সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডসের বিদায়

আগের সংবাদ

সংসদ উপনেতা হচ্ছেন মতিয়া চৌধুরী!

পরের সংবাদ

সমানে সমানে লড়াই হবে

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১০, ২০২২ , ৮:৪২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২২ , ৮:৪২ পূর্বাহ্ণ

কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ দিন আজ। দিনের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে পর্তুগাল ও মরক্কো। বলতে গেলে মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনালে আসা একটা বড় চমক। যারা পুরো বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একটা লড়াকু দল হিসেবে নিজেদের প্রতিটা ম্যাচে উপস্থাপন করেছে। তারা কোয়ার্টারেও চাইবে সেরা খেলা উপহার দিয়ে পর্তুগালকে হারাতে। বাঁচা-মারার এ ম্যাচে ড্র করার সুযোগ নেই। কেননা দুই দলের একটিকে বিদায় নিতেই হবে। জয়ী দল এগিয়ে যাবে শিরোপার দৌড়ে। বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে এসে কোনো দলই হারতে চাইবে না। তেমনি পর্তুগালও চাইবে মরক্কোকে হারিয়ে শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে যেতে।

যদিও মুখোমুখি লড়াইয়ে তাদের অবস্থান সমান সমান। শুরু থেকেই হাকিমি, জিয়াসরা যেভাবে খেলে আসছে তার ধারাবাহিকতা যদি বজায় রাখতে পারে সঙ্গে গোলরক্ষক ইয়াসির বোনো যেভাবে স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করেছেন তা অব্যাহত রাখতে পারলে তাদের জয়ের সম্ভাবনা দেখছি। তবে পর্তুগালকে মরক্কোর চেয়ে এগিয়ে রাখছি। কেননা যারা শেষ ষোলোতে পর্তুগালের খেলা দেখেছে তারা সহজেই বুঝতে পেরেছে পর্তুগাল এবার দল হিসেবে সেরা। প্রথমার্ধে রোনালদো ছাড়াই সুইজারল্যান্ডকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে তারা।

হ্যাটট্রিকম্যান রামোসের সঙ্গে অভিজ্ঞ পেপে, পাশাপাশি মিডফিল্ডে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়া ফ্লেক্স। তারা জ¦লে উঠলে মরক্কোকে সহজেই হারাতে পারবে। আর রোনালদো তো আছেনই। আমাদের দেশে রোনালদোর জন্য অনেকেই পর্তুগালকে সমর্থন করে। তারা চাইবে রোনালদোর হাতে শিরোপা উঠুক। আদের সঙ্গে আমিও চাই পর্তুগাল জিতুক। তবে মরক্কোকেও ছোট দল মনে করছি না। তারাও জেতার সক্ষমতা রাখে।

আর কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। এখানে কোনো দলকেই পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। কেননা শুরু থেকেই এ আসরের শিরোপার অন্যতম দাবিদার তারা। ফ্রান্সের যেমন আছে কিলিয়ান এমবাপ্পে, গ্রিজম্যান, জিরুড তেমনি ইংল্যান্ডের আছে হ্যারি কেন, সাকা, ফোডেন, রাশফোর্ড। রক্ষণ কিংবা মিডফিল্ড সবদিকেই সমান বলা যায় এই দুই দলকে। এমবাপ্পে যে ছন্দে রয়েছেন যদি তাকে আটকানো যায় তাহলে ম্যাচের ফলাফল ইংল্যান্ডের দিকে আসতে পারে। তবে এমবাপ্পে ছাড়াও ফ্রান্সের আরো গোল করার খেলোয়াড় আছে। ইংলিশ ডিফেন্ডাররা যদি রক্ষণ সামাল দিয়ে আক্রমণ করে তাহলে তারা জিততে পারে বলে আমার মনে হয়। ইতিহাসও তাদের পক্ষেই।

আর ফ্রান্স যেহেতু শক্তিশালী দল তারা তো জানেই তাদের কী করতে হবে। কোচ দিদিয়ে দেশম সেই প্ল্যান আগেই করে রেখেছেন হয়তো। ফ্রান্সের রক্ষণকেও সতর্ক থাকতে হবে। রুখে দিতে হবে কেন-সাকাদের। আমার মনে হচ্ছে দুই দলের প্রত্যেকেই চাইবে প্রথমার্ধে একটি গোল দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে রাখতে। যে আগে গোল করতে পারবে সেই দল জেতার সম্ভাবনা দেখছি। তারপরও বলা যায় না কী হবে। তবে এটি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হবে এর কোনো বিকল্প নেই। এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারা শিরোপার অন্যতম দাবিদার হবে বলে মনে হচ্ছে। আশা রাখছি ফুটবলপ্রেমীরা এই ম্যাচটি উপভোগ করবে।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়