নতুন মাথাব্যথা ‘হিজরত’!

আগের সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খুনোখুনির নেপথ্যে কারা?

পরের সংবাদ

তৌহিদুল হক, সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক

প্রযুক্তিতে পরাজিত করতে হবে জঙ্গিদের

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ , ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ , ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ

জঙ্গিরা দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে ধর্মের অপব্যাখ্যা করে সদস্য সংগ্রহ করে থাকে। এরপর হিজরতের নামে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে জঙ্গিরা বেশ কয়েক বছর ধরে সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন পেজে বিভিন্ন উগ্রবাদী পোস্টের মাধ্যমে দাওয়াতি কাজ চলমান রেখেছে। যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় হুমকির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সুতরাং সব জায়গায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি জঙ্গিদের প্রযুক্তিগতভাবেও পরাস্ত করতে হবে- এমন পরামর্শ সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হকের।

ভোরের কাগজের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিনি বলেন, সম্প্রতি কয়েক তরুণের হিজরতের খবরে জঙ্গিদের তৎপরতা নিয়ে নতুন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরানের পরিস্থিতির মধ্যে এ ধরনের হিজরত আতঙ্কের বিষয়। কারণ জঙ্গি সংগঠনগুলো যদি ওই তরুণদের হিজরত করিয়ে থাকে, তাহলে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে সহিংস গ্রুপ গড়ে তুলবে, এটাই স্বাভাবিক। প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হতে পারে দেশের বাইরেও।

পাশাপাশি বাংলাদেশে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ষঢ়যন্ত্র করতে, রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে গায়েল করতে, উগ্র মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করার জন্য জঙ্গিবাদকে অনেকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এই জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় জঙ্গিদের কার্যক্রম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে, জঙ্গিবাদকে সমূলে বিনাশ করতে ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোয় জোর দিতে হবে। পাশাপাশি জঙ্গিদের বিষয়ে যে কোনো তথ্য যাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মতো কোনো নাম্বারে দেয়া যায়, কিংবা ৯৯৯-এ একটি আলাদা ডেস্ক করে এ ধরনের তথ্য পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া যায় সে উদ্যোগ নিতে হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়