সমাবেশের সব সুবিধায় দেয়ার পরও বাড়াবাড়ি করলে ব্যবস্থা

আগের সংবাদ

দেশ ধ্বংসে নেমেছে বিএনপি-জামায়াত

পরের সংবাদ

জঙ্গি ঈদী আমিনের তিন আশ্রয়দাতা রিমান্ডে

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০২২ , ৬:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২২ , ৬:৫৩ অপরাহ্ণ

জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য ঈদী আমিনের আশ্রয় দেয়া তিন জনকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ডে যাওয়া তিন আসামি হলেন-ঈদী আমিনের বোন খোদেজা আক্তার লিপি, মামা শ্বশুড় নাসির মিয়া ফারুক ও তানভীর হোসেন।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) এর পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ কোতয়ালী থানায় সন্ত্রাস বিরোধ আইনে করা মামলায় প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন ।

এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহাম্মদের আদালত তাদের প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। আদালতে কোতয়ালী থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপপরিদর্শক মো. আশ্রাফ এসব তথ্য জানান।

এদিকে রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ঈদী আমিনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ফটক থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ঈদী আমিন পলাতক ছিলো। তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ও তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ২২ নভেম্বর লিপি আক্তারের পূর্ব গোড়ানের বাসায় আশ্রায়ে ছিল ঈদী আমিন। সেখান থেকে মামা শ্বশুড় নাসির মিয়ার বিজয়নগরের বাসায় যাই। সেখানে ২২ নভেম্বর রাত থেকে ২৩ ও ২৪ নভেম্বর তার বাসায় অবস্থান করে। এরপর ২৫ নভেম্বর মধ্য বাসাবো এলাকায় তানভীরের বাসায় যাই। সেখানে ২৫ ও ২৬ নভেম্বর অবস্থান করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, এই তিন আসামি জানতো, ঈদী আমিন একজন পলাতক আসামি এবং সে সন্ত্রাস বিরোধ আইনের অপরাধ সংগঠন করেছে। এটা জেনে এবং বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকা সত্বেও ঈদী আমিনকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার অভিপ্রায়ে তাকে আশ্রয় দেয়। এছাড়া এ তিন আসামি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য কি না, সদস্য হয়ে থাকলে তাদের সাথে আরও কারা কারা জড়িত আছে তাদের সনাক্তসহ নির্ণয়ের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এরআগে ২৭ নভেম্বর ঈদী আমিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তার ৪ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০ নভেম্বর দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের চোখে স্প্রে মেরে প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সদস্য আবু সিদ্দিক সোহেল ও মইনুল হাসান শামীমকে ছিনিয়ে নেয়া হয়। এ ঘটনায় রাতে ২০ জঙ্গিকে আসামি করে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। রাতেই ১০ জঙ্গির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৪ নভেম্বর জঙ্গি ছিনতাই ঘটনার প্রধান সমন্বয়ক মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়