চেয়ারম্যানে পুরাতনে ভরসা রাখলেন কর্ণফুলীবাসী

আগের সংবাদ

ব্যাংক লেনদেন ১০টা থেকে সাড়ে ৩টা

পরের সংবাদ

সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান

বিমানের প্রশ্ন ফাঁসে কেউ দায় এড়াতে পারে না

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২২ , ৩:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২২ , ৩:৪৩ অপরাহ্ণ

৫০ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা কমিটির কেউ দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, সার্বিক তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি লালবাগ বিভাগ। তাদের মধ্যে ৯ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে স্পষ্ট হয়েছে এমডি’র কক্ষ থেকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। আরও অনেক ব্ল্যাংক চেক উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ জাতীয় পতাকাবাহী একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের এমডি’র পক্ষ থেকে প্রশ্ন ফাঁস করেছেন জাহিদ নামে এমডি’র অফিস সহকারী। নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে একটি কমিটি রয়েছে। তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি। এখানে অনেক লোকের চাকরি হওয়ার কথা। তারা দায় এড়াতে পারেন না। এই ঘটনায় যাদের দায় রয়েছে, প্রশ্ন ফাঁস করেছেন, তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ইতোমধ্যে নিয়োগ পরীক্ষার সদস্যদের কাউকে ফোনে কাউকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়োগ পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতির ঘটনায় গত ২১ নভেম্বর ডিবি লালবাগ প্রথম দিনই রাজধানীর কাউলা এলাকা থেকে আওলাদ হোসেন (২১), জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), এনামুল হক (২৮), হারুন-অর-রশিদ (৪০) ও মাহফুজুল আলম (৩১) নামে বিমান বাংলাদেশের পাঁচ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রের সফট কপি, টাকা, ব্যাংকের চেক, স্ট্যাম্প, মোবাইল নাম্বার, ডায়েরি ও পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।

এরপর প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আরও ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- মো. মাসুদ (৩৪), জাহিদ হাসান (২৮), সমাজু ওরফে সোবহান (৩০), জাবেদ হোসেন (২৮) এবং জাকির হোসেন (২৯)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত হাতে নগদ দেড় লাখ, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক-৩২টি, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প-১৭টি, মোবাইল ফোন ১৪টি, মোটরসাইকেল, ডায়েরি ৩টি, ফাঁস হওয়ার প্রশ্নপত্রের হার্ডকপি ও সফটকপি এবং নিয়োগ প্রার্থীদের প্রবেশপত্র-৫৪টি উদ্ধার করা হয়।

ডিবি প্রধান হারুন বলেন, গ্রেপ্তার ১০ জনের মধ্যে ৯ জন প্রশ্ন ফাঁসে নিজেদের ও অন্যদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা প্রশ্ন ফাঁসের যাবতীয় অপকর্মের বিবরণ দিয়েছেন।

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়