ডিএমপিতে জামায়াতের প্রতিনিধি দল

আগের সংবাদ

ঈশ্বরদীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

পরের সংবাদ

চলনবিলের বিস্তৃর্ণ মাঠ জুড়ে হলুদ সরিষা ফুলের সমারোহ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ , ২:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ , ২:৩৯ অপরাহ্ণ

চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিস্তৃর্ণ মাঠ জুড়ে এখন শুধু হলুদ সরিষা ফুলের সমারোহ। চলনবিলে একেক ঋতুতে দেখা যায় একেক রকম সুন্দর্য।। কবির সেই গানের ভাষায় না বললেই নয় “ধন ধান্নে পুষ্পে ভরা আমাদেরই বসুন্ধরা তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা, ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্ম ভূমি।” সত্যি এ দেশে জন্মগ্রহণ করে ধন্য আমরা।

বাংলাদেশের ষড়ঋতুতে ঋতু বৈচিত্রের অপরুপ সুন্দর্য যে কোন মানুষের হৃদয় কেড়ে নেয়। সিরাজগঞ্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কি.মি পশ্চিমে অবস্থিত এই তাড়াশ উপজেলা। এই উপজেলা মূলত একটি বিল অঞ্চল তাই কৃষির উপর নির্ভরশীল। হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক ধরে পশ্চিম দিকে এগুতেই রাস্তার দুপাশে বিস্তৃর্ণ মাঠ জুড়ে দেখা যায় এই হলুদ সরিষা ফুল। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে কৃষক তার জমি সরিষা চাষ করার জন্য প্রস্তুত করে নেয়। সরিষা বপনের ১মাসের মধ্যেই চলে আসে হলুদ ফুল। আর যা দেখে মনে হয় প্রকৃতি যেন হলুদ রঙের ফুলের চাদরে আচ্ছাদিত হয়ে আছে।

গ্রামীণ পথে পান্তরে সরিষা ফুলের গন্ধ আহা কতনা সু-মধুর। সত্যিকার অর্থে কি গ্রামে না থাকলে এই সুন্দর্য টা উপভোগ করার মজাটা অন্য কেউই বুঝবে না। শীতের সকালে এই হলুদ সরিষা ফুলের উপরে যখন শিশির জমা হয় দেখে মনে হয় এ যেন মুক্তদানা। গত বছরের তুলনায় এ বছরে পুকুর খননের কারণে অনেক কৃষি জমি কমেছে। তারপরেও তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষক সরিষা চাষে ঝুঁকছেন। গত বছর যে জমিগুলোতে সরিষা চাষ হয়নি এ বছর তেলের রেকর্ড পরিমাণ দাম বৃদ্ধি হওয়ায় কৃষক সেই সব জমিতেও সরিষার চাষ করেছেন। আর আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে সরিষার ভাল ফলন হবে বলে আষা করছেন।

সরিষা চাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছর আমি অল্প কিছু জমিতে সরিষার চাষ করেছিলাম আলহামদুলিল্লাহ ভাল দাম পেয়েছি আর এবছর তেলের দাম বৃদ্ধি তাই গত বছরের চেয়ে এবছর আরও বেশি সরিষা চাষ করেছি আবহাওয়া ভাল থাকলে আশা করছি ভাল ফলন পাব।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ বছর উপজেলায় প্রায় ৬০২০ একর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। আর তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ কৃষক সরিষা উৎপাদনের দিকে ঝুঁকেছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষককে সর্বাধিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া নিয়মিত কৃষকদের সাথে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কিভাবে সরিষার ফলন বৃদ্ধি করা যায় বা ভাল ফলন পাওয়া যায় সে ধরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর সরিষার ভাল ফলন হবে।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়