জলবায়ু অভিযোজনের চেয়ে প্রশমনে গুরুত্ব দেয়া উচিত

আগের সংবাদ

শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বাস্তব রূপ নিচ্ছে সোনার বাংলা

পরের সংবাদ

ইরানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহবান

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২ , ৯:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২ , ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

ইসলামি বিপ্লবের আগের ইরানের শাসক প্রয়াত শাহের ছেলে মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রস্তুত থাকতে হবে। যেকোনো সময় ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটবে। সে জন্য বিশ্বের প্রস্তুত থাকা দরকার। ইরানের চলমান বিক্ষোভকে নারীদের একটি যুগান্তকারী বিপ্লব।

আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এটা সত্যিকারের আধুনিক সময়, যেখানে ইরানি পুরুষ, ছেলে, বাবা ও ভাইদের সমর্থন নিয়ে নারীদের জন্য নারীরা প্রথম বিপ্লব করেছেন। নারীরা হিজাব পরতে পারেন, আবার না-ও পরতে পারেন। তবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের স্বাধীনতা থাকতে হবে। মতাদর্শিক বা ধর্মীয় কারণে এ সিদ্ধান্ত নারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘পুরুষ শ্রেষ্ঠ’- এমন চিন্তাধারা থেকে ইরানি সমাজ অনেকখানি সরে এসেছে। এ সমাজে নারীদের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে শ্রদ্ধা করা প্রয়োজন।

ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেও বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রেজা পাহলভি বলেন, ভবিষ্যতে ইরানে ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য বড় ধরনের প্রস্তুত থাকতে হবে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভি ক্ষমতাচ্যুত হন। তিনি ছিলেন ইরানের শেষ শাহ। তার বড় ছেলে রেজা পাহলভি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন।

রেজা পাহলভির দাদা রেজা শাহ ১৯৩৬ সালে ইরানে সব ধরনের পর্দার বিধান নিষিদ্ধ করেছিলেন। তার ছেলে মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভি হিজাব পরাকে যার যার পছন্দের বিষয়- এই নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাকে উৎখাত করেই ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দেশটির জনপরিসরে নারীদের পর্দা করার বিধি বলবৎ করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানে ‘নীতি পুলিশের’ হেফাজতে ২২ বছর বয়সী কুর্দি তরুণী মাহশা আমিনির মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকে দেশটির রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে।

‘যথাযথ নিয়ম’ মেনে হিজাব না পরার অভিযোগে ১৩ সেপ্টেম্বর মাহশাকে তেহরানে আটক করেছিল ‘নীতি পুলিশ’। আটকের পর পুলিশি হেফাজতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এমকে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়