কাগজের মূল্যবৃদ্ধি ও মুদ্রণ শিল্পে সংকট

আগের সংবাদ

সরকারি হাসপাতালে খাবারের মান বাড়ানো জরুরি

পরের সংবাদ

সংস্কৃতিচর্চায়ও ‘উন্নয়ন’ প্রয়োজন

আহমেদ আমিনুল ইসলাম

অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: নভেম্বর ২০, ২০২২ , ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২২ , ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ

টানা তৃতীয় মেয়াদের ক্ষমতার শেষ প্রান্তে আওয়ামী লীগ। স্থিতিশীল পরিবেশে ধারাবাহিক শাসনের ফলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। একযুগ আগের রাজধানী শহরের সঙ্গে বর্তমানের রাজধানীর মিল পাওয়া দুষ্কর! শুধু রাজধানীই নয়- সারাদেশই নানারূপ উন্নয়নের স্বাক্ষরে আজ উজ্জ্বল। জাতির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘পদ্মা সেতু’ আজ বাস্তবে পদানত। শুধু তাই নয়, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও যোগাযোগের উন্নতির লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একদিনে ১০০ সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। বিগত কয়েক বছরের মতো এ বছরও দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলের আর্থিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে কোনোক্রমেই অস্বীকার করা যাবে না। আবার বৈশ্বিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মোকাবিলায়ও সরকারের দক্ষতাকে ইতিবাচকভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। স্বীকার করতে হবে জঙ্গিবাদ দমনেও সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি এবং জঙ্গি দমনে কার্যকর পদক্ষেপ ছিল প্রশংসনীয়। ২০১৬ সালের মতো জঙ্গি-বিস্তৃতি আজ আর ভাবাও যায় না। সম্পূর্ণরূপে জঙ্গি নির্মূল না হলেও জাতি আজ অনেকটাই স্বস্তির মধ্যে আছে। কিন্তু নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বর্তমান সরকারের শেষ সময়ের দিকে এসে আমরা সবচেয়ে অস্বস্তির মধ্যে পড়েছি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও দ্রব্যমূল্যের নাগপাশ থেকে মুক্তি অর্জন ছাড়া বর্তমান সরকারের সাফল্যই সর্বত্র- এ কথাও আমাদের মানতে হবে- ভাবতেও হবে। ভাবতে হবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতাও বৈশ্বিক ‘ফ্যাক্টর’। তবে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সমাজ কখনো কখনো দেশবাসীকে নানাভাবে জিম্মি করে ফেলে! সরকারও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে- সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
সরকারের অনেক সাফল্য দৃশ্যমান হওয়ার পরও এখানে যে প্রসঙ্গের অবতারণা করতে চাই তা হলো একটি প্রজন্মের সুস্থ বিকাশের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক যে প্রণোদনা ও উৎসাহ প্রয়োজন বিগত একযুগে আমরা তার তেমন কোনো স্ফূরণ লক্ষ করিনি। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় এবং পরিপূর্ণ একটি মানস গঠনে ফাঁক থেকে গেছে বলেই মনে করি। এই ফাঁক প্রগতিশীল মননের চর্চার ভিত্তিকে কিছুটা দুর্বলও করেছে। এ কথা ঠিক যে, ৯০ ভাগ মুসলমান জনসংখ্যার দেশে ইসলামের বিস্তার ও বিকাশ ঘটবেই। তাই বলে আমরা আমাদের হাজার বছরের জাতীয়তাবোধ ও বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনাকে অবহেলা করতে পারি না। আমরা আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকেও আড়াল করতে পারি না। কিন্তু দেখা যায় একটি গোষ্ঠীর অপতৎপরতায় দেশে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের মানস গঠনে মৌলবাদী চিন্তা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবই যেন বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
জঙ্গিবাদের উত্থান ও আক্রমণ লক্ষ করলে কেবল তখনই আমরা সাংস্কৃতিক জাগরণের কথা বলি। কার্যত দীর্ঘমেয়াদে বাঙালির নিজস্ব সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রচার-প্রসার নিয়ে তেমন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করি না। আমাদের তরুণ প্রজন্মের সামনে আমরা তেমন প্রবল কোনো সাংস্কৃতিক আদর্শ দেখাতে পারি না বলেই মাঝেমধ্যে গণমাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে তরুণদের ‘হিজরত’-এর সংবাদ জানতে পাই, জানতে পাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিজরতকারীদের ধরার জন্য জাল পেতে চেষ্টা করছে! কেন আমাদের আদুরে সন্তানরা পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভিন্নতর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের জীবন পণ করে আত্মঘাতী সন্ত্রাসীর পথ বেছে নিচ্ছেন? জানতে ইচ্ছে করে- এভাবে আমাদের তরুণদের সমাজ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পেছনে আসলে কী লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কাজ করছে? বলা হয় নতুন প্রজন্মের তরুণদের সম্মুখে উচ্চ কোনো আদর্শ নেই, নেই সাংস্কৃতিক চেতনাবোধের প্রতি তেমন গভীর কোনো মমত্ববোধ। একদিকে তাদের সম্মুখে সাংস্কৃতিক এই শূন্যতা, আর অপরদিকে পর্দার আড়ালে মৃত্যুর পর অন্তহীন জীবনে অপরিমেয় ভোগবিলাসের দীর্ঘ দৃশ্যপটের রোমান্টিক আবেদনের চিত্র তরুণ বয়সের সর্বপ্লাবী উদ্যমকে সক্রিয় করে তোলে। সংস্কৃতিচর্চায় আমাদের দীর্ঘ নিদ্রা তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উৎসাহী করছে বলা যায়। সামাজিক নানা ঘটনাপ্রবাহ, বৈশ্বিক মুক্তবাজার আর্থ-সংস্কৃতি আর তথ্যপ্রযুক্তির নানা বিপ্লবে গা-ভাসানো দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণি দীর্ঘ নিদ্রায় আচ্ছন্ন। কোনো সমাজের মধ্যবিত্ত যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন তার ঘরে সিঁদ কেটে প্রবেশ করে চোর-লুটেরা। এরা যার-যার প্রয়োজনীয় বস্তু চুরি করে নিয়ে যায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে। সাম্প্রতিককালের হিজরত সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ, ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গ্রেপ্তারের নৈমিত্তিক ঘটনা, নানা রকমের আত্মসমর্পণ কিংবা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনায় তরুণ প্রজন্মের সাংস্কৃতিক বিচ্যুতিকেই প্রকট করে। বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত কিছুটা দিকভ্রান্ত ও বিভ্রান্ত তাও স্বীকার করতে হবে। এই ফাঁকে তরুণ প্রজন্মও ভিন্নতর আদর্শে দীক্ষিত হয়েছে, সংস্কৃতি-ঘাতী হয়ে গেছে, তারা হয়ে উঠেছে আত্মঘাতী! তারা আমাদের কথা শোনার চেয়ে শুনছে নিষ্ঠুর জঙ্গিবাদী নেতাদের কথা, আমাদের সঙ্গে বসবাস করার চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে জঙ্গি আশ্রয়-আশ্রম। তারা বাঙালির শাশ্বত আদর্শের চেয়ে শ্রেয়তর মনে করে বসে আছে পরাশ্রয়ী আদর্শকে। যে আদর্শের সঙ্গে বাঙালির আবহমানকালের সংস্কার-সংস্কৃতি এমনকি দার্শনিকতার মিল নেই। এরাই ধীরগতির বিষক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির আবহমান সংস্কৃতিকে ধীরে ধীরে বিলীন ও গ্রাস করে চলেছে। বিধ্বস্ত করে চলেছে একের পর ঐতিহ্যিক স্মারকচিহ্ন- বাঙালির সহস্রবর্ষের সংস্কার ও সাংস্কৃতিক মৌল উপাদানগুলো। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বানিয়ে ফেলছে নিজেদের খেলার পুতুল। প্রিয় সন্তানদের হারিয়ে, উজ্জ্বল স্বপ্ন হারিয়ে, ঐতিহ্যিক সব স্মারক ও সাংস্কৃতিক চেতনা হারিয়ে মধ্যবিত্ত আজ ভাবনায় মগ্ন। সচকিত মধ্যবিত্তের মধ্য থেকেই পরামর্শ আসছে তরুণদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শিক্ষায়ও শিক্ষিত করে তুলতে হবে। সচেতন করে তুলতে হবে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কার-সংস্কৃতি এবং প্রকৃত ধর্ম ও দর্শন সম্পর্কে- বাঙালির গভীর এবং শাশ্বত অনুরাগ সম্পর্কেও। এখন এ কথাও বলা হচ্ছে যে, স্কুল-কলেজ থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বোধ সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। সংস্কৃতিচর্চায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। কারণ নানা মহল থেকেই কথা উঠেছে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল-পড়–য়া, নামি-দামি বেসরকারি কিংবা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়-পড়–য়া তরুণদের জঙ্গিবাদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হওয়ার পশ্চাতে শিক্ষার সঙ্গে সাংস্কৃতিক চেতনাবোধের অভাব নিয়ে। পাশাপাশি পরামর্শও উচ্চারিত হচ্ছে এই বলে যে, সাংস্কৃতিকচর্চার পরিধি স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও বিস্তৃত করতে হবে।
‘সৃজনশীল’ পদ্ধতির নামে বর্তমানে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কৃতিচর্চার কোনো অবকাশই নেই! নামে ‘সৃজনশীল’ হলেও বাস্তবে যে তা কতটা ‘সৃষ্টিছাড়া’ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনায় তাও স্পষ্ট হয়েছে! অথচ এই শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল একটি ‘সৃষ্টিশীল’ জাতি গঠন। কিন্তু এতে ফাঁকও ছিল যথেষ্ট পরিমাণেই। সৃজনশীল শিক্ষক তৈরি না করে সৃজনশীল পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন ‘ঘোড়ার আগে গাড়ি জোড়া’ ছাড়া কিছু ছিল না। আবার প্রকাশ্যে যতই কোচিং সেন্টার এবং গাইড-বইয়ের বিরোধিতা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চারিত হয় তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়ে চলে কোচিং এবং গাইড-বাণিজ্য। শিক্ষার্থী তো বটেই ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের কাছেও আশ্রয় ও ভরসার স্থল হয়ে দাঁড়ায় কোচিং সেন্টারের নোট এবং গাইড বইয়ের নির্দেশিকা। এই পরাশ্রয়ী মানসিকতা দিয়ে কখনো ‘সৃষ্টিশীল’ জাতি গঠন সম্ভব নয়। বাঙালির প্রকৃত মানস গঠনেও থেকে যাবে দীর্ঘতর ফাঁকি!
সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সংস্কৃতিচর্চায়ও ‘সরকারি’ ধরনে পরিচালিত হয়। দেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ থাকার কথা। আমরা দেখেছি এ দেশে স্বৈরশাসনামলেও প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ কার্যকর ছিল। ছাত্র সংসদের ভেতর থেকেই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনও সম্ভব হয়েছে। রাজনৈতিক আন্দোলনকে এই সাংস্কৃতিক আন্দোলন পুষ্টি জোগায়। কিন্তু স্বৈরতন্ত্রের অবসানের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলেও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই কেন্দ্রীয় সংসদ কার্যকর রূপ নিতে পারেনি। ফলে সংস্কৃতিচর্চাও খাঁচায় বন্দি পাখির দশায় পরিণত হয়েছে! আর বলার অপেক্ষা রাখে না, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতির ব্যবধানও বিস্তর।
দেশে সংস্কৃতিচর্চার ধারা সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে মধ্যবিত্ত শ্রেণিকেই সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। মনে রাখতে হবে, দেশে সংস্কৃতিচর্চার অবকাশ কম এবং দিন দিন তা কেবলই হ্রাস পাচ্ছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী আদর্শের সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি এ ভূখণ্ডে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতিচর্চার প্রতিও সরকারি মনোযোগ প্রয়োজন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি মধ্যবিত্তেরই অবিসংবাদিত নেতা। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ এবং অসাম্প্রদায়িক একটি রাষ্ট্র গঠনে শিল্প-সংস্কৃতিচর্চার গুরুত্ব উপলব্ধি করেই ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমান সরকারের টানা ৩ মেয়াদে নানা খাতে প্রভূত উন্নয়ন হলেও শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে তেমন কার্যকর দেখা যায়নি। সব উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়েই দেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়নকেও ত্বরান্বিত করতে হবে। বাঙালির হাজার বছরের শাশ্বত সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে আমরা আওয়ামী লীগের কাছে যে প্রত্যাশা করি তা আর কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে করতে পারব না। আমাদের প্রত্যাশা ছিল দেশের ৬৪টি জেলার শিল্পকলা একাডেমিসহ উপজেলা পর্যায়ের শিল্পকলা একাডেমিগুলো সংস্কৃতিচর্চায় প্রাণচাঞ্চল্য লাভ করবে। সুস্থ সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক মানসিকতায় মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করতে হবে। তা সম্ভব না হলে অবকাঠামোগত সব উন্নয়নই অর্থহীন হয়ে পড়বে।

আহমেদ আমিনুল ইসলাম : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়