জঙ্গিদের ধরতে সক্রিয় র‌্যাবের সব ইউনিট

আগের সংবাদ

তারেককে দেশে ফেরাতে পানি ঘোলা করছে বিএনপি

পরের সংবাদ

জাবিতে মসজিদ নির্মাণের দাবিতে আল্টিমেটাম

প্রকাশিত: নভেম্বর ২১, ২০২২ , ৪:৩১ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২২ , ৪:৩২ অপরাহ্ণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হল সংলগ্ন মসজিদ অতিসত্ত্বর পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে দুই হলের শিক্ষার্থীরা। এ সময় আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরুর আল্টিমেটাম দেয়া হয়।

সোমবার (২১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শহীদ সালাম-বরকত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফি বলেন, ‘আমাদের মসজিদটি ভেঙেছে ৮-৯ মাস হয়ে গেছে, কিন্তু বর্তমানে এর কাজের কোন অগ্রগতি হচ্ছে না। ছাপড়া একটা মসজিদে আমাদের নামাজ পড়তে খুবই কষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে এই শীতের মধ্যে খোলা মসজিদে নামাজ পড়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। আমাদের দাবি হচ্ছে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মসজিদের কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় ডিসেম্বর থেকে আমরা অবশ্যই কঠিন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।

এ সময় আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. মূসা বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের ফলেই ঝুঁকিপূর্ণ মসজিদ ভেঙে ফেলে নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু প্রস্তাবিত নকশায় মুসল্লি ধারণক্ষমতা, অযুখানা, টয়লেট সবকিছু কম থাকায় আমাদের পুনরায় আন্দোলন করতে হয় যার প্রেক্ষিতে নতুন নকশা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু নতুন নকশা চলে আসার এক-দেড় মাস পার হয়ে গেলেও মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে না।’

মানববন্ধনে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মিরাজ বলেন, ক্যাম্পাসের বটতলায় অনেক লোক আসে যারা আমাদের মসজিদে নামাজ পড়ে। এছাড়াও দুই হল ও কোয়ার্টারের অনেকেই নামাজ পড়ে এখানে। স্থায়ী মসজিদ না থাকায় অবর্ণনীয় কষ্ট করতে হচ্ছে এই সকল মুসল্লিদের। আমরা চাইনা মসজিদ এই অবস্থায় থাক, আমরা চাই মসজিদ নির্মাণের কাজ অতিদ্রুত শুরু হোক। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অবিলম্বে মসজিদের কাজ শুরু না হলে অন্যথায় অপ্রীতিকর কিছু হলে এর দায় প্রশাসনেরই নিতে হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার পর ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে নতুন করে নির্মাণের উদ্দেশ্যে মসজিদটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। কিন্তু মসজিদের ধারণ ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ থেকে ৭৫০ জন বলা হলেও নকশায় মসজিদের ধারণক্ষমতা ৫৩৪ জন জানতে পেরে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সংশোধিত নকশা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু পরিবর্ধিত নকশায় নির্মাণ খরচ বৃদ্ধির কারণে মসজিদ নির্মাণ বন্ধ রয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

এমকেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়