চট্টগ্রামে মণ্ডপে মণ্ডপে উৎসবের আমেজ

আগের সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে পদদলিত হয়ে মৃত্যু ১২৯

পরের সংবাদ

টেকনাফের পাহাড়ে সক্রিয় অপহরণকারীরা

মুক্তিপণে পিতা-পুত্রের ফেরার দিন আরেকজন অপহৃত

প্রকাশিত: অক্টোবর ২, ২০২২ , ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২২ , ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ

জেলার টেকনাফে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন অপহৃত পিতাপুত্র। গতকাল শনিবার দুপুরে ছাড়া পান উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী এলাকার মৃত উলা মিয়ার ছেলে নজির আহমদ ও তার ছেলে মোহাম্মদ হোসাইন। অপহৃত এ দুজন ফিরে এলেও একইদিন সকালে হ্নীলা মরিচ্যাঘোনা এলাকার একটি পেয়ারা বাগান থেকে মৃত আবদুল গফুরের ছেলে মোহাম্মদ শফিককে (৩০) ধরে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। তার পরিবারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ভোরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী ও মরিচ্যাঘোনা এলাকা থেকে পিতাপুত্রসহ ৫ জনকে অপহরণ করা হয়। এর মধ্যে ৩ জনকে ওইদিনই সন্ধ্যায় আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপহৃতদের পরিবার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ওই ৫ জন ভোরে ক্ষেতে কাজ করতে যান। এ সময় ৭-১০ জন সেখান থেকে ৫ জনকে অপহরণ করে। অপহরণকারীরা ৫ জনের প্রত্যেকের জন্য ৫ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না পেয়ে তারা কৃষক শাহাজাহানকে গুলি এবং আবু বক্কর ও মেহেদী হাসানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে কৃষকদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শাহাজাহানের বাবা আবুল মঞ্জুর বলেন, আমার ছেলে শাহাজাহান পাহাড়ের পাদদেশে ধানক্ষেত পাহারা দিতে গেলে সশস্ত্র অপহরণকারীরা তাকেসহ ৫ জনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না পেয়ে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে।

গতকাল শনিবার দুপুরে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসা নজির আহমদ ও তার ছেলে মোহাম্মদ হোসাইন জানান, তাদের বেশ মারধর করা হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সুস্থ হয়ে আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, আমার এলাকার কৃষকদের ক্ষেত-খামারের কাজে গহিন পাহাড়ে যেতে হয়।

ধানক্ষেত থেকে ৫ কৃষককে অপহরণ করা হয়েছে। ৩ জন কৌশলে ও ২ জন ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসে। তবে গতকাল শনিবার আরো একজনকে ধরে নিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বিষয়টি শুনেছি। এরপর পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। তবে বিভিন্নভাবে সবাই ফিরে এসেছে বলে জেনেছি। এখনো এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়