ট্রাকের ধাক্কায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

আগের সংবাদ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত

পরের সংবাদ

বিএনপি জড়িত, অভিযোগ কাদেরের

কাঁচপুর সেতুর নামফলক পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৯, ২০২২ , ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২২ , ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ

কাঁচপুর সেতুর নামফলক পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ফলকের নিচের অংশ ভেঙেও ফেলা হয়েছে। কে বা কারা এই ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কাঁচপুর সেতুর নামফলক পোড়ানোর ঘটনার সঙ্গে বিএনপি জড়িত। তারা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী নামফলক ভাঙতে শুরু করেছে। আন্দোলনের নামে কী করবে, সেটা বোঝাই যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার দপ্তর উপকমিটির এক প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে কাঁচপুর সেতুর নামফলক পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনার খবর পেয়ে সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই বিষয়ে খোঁজখবর নেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এই নামফলকটি পুড়িয়ে দেয় এবং ফলকের নিচের দিকের কিছু অংশ ভেঙে ফেলে। এই নামফলক পুড়িয়ে দেয়া এবং ভেঙে ফেলার ছবি গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর মন্ত্রী সেতু বিভাগের সচিবকে ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

এই ঘটনায় বিএনপি জড়িত থাকার অভিযোগ করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়ন ও অর্জনের বিরুদ্ধে যারা বিষোদ্গার করে যাচ্ছে তারাই বৃহস্পতিবার রাতের অন্ধকারে কাঁচপুর সেতুর প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনী ফলকটি পুড়িয়ে ফেলেছে। তারা আন্দোলনের নামে কী করবে, সেটা বোঝাই যাচ্ছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী নামফলক ভাঙতে শুরু করেছে। এত বিদ্বেষ। কারা করেছে সেটা আমরা বুঝি। সত্য বেরিয়ে আসবে। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

তিনি বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আমাদের সচিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। মামলাও করা হবে। এই ফলক ভাঙার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুতই শনাক্ত করা হবে। এমন একটা প্রকল্পের উদ্বোধনী ফলক ভেঙেছে যেটা চট্টগ্রামে যাতায়াতে অহংকারের বিষয়। জাপানের অর্থায়নে এ প্রকল্পের আওতায় তিনটি সেতু নির্মিত হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজে ১১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ১৬ মার্চ দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু ও ভুলতা ফ্লাইওভার উড়াল সেতুর উদ্বোধন করেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার পর থেকেই এই সেতুতে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এই সেতু উদ্বোধনের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট কমে যাত্রা সহজ হয়। উদ্বোধনের সময় কাঁচপুর সেতুর সামনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি উদ্বোধনী নামফলক স্থাপন করা হয়।

এমকেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়