হাসাপাতালে সেবার মান অনুযায়ী চার্জ নির্ধারণ হবে

আগের সংবাদ

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল শুরু

পরের সংবাদ

গ্রিড বিপর্যয়ে নাশকতা কিনা, যাচাই-বাছাই চলছে

প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২২ , ৫:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২২ , ৫:৩৯ অপরাহ্ণ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, গ্রিড বিপর্যয়ে অন্যরকম নাশকতা আছে কি না, সেটাও যাচাই-বাছাই চলছে। এটা হচ্ছে একটা বিষয়। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে অবশ্যই টেকনিক্যাল সাইটটাও আমরা দেখছি।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি যে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্টগুলো আসবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘এখানে দুটো জিনিস। একটা হলো এখনো পলিটিক্যালপারসনদের কাছে যেটা শুনছি, এ রকম ঘটনা আরও হবে। এটা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বললেন। আরও হবে মানে কিন্তু এখানে অন্যরকম ষড়যন্ত্রের কথা। উনি জানেন কীভাবে? জানেন কীভাবে ভবিষ্যতে আরও হবে, এত বছর হলো না। যে ব্যক্তিটা তার নিজের আমলে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিতে পারেনি ট্রান্সমিশনের লাইন তো বাদই দিলাম। একমাত্র খাম্বা এবং পুল ছাড়া কিছুই লাগাতে পারেনি। উনি কিন্তু পন্ডিতের মতো কথা বলে দিলেন, এ রকম ঘটনা আরও হবে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের ঘটনাটি ছিল এক রকম। এ ঘটনাটি অন্যরকম। দুটি দুই রকম ঘটনা। ওইখান থেকে যা নেওয়ার তার থেকে অনেক দূর পিজিসিবি (পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড) অ্যাডভান্স লেভেলে চলে গেছে। পাওয়ার রিস্টোর করতে মানে কত দ্রুত আনতে পারি, বিভিন্ন উন্নত বিশ্বে কয়েক দিন আগে রেকর্ড আছে, তিন দিন-চার দিন লেগে গেছে কিন্তু আমরা সেদিকে যাচ্ছি না।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘সবাই একসঙ্গে কাজ করার কারণে কিন্তু আমরা দ্রুততার সঙ্গে আনতে পেরেছি। এক ঘণ্টা পর থেকেই কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছিল রি-স্টোর করা। এটা একটি বড় জিনিস অবশ্যই টেকনিক্যাল ফল্ট এখানে আছে। একদম পিন টু পিন যদি আমি আমরা ধরতে যাই, তাহলে একটু সময় লাগবে। এ কারণে আমি দুইটি কমিটি করে দিয়েছি। একটি কমিটি হলো বিদ্যুৎ বিভাগের ভেতরের লোক আরেকটি বাইরের লোক।’

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের এ ঘটনা রোধ করার জন্য আপনারা কি করবেন- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে আমরা ঘণ্টাখানেক পর থেকে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ রিস্টোর করা শুরু করি। এটা ম্যানুয়ালি করা হয়েছে। এটার বড় জিনিস হচ্ছে আমাদের এখন অটোমেশনে যেতে হবে এবং আমরা কাজ শুরু করেছি। হয়তো আগেই করতে পারতাম। কিন্তু কোভিডের কারণে দুটি বছর পিছিয়ে গেছি। মানে এটা শেষ হতে হয়তো আরও দুই বছর লাগবে। গ্রিডকে স্মার্ট গ্রিডে পরিণত করা, এটা একটি বড় বিষয় এ মুহূর্তে।’

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) জাতীয় গ্রিডের সঞ্চালন লাইন বিভ্রাটের পর ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। ওইদিন দুপুর ২টার দিকে এ বিপর্যয় ঘটে। এরপর থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট অঞ্চল বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়