রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

আগের সংবাদ

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয়

পরের সংবাদ

আইইডিসিআরের প্রতিবেদন

মশারি ব্যবহার করেন না ২৫ ভাগ ডেঙ্গু রোগী

প্রকাশিত: অক্টোবর ২০, ২০২২ , ২:০৪ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২২ , ২:০৬ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৫ ভাগ ডেঙ্গু রোগী মশারি ব্যবহার করেন না। চিকিৎসা দেয়া সব হাসপাতালে ডেঙ্গুর জন্য পৃথক কর্নারও নেই। এভাবেই বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। পাশাপাশি, বাসাবাড়িতেও ৫০ ভাগ মানুষ মশারি ব্যবহার করছেন না।

এদিকে, শহরের ২৫টি স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) গবেষকরা।

সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে গবেষক দলটি চট্টগ্রামে মাঠপর্যায়ে জরিপ চালায়। এ সময় ডেঙ্গু রোগীদের সেবাদানকারী চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। এছাড়া, মাঠ পর্যায় থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাড়িঘর পরিদর্শন করে এডিস মশার প্রজনন এবং মশারি ব্যবহার ও ডেঙ্গু সচেতনতার তথ্য সংগ্রহ করেন।

পাঁচদিনব্যাপী মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শেষে ঢাকায় ফিরে ওই গবেষক দল নমুনা পরীক্ষাসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন কাজ করে। প্রায় এক মাস পর আইইডিসিআরের পরিচালক তাহমিনা শিরিনের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে তা চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের কাছে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, ছয়টি সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদনটি আমাদের দেয়া হয়েছে। তাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। রোগীদের মশারি ব্যবহার করা হয় না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৭৫ ভাগ রোগী মশারি ব্যবহার করছেন। হাসপাতালগুলোয় পৃথক ডেঙ্গু কর্নারও নেই। ফলে ডেঙ্গু রোগীকে কামড়ানো মশা সুস্থ কাউকে কামড়ানোর আশঙ্কা থেকে যায়। এ অবস্থায় ডেঙ্গু রোগীদের জন্য শতভাগ মশারি ব্যবহার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞ দল। নগরের বিভিন্ন বাসাবাড়ি পরিদর্শন করে মাত্র অর্ধেক লোক মশারি ব্যবহার করে বলে তথ্য পেয়েছে দলটি।

গবেষণা দলটি সিটি কর্পোরেশনের ৯টি ওয়ার্ড ও সাতকানিয়া উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পায়। তবে বর্তমানে ডেঙ্গু রোগের বিস্তৃতি আরও বেড়েছে। এখন নগরের প্রায় সব জায়গা থেকে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালগুলোয়। এছাড়া, সাতকানিয়া, কর্ণফুলী, পটিয়া, হাটহাজারী, সীতাকুণ্ডসহ বিভিন্ন উপজেলায় ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়