চাল আমদানি করা হবে না

আগের সংবাদ

মৃত্যু ও প্রতিবন্ধিতার অন্যতম কারণ বায়ুদূষণ

পরের সংবাদ

চালককে হত্যা করে পিকআপ ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৪, ২০২২ , ১:৪৬ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২২ , ১:৪৬ অপরাহ্ণ

রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে সাকিব (২০) নামে এক পিকআপ ড্রাইভারের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মো. নাইমুল হোসেন ওরফে সিয়াম (২২) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২ এর একটি দল। গ্রেপ্তার নাইমুল কুমিল্লা দেবীদ্বারের আরিফুল ইসলামের ছেলে।

র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল হক জানান, গত ৬ নভেম্বর রাজধানীর কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বুড়িগঙ্গা নদীর আটিবাজারগামী শাখা নদীর পাড় থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখ স্কচটেপ পেঁচানো অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি পিকআপ চালক সাকিবের বলে শনাক্ত করে তার চাচা।

তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনায় চাচা মো. জামাল (৩৭) অজ্ঞাতদের আসামি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনায় র‌্যাব-২ ছায়া তদন্ত শুরু করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মো. মিজানুর রহমান নামে একজনকে গত ২ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মিজান হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। মিজানুর রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গতকাল (শনিবার) রাতে হত্যা মামলার আরেক আসামি নাইমুলকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নাইমুল একটি কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানিতে চাকরি করতেন। দুই মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। চাকরি চলে যাওয়ার কারণে সে বিভিন্ন জায়গায় চুরি ও ছিনতাইয়ের কাজ করতেন। এই ছিনতাইয়ের টাকায় তার সংসার চলছিল না। তখন সে এবং বন্ধু মিজানুর রহমান মিলে পরিকল্পনা করে একটি গাড়ি ছিনতাই করে সেটি গ্রামে বিক্রি করে যে টাকা আসবে সেই টাকা দিয়ে তারা একটি ব্যবসা করবে।

পরে তারা রায়ের বাজার যায় এবং একটি গাড়ি ভাড়া করে ৫০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে চলে আসেন। পরদিন তারা পরিকল্পনা মাফিক গাড়ির ড্রাইভার সাকিবকে মোবাইলে কল করে আরশি নগর আসতে বলেন। গাড়ির ড্রাইভার সাকিব সেখানে গেলে তারা বলে আমরা মুন্সীগঞ্জ যাবো। সাকিব মুন্সিগঞ্জ যেতে রাজি না হলে তারা তাদের রুমে ডেকে নিয়ে যায়। রুমে নিয়ে যাওয়ার পর কথাকাটাকাটির একপর্যায় তারা সাকিবের হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং কালো স্কচটেপ দিয়ে তার মুখ ও মাথা পেঁচিয়ে ফেলে।

এরপর রাত ১২ টার দিকে তারা নদীর দিকে নিয়ে গিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে পিকআপ ড্রাইভার সাকিবের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তার নাইমুলকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান এএসপি মো. ফজলুল হক।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়