স্কুলে বই নেই, মিলছে ফুটপাতে

আগের সংবাদ

সংসদে সরকারি চাকরির সংশোধন বিল উত্থাপিত

পরের সংবাদ

শুরু ২২ জানুয়ারি

কৃমিনাশক পাবে আড়াই কোটি শিশু

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৩ , ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৩ , ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে আগামী ২২ থেকে ৩১ জানুয়ারি। ২৭তম এই জাতীয় কৃমি সপ্তাহের প্রথম ধাপে ৪৪টি জেলায় পালিত হবে এই কর্মসূচি। এই ধাপে ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুকে কৃমিনাশক ওষুধ সেবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশিদ আলম এ তথ্য জানান। গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভবনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সি সব শিশুকে এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সি সব শিশুকে ১ ডোজ কৃমি নাশক ওষুধ (মেবেন্ডাজল বা ডারমক্স ৫০০ মি. গ্রা.) ভরা পেটে সেবন করানো হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কৃমির সংক্রমণ বয়স্ক মানুষের চেয়ে শিশুদের মধেই সবচেয়ে বেশি। শূন্য থেকে ৪ বছর ৭ শতাংশ, ৫ থেকে ১৪ বছর ৩২ শতাংশ, ১৫ থেকে ২৪ বছর ১৫ শতাংশ, ২৫ থেকে ৪৪ বছর ৭ শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৪ বছর ৫ শতাংশ, পঞ্চান্নোর্ধ্ব বয়সি মানুষের মধ্যে ৪ শতাংশ। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুদের মাঝে এই কৃমি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। দেশে কর্মসূচিটি ২০০৫ সালে প্রথমত ৩ জেলায় নেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে কার্যক্রমটি সম্প্রসারিত করা হয়।

প্রসঙ্গত; ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কৃমি নির্মূলের লক্ষ্যে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সি শিশুদের জন্য রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা কৃৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম উদযাপন করার লক্ষ্য হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সি সব (স্কুলগামী, স্কুল বহির্ভূত, স্কুল থেকে ঝরে পড়া, পথশিশু, কর্মজীবী শিশু) শিশুকে এক ডোজ কৃমিনাশক ওষুধ বিনামূল্যে সেবন করানো। এতদসঙ্গে কৃমির পুনঃসংক্রমণ রোধকল্পে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। এসব শিশুদের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য শিক্ষা দেয়ার ফলে তা অভ্যাসে পরিণত হবে এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যার ব্যাপারে সচেতন হবে। যা থেকে ভবিষ্যতে শিশুরা কৃমিসহ অন্যান্য পরজীবী বাহিত রোগব্যাধি থেকেও পরিত্রাণ পাবে।

এনজে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়