পরী মণির দুঃখ কমাতে রাজের চেষ্টা

আগের সংবাদ

ধর্ষণের অভিযোগে চাকরি হারালেন উপ সচিব রতন

পরের সংবাদ

ঝামেলা না করে সমাবেশের অনুমতি দিন

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৩, ২০২২ , ১:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২২ , ২:৪৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঝামেলা না করে ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের অনুমতি দিন।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘দেউলিয়াত্ব ঘোচাতে দুর্ভিক্ষের নাটক? দেশ কোন পথে’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বক্তৃতা করেন

মির্জা ফখরুল বলেন, তারা (পুলিশ) সমাবেশের স্থান দেয়নি এখনো। পল্টনে সমাবেশ করার কথা বলা হয়েছে। কোনো ঝামেলা না করে সমাবেশের স্থানের অনুমতি দিন। দায়িত্ব এখন সরকারের বিএনপি নিয়ম মেনে সমাবেশের আবেদন করেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগন থেকে সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সেজন্য তারা জনগনের দুঃখ ব্যাথা বুঝতে চায় না। আওয়ামী লীগ জাতির জন্য বোঝায় পরিণত হয়েছে; এই বোঝা সরাতে জনগণের ঐক্য সৃষ্টি করে গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাদেরকে হটাতে হবে।

সরকারের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, নতুন করে গায়েবি মামলা শুরু করেছে। ককটেল ফাটানোর কথা বললেও যে ঘটনা কেউ শোনেনি, কেউ দেখেনি, তা নিয়ে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। পুরানো নাটক শুরু করেছে সরকার, যেন বিএনপি মামলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, অন্যদিকে সরকার নিজের কাজ করে যেতে পারে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার পতনের আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতেই আগুন সন্ত্রাস আর জঙ্গি নাটকের ধোঁয়া তুলছে ক্ষমতাসীনরা। দেশে জঙ্গি ছিনতাই নাটক তৈরি করার হচ্ছে উদ্দেশ্য হলো, সরকার জনগণের মূল দাবি ভিন্ন খাতে নিতে চায়।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্ট না দেখে আওয়ামী লীগ নেতারা মালয়েশিয়া, কানাডা ও সিঙ্গাপুরের রঙিন জীবন দেখছে। আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দুর্ভিক্ষ হয়। আওয়ামী লীগের যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে, তাদের দুর্নীতি লুটপাট দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ।

তিনি আরও বলেন, সরকার হটাতে জনগণের ঐক্যের মধ্য দিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সরকারকে সরে যেতে হবে, নতুন নির্বাচন দিতে হবে, কোনো দলীয় সরকার নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট না দেখে আওয়ামী লীগ নেতারা মালয়েশিয়া, কানাডা, সিঙ্গাপুরের রঙিন জীবন দেখছেন। আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে দুর্ভিক্ষ হয়। আওয়ামী লীগের যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে তাদের দুর্নীতি ও লুটপাট দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ।

তিনি আরও বলেন, বিধবা ভাতা বা দুস্থ ভাতার ১০ থেকে ২০ শতাংশ কেটে নেন আওয়ামী লীগ নেতারা। জাতির জন্য বোঝা হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। তাদের সরাতে না পারলে সবাই ডুবে যাবো। জনগণকে রক্ষা করতে দুর্বার আন্দোলনের মধ্যদিয়ে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। শুরু হয়ে গেছে তাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বাধা দেওয়া। মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাদের আদালতে ব্যস্ত রাখে। সুপরিকল্পিতভাবে দেশের অর্জন নষ্ট করছে আওয়ামী লীগ। দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন তারা। এমন কোনো খাত নেই সেখানে দুর্নীতি হয় না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক পুরানো রাজনৈতিক দল, তাদের জনভিত্তি আছে, কিন্তু ক্ষমতার থাকার লালসায় এখন দেউলিয়া হয়ে গেছে।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়