কোস্টারিকাকে ৪-২ গোলে হারিয়েও বিদায় জার্মানি

আগের সংবাদ

তিন দিনের পর্যটন মেলার পর্দা উঠল

পরের সংবাদ

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০২২ , ৮:২২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২২ , ৮:২২ পূর্বাহ্ণ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তির অনন্য নিদর্শন। যুগ যুগ ধরে এদেশের সব ধর্ম, গোত্র ও বর্ণের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করে আসছে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি দিবস ২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি দিবস ২০২২’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ বছর দিবসটির রজতজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আমি বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় জনগণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর সেখানে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর বর্ণিল ভাষা-সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও জীবনাচার এ অঞ্চলকে পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করেছে। একসময় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চল ছিল অশান্ত ও অবহেলিত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার কর্তৃক গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফলে পার্বত্য জেলাগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথ সুগম হয়, সূচিত হয় শান্তির পথচলা। শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের ফলে পার্বত্য জেলাসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চলমান ধারা আরও বেগবান হবে–এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি পার্বত্য জেলাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে অধিকতর অবদান রাখার আহ্বান জানাই।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়