সংবাদ

পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা

পরের সংবাদ

ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

আর্থিক কারণে ইভিএম প্রকল্প বাতিল হয়নি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ , ১২:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ , ১:৫৫ অপরাহ্ণ

আর্থিক কারণে ইভিএম কেনার প্রকল্প বাতিল করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, আর্থিক কারণে ইভিএম কেনার প্রকল্প বাতিল করা হয়নি। এ সময়ে ইভিএম অগ্রাধিকার নয়। এর প্রয়োজন এখনই নয়, এমন খাতে ব্যয়ে সতর্কতা অবলম্বন করছে সরকার। এখন মূলত মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, কল্যাণকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের জনগণের সেবায় আন্তরিকতার সঙ্গে আত্মনিয়োগ করে কাজ করতে হবে। এতে কাজ করে শান্তি পাবেন।

এসময় ডিসিদের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা পরিবর্তন দেখেছি আপনাদের মধ্যে। আমার বাবাও ক্ষমতায় ছিলেন, দেখেছি। আমি যখন বিরোধীদলে তখনও দেখেছি। ৮১ সালে সারাদেশ ঘুরেছি তখনও দেখেছি। আমি আসার পর কর্মকর্তাদের মধ্যে জনমুখী মনোভাব এবং মানুষকে সেবার দেয়ার যে আন্তরিকতা সৃষ্টি হয়েছে। এটা প্রশংসনীয়। আমরা তো জনপ্রতিনিধি, আমরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আসি। আমাদের মেয়াদ ৫ বছর।

শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের দায়িত্ব অনেক। শুধু চাকরি করা না, জনসেবা দেওয়া। এটা ছিল সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। আমি নাম দিই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নামেরও একটা প্রভাব থাকে। আপনাদের যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেছেন। দুর্যোগে মানুষের জন্য যে মানুষ, সেটা আপনারা প্রমাণ করেছেন। করোনায় আপনজন পাশে না থাকলেও আপনারা পাশে ছিলেন।

জনগণের অর্থ, জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়েই সব কিছু চলে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমরাও যাঁরা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি যতটুকু সুযোগ-সুবিধা পাই, আপনারাও সরকারি আমলা হিসেবে যে সুযোগ-সুবিধা পান- এগুলোর অবদান তো জনগণের। কারণ জনগণের অর্থ, জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়েই তো সব কিছু চলে। জনগণের উন্নয়নের প্রচেষ্টা আমরা চালাচ্ছি।

সরকারপ্রধান আরো বলেন, আমাদের উন্নয়ন শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক বা শহরকেন্দ্রিক হবে না। যে কারণে আমি ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছি- আমার গ্রাম, আমার শহর।
প্রতিটি গ্রামের মানুষকে আমরা শহরের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যেতে চাই। তাতে শহরমুখী প্রবণতা কমে যাবে, গ্রামে অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পাবে।

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়