বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক ও আন্তঃধর্মীয় চেতনা

আগের সংবাদ

ডুমুরিয়ায় আট পা, দুই মাথাওয়ালা বাছুরের জন্ম

পরের সংবাদ

লুর সফর : সরকারে স্বস্তি, বিরোধীরা আশাহত

বিভুরঞ্জন সরকার

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৩ , ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৩ , ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বাংলাদেশ সফরে এসে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। তার এই সফরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সবচেয়ে বড় কথা দুদেশের মনোভাবই ছিল সহযোগিতা ও সমঝোতার। কেউ কাউকে ছাড় না দেয়ার মনোভাব নিয়ে না আগানোর ফলেই এই সফরে দুদেশের সম্পর্কের মধ্যে নতুন করে অস্বস্তিকর কিছু ঘটেনি। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সাম্প্রতিক কিছু তৎপরতা ও বক্তব্যের কারণে এমন একটি ধারণা কারো কারো মধ্যে হয়েছিল যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে বুঝি আমেরিকার দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আর আমাদের দেশে এটা একটি সাধারণ ধারণা যে সরকারের সঙ্গে দূরত্ব মানেই সরকারবিরোধীদের সঙ্গে নৈকট্য। কিন্তু লুর সফরের পর এটা স্পষ্ট হয়েছে, আমেরিকা আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে বৈরিতা বাড়াতে চায় না।
লু তার সফরকালে সরকারের ৪ মন্ত্রী, সচিব, শ্রমিক প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শ্রম আইন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে বৈঠকের পর বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে মার্কিন প্রভাবশালী এই প্রতিনিধি ঢাকাকে ইতিবাচক বার্তাই দিয়ে গেছেন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ডোনাল্ড লুর সফর শেষে প্রকাশিত প্রতিবেদন, সরকারি মহলে খুশির ভাব ও বিরোধী শিবিরে নিরুত্তাপ দেখেই বোঝা যাচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকা যেমন ভালো সম্পর্কই রাখতে চায়, তেমনি বাংলাদেশও আমেরিকার সঙ্গে খামোখা বিরোধে জড়িয়ে পড়তে চায় না। বাংলাদেশ চীনের দিকে বেশি ঝুঁকে না পড়ুক এটা আমেরিকা চায়। বাংলাদেশও বিশেষ কোনো দেশের সঙ্গে এমন দহরমমহরম করতে চায় না যার জন্য দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ব্যাহত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পরস্পরের সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক পরাশক্তি হয়ে ওঠার যে তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছে, তাতে ভূরাজনীতি ও কৌশলগত কারণে বাংলাদেশের গুরুত্ব রয়েছে। এই দুদেশের সঙ্গে বাংলাদেশেরও স্বার্থ জড়িত রয়েছে। বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের সবচেয়ে বড় উৎস যেমন চীন, তেমনি রপ্তানির অন্যতম গন্তব্য হয়ে উঠেছে আমেরিকা। এই বাস্তবতায় দেশ দুটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, ভৌগোলিক অবস্থান ও কৌশলগত নানা কারণ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায়ও বাংলাদেশ প্রশংসিত ভূমিকা রাখছে। তাই এখন ঢাকাকে নিজেদের প্রভাব বলয়ে রাখতে চায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। এ অবস্থায় নির্দিষ্ট কোনো জোটে বা প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সতর্ক ও কৌশলী অবস্থানে থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। নানা বিবেচনা ও সমীকরণ মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারতের জোট কোয়াডে বাংলাদেশ আপাতত যুক্ত হচ্ছে না। তবে ইন্দো-প্যাসিফিক জোটে (আইপিএস) সম্পৃক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য এটি একটি অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড লু বলেন, মনোমুগ্ধকর অতিথিপরায়ণ মানুষের দেশে বন্ধুত্ব শক্তিশালী করতে এসেছি। আমি এখানে এসেছি, আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করতে, যখন শান্তি ও ন্যায় বিচারের জন্য বিশ্ব সংগ্রাম করে চলেছে। তিনি বলেন, আমরা খুব খোলামেলা আলোচনা করেছি। যুক্তরাষ্ট্রের একটা কমিটমেন্ট আছে, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার। আমরা যখন সমস্যা দেখি, তখন কথা বলি, পরামর্শ দিই। আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলি। আমরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই।
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, আমার সঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আমরা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। আলোচনা খুব গঠনমূলক হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পুরনো বন্ধু। গত ৫০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আর আমরা আগামী ৫০ বছরে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করতে চাই। এটা নিয়ে আমরা আলাপ করেছি। কীভাবে আমাদের এ সম্পর্ককে আরো অর্থবহ করা যায়, আরো ভালো করতে পারি, সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি। মোটামুটি আমরা ঐকমত্যে আছি। আমরা ভবিষ্যতে ভালো দিনের অপেক্ষায় রয়েছি। মোমেন বলেন, আমাদের যে যোগাযোগ, এটা খুব কাজের। এর ফলে আমাদের মধ্যে যদি কোনো ধরনের প্রশ্ন থাকে, সেগুলো আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব। আর আমরা ভালো পরামর্শ পেলে অবশ্যই গ্রহণ করব। তার নমুনাও দেখিয়েছি। আমাদের কোথাও যদি দুর্বলতা থাকে আমরা সেটা নিয়ে কাজ করব। ডোনাল্ড লু বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে আমাদের মধ্যে সৎ আলোচনা হয়েছে। আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। আমরা যদি কোনো সমস্যা দেখি, তখন আমরা বিষয়টি উত্থাপন করি এবং আমরা পরামর্শ দিতে পারি। আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখায় বিশ্বাস করি এবং বাংলাদেশের মতো অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড লু বলেন, র‌্যাব নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আপনারা যদি এই সপ্তাহের হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতি দেখে থাকেন, তারা মনে করছে, র‌্যাবের দ্বারা বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে অসামান্য উন্নতি হয়েছে। এটা খুবই ভালো কাজ হয়েছে। এটা প্রমাণ করছে, মানবাধিকার রক্ষা করেই সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো র‌্যাব করতে সক্ষম। উল্লেখ্য, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এবং এর ৬ জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমান পুলিশ প্রধানও রয়েছেন। এরপর থেকেই সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে নানা চেষ্টা করে যাচ্ছে বাংলাদেশের সরকার। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, র‌্যাবের কাজকর্মে যুক্তরাষ্ট্র খুব খুশি। আমরা তাদের বলেছি, র‌্যাব এদেশে সন্ত্রাস বন্ধ করেছে। এক সময় এই দেশে জিহাদি সন্ত্রাসের ভয়ে আমাদের একজন জাজ মারা গেল, বিদেশি একজন হাইকমিশনারের ওপর বোমা হামলা হলো, তিনি মারা যাননি, অন্য আরেকজন মারা গেল। শেখ হাসিনার সমাবেশে বোমাবাজি হয়েছে, গ্রেনেড হামলা হয়েছে, তাতে ২৪ জন মারা যায়, ৩৭০ জন গভীরভাবে আহত হয়। এখন সেই দিন নেই। এই র‌্যাব থাকায়, ইদানীং তারা এসব নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ২০১৭ সালের পর দেশে কোনো বড় ধরনের সন্ত্রাসী আক্রমণ হয়নি। র‌্যাব খুব ভালো কাজ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে ডোনাল্ড লু বলেন, জিএসপি পুনর্বহালে কংগ্রেস যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তবে প্রথম তালিকায় বাংলাদেশ থাকবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে কোনো দেশই যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপির অধীনে বাজার সুবিধা পায় না। কোনো পরামর্শ আছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড লু বলেন, আমরা আমেরিকান, সবসময়েই আমাদের অনেক পরামর্শ থাকে। এর একটি বিষয়ে আলোচনা করে আমরা খুশি, সেটা হলো শ্রম অধিকারের মতো ইস্যু। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশি জনগণ এবং আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। শ্রম অধিকার ইস্যুতে আমরা পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারব এবং আমি নিশ্চিত, এই বছর আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরাও অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। আমার দল আওয়ামী লীগ সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসেছে। ব্যালটের মাধ্যমে সরকারে এসেছে, বুলেটের মাধ্যমে নয়। আমাদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। ডোনাল্ড লু বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে আমাদের মধ্যে সৎ আলোচনা হয়েছে। আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। আমরা যদি কোনো সমস্যা দেখি, তখন আমরা বিষয়টি উত্থাপন করি এবং আমরা পরামর্শ দিতে পারি। আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখায় বিশ্বাস করি এবং বাংলাদেশের মতো অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন ঠেকানোর তাগিদ থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে করণীয় সবকিছুই করবে।
পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক পেশাদারিত্বে মান বেড়েছে বলে মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। তার মতে, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সাম্প্রতিক সফরগুলো থেকে বোঝা যায় যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে। এর কারণ অবশ্যই আমাদের ঊর্ধ্বমুখী অর্থনৈতিক কাঠামো ও বিপুল সম্ভাবনা, যার অংশীদার হতে চায় বড় শক্তিগুলোও। পুঁজিবাদের বিশ্বে এটাই আসলে স্বাভাবিক। রাজনীতির কারণে অর্থনীতি তারা কিছুতেই নষ্ট করবে না। যুক্তরাষ্ট্র ভালো করেই জানে, সব দেশেই গণতন্ত্রের ঘাটতি আছে। তাই আমাদেরও আরো সজাগ হতে হবে স্বার্থ আদায়ে।
অধ্যাপক ইমতিয়াজ মনে করেন, গোটা বিশ্ব এখন বহু মেরুকরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা থামানোরও কোনো উপায় নেই। বাংলাদেশ এসব মেরুকরণের কোনোটিতেই অংশ না নিয়ে সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রেখে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দাঁড় করিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে একটি রাজনৈতিক দল টানা ক্ষমতায় থাকার কারণে, এটা সবাই বোঝে। তারা এটাও বোঝে, বাংলাদেশ অথনৈতিক উন্নয়নের তাগিদেই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখছে। আর যুক্তরাষ্ট্রও পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করে ভুল করেছে বুঝতে পেরেছে। একই অবস্থা র‌্যাব ইস্যুতেও। তারা সেটি ঠিক করে নিতে সচেষ্ট- এগুলো ইতিবাচক দিক।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের গণতন্ত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগগুলো একই রকম। সরকার তাদের এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করে সুসম্পর্ক বজায় রাখলে দেশেরই লাভ। কারণ যুক্তরাষ্ট্র আমাদের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার। রোহিঙ্গা ইস্যুতেও তারা সরব। আর চীনের সঙ্গে আমাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই, এটিও দৃশ্যমান। তবে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যের কূটনীতি বজায় রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জ হবে। ডোনাল্ড লুর বক্তব্য নিয়ে সরকার মিথ্যাচার করছে বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন, সেটাই বরং তার অসন্তুষ্টির প্রকাশ বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিএনপি চেষ্টা করেও লুর সঙ্গে দেখা করতে পারেনি বলেই সংবাদপত্রে খবর বের হয়েছে।

বিভুরঞ্জন সরকার : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়