এ মাটির বিজয়াদের অভিবাদন

আগের সংবাদ

ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার ঢাকায়

পরের সংবাদ

এমন তৎপরতা সর্বত্র দেখতে চাই

রণেশ মৈত্র

রাজনীতিক ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২ , ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২ , ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত দৈনিক ‘সমকাল’র ১৫তম পৃষ্ঠায় দুই কলামব্যাপী ‘বোরকা ও ধর্ম নিয়ে কটূক্তি, শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত’ শীর্ষক খবরটি দেখে একদিকে মানসিক তুষ্টি, অপরদিকে বিরাজমান ধর্মীয় বৈষম্যের কথা নতুন করে মনে নানা প্রশ্নের উদয় ঘটাল। সর্বাপেক্ষা সংশ্লিষ্ট খবরটি পড়ে দেখা যাক। এতে বলা হয়েছে- পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে শ্রেণিকক্ষে বোরকা পরা ও ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করায় এক শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। উপজেলার কুমারকাঠি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কাকলি রানী মিস্ত্রীর বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি। এ তথ্য নিশ্চিত করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুনীল বরণ হালদার জানান, অভিযুক্ত শিক্ষিকা দোষ স্বীকার করায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ম্যানেজিং কমিটির সভায় তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঘটনার পর গা ঢাকা দেন শিক্ষিকা কাকলি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। জানা গেছে, বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির ‘সামাজিক সমস্যা ও প্রতিকার’ বিষয়ে পড়ানোর সময় মুসলিম মেয়েদের বোরকা পরা এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেন কাকলি রানী। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বাড়িতে গিয়ে জানালে অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলে রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হক, ইউএনও মোশারফ হোসেন, পৌর মেয়র গোলাম কবির, ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর সঙ্গে বৈঠক হয়। এ সময় তদন্ত করে এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে। তবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না ওই শিক্ষিকা। ওসি আবির বলেন, ‘কারো ধর্ম নিয়ে কটূক্তি বা সমালোচনা করা উচিত নয়। ধর্ম নিয়ে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। যারা এসব করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্ট করবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
যা জানলাম ওই খবরে, তাতে সমাজপতি, ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবকরা, প্রশাসন, পুলিশ কর্মকর্তাসহ সবাইকে অভিনন্দন জানাই অকুণ্ঠচিত্তে। ঘটনাটি ঘটার পর পরিস্থিতির অবলুপ্তি ঘটার আশঙ্কায় তারা সবাই সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে সমাজে শান্তি নিশ্চিত করেছেন। এমনটিই হওয়া উচিত সব ক্ষেত্রেই। তবে উদ্বেগের পরিপূর্ণ উপশম হলো না। কারণ অভিযুক্ত শিক্ষিকা কাকলি রানীর কোনো খোঁজ নেই, তার টেলিফোনও বন্ধ। হতে পারে তিনি নিজেই উপলব্ধি করেছেন, পরিস্থিতি এমন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যে, সমাজের মুরব্বি, রাজনৈতিক নেতারা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও হয়তো তার নিরাপত্তা বিধান করতে সক্ষম হবেন না। তাই তিনি নিজ জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো অজ্ঞাত স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার এমনটিও হতে পারে, তিনি টেলিফোনে এবং অন্যান্যভাবে নানা মহল থেকে হুমকি পাচ্ছিলেন, যার জন্যে তাকে আত্মগোপনে যেতে হয়েছে। তবে নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছে না, যতক্ষণ না শিক্ষিকা নিজে বেরিয়ে এসে সমাজের সামনে তার মুখ খোলেন।
আশা করেছিলাম, খবরটিতে শিক্ষিকা কাকলি রানীর স্বামী বা তার মা, বাবা, ভাই-বোন- এ জাতীয় কারো বক্তব্যও তুলে ধরা হবে। তা না পেয়ে খবরটা কিছুটা অসম্পূর্ণই থেকে গেল। আশা করব, সমাজ ওই শিক্ষিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, করবে পুলিশও। কারণ স্কুলের অভ্যন্তরে সংঘটিত অপরাধ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটি বিবেচনায় নিয়ে তড়িত ব্যবস্থা নিয়েছেন, যা দৃশ্যত এলাকার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসন এবং পুলিশেরও সমর্থন ও অনুমোদন পেয়েছে। যে সমাজ বিচারাধীন অভিযুক্তের নিরাপত্তা বিধান করতে, তার প্রতি সহনশীলতা দেখাতে পারে- সে সমাজ উন্নত মানসিকতার এবং গণতান্ত্রিক চেতনার অধিকারী। আবার যে সমাজ অভিযুক্তের নিরাপত্তা বিধানে এবং তার প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শনে অক্ষম, সে সমাজে উগ্র ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদ সহজেই ঠাঁই করে নেয়। কোনো সুস্থ সমাজ নিশ্চয়ই তেমন পরিস্থিতির উদ্ভব কামনা করেন না। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট স্কুল, শিক্ষিকা, তার ছাত্রী, অভিভাবকমণ্ডলী, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষকমণ্ডলীসহ সবাইকে একটি বিষয়ে অনুধাবন করতে আবেদন জানাই। শিক্ষিকা কাকলি বোরকা ও ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর কথা শ্রেণিকক্ষে বলেছেন এবং প্রধান শিক্ষকের মতে, তিনি তা স্বীকারও করেছেন। কিন্তু ঘটনাবলি কি স্বাভাবিক পরিবেশে ঘটেছে? একজন শিক্ষিত, সচেতন শিক্ষক কি ওই জাতীয় কিছু তার শিক্ষার্থীদের সামনে বলতে পারেন? বোরকা নিয়ে নানা মত মেয়েদের মধ্যে, অভিভাবকদের মধ্যে থাকলেও ইসলাম বা অন্য কোনো ধর্ম নিয়ে তো কোনো মতভেদ অন্তত প্রকাশ্যে দেখা যায় না। তাই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, কাকলি রানী আসলে কী বলেছিলেন। তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হননি তো, স্বীকারোক্তি না দিলে বিপদ ঘটত- এমনটা আশঙ্কা করেই স্বীকারোক্তি দেননি তো? অন্তত স্বীকারোক্তি দেয়ার পরিণতিতে স্কুল থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পরও কোথাও পালিয়ে যাওয়া এবং ফোন বন্ধ করে রাখাতে তেমনটাই আশঙ্কা হয়।
এবার আসা যাক ছাত্রছাত্রীদের প্রসঙ্গে। কী রোগ, কেনই বা পেয়ে ধরল তাদের? শুধু কামারকাঠি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নয়, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকার অদূরে সাভার, উত্তরবঙ্গে রাজশাহী এবং আরো কতিপয় স্থানে এই ২০২২ সালেই দেখলাম শিক্ষার্থীরা গিয়ে অভিভাবকদের কাছে শিক্ষক-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে (প্রধান শিক্ষকের কাছে নয়) এবং অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, শিক্ষক-শিক্ষিকার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার সৃষ্টি হয়। অভিভাবকরা কি ধৈর্যের সঙ্গে বিষয়টা প্রধান শিক্ষককে জানিয়ে শান্ত থাকতে পারেন না? তারা কেন উগ্র ধর্মান্ধতার বশবর্তী হবেন? উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ওসি, ইউপি চেয়ারম্যানসহ সবাই যে তৎপরতা দেখিয়েছেন সবাইকে নিয়ে বৈঠক করে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখেছেন বা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছেন তার জন্যে নিশ্চিতভাবেই তারা ধন্যবাদার্হ।
এখন ওই সমাজপতি এবং প্রশাসনিক কর্তা-ব্যক্তিদের বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করতে চাই, যদি এমনটি না ঘটে বিপরীতটি ঘটত অর্থাৎ যদি এই দুর্গাপূজার কাছাকাছি সময়ে কেউ প্রতিমা ভাঙত, মন্দিরে আগুন দিত- পুরোহিতকে ভয়ভীতি দেখাত, যা হামেশাই দেশের নানা স্থানে ঘটে চলেছে- তখন কি তারা অনুরূপ তৎপরতা দেখাতেন? যদি মাইকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে কেউ উত্তেজনাকর প্রচার করত, তবে তাতে যেন উত্তেজনা সমাজে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে কি দ্রুততার সঙ্গে পাল্টা মাইকিং করে বা সমাবেশ বা বৈঠক ডেকে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিতেন? অভিজ্ঞতা নির্মম। বহু এ জাতীয় ঘটনা ঘটেছে, কোথাও তা প্রশমনের সামাজিক/প্রশাসনিক উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এর পরিণতিতে হিন্দুদের যতটা ক্ষতি হচ্ছে তার চাইতে অনেক বেশি ক্ষতি হচ্ছে- আমাদের দেশে উত্থান ঘটছে উগ্র সাম্প্রদায়িক একাধিক জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘…জঙ্গি উত্থানের শঙ্কা’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে বলা হয়- ‘মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দারা জানান, র‌্যাব-পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতায় দেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক পুরাপুরি ভেঙে পড়লেও এ গোষ্ঠীর বেশ কিছু নেতা এখনো দেশ-বিদেশে ঘাপটি মেরে আছে। তারা নিজেদের সংগঠিত করতে নানা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। ক্লোজড গ্রুপের মাধ্যমে অত্যন্ত গোপনে তরুণদের মগজ ধোলাই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে। তাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু তরুণ জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে বাড়ি ছেড়েছে। তাদের একাধিক জন এরই মধ্যে গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, জঙ্গিরা সংঘবদ্ধ না হয়ে এককভাবে বিচ্ছিন্ন বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘জঙ্গিরা সব সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি তীক্ষè নজর রাখেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা যখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা বা বিশেষ কোনো বিষয়ে ব্যস্ত থাকেন, তখন জঙ্গিদের প্রতি নজরদারি স্বভাবতই কমে যায়। জঙ্গিরা ওই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। তবে এবার জঙ্গিরা যাতে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংকটের সুযোগ না নিতে পারে সেজন্য আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে এন্টি টেররিজম ইউনিট ও কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম প্রস্তুত রয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো পুলিশ বাহিনী নিয়োজিত হলেও পুলিশের ওই দুটি ইউনিট এর বাইরে থাকবে। তারা জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় থাকবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জঙ্গিরা কোনো হামলা চালানোর আগে বাড়ি থেকে ‘হিজরত’ করে। হোলি আর্টিজান হামলার আগেও তারা তা করেছিল। এখন আবার হিজরত করা শুরু হয়েছে। এরা আনসার আল ইসলামের সদস্য। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হিজরতের ঘটনা ঘটলেও সব তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আসছে না। তবে সম্প্রতি কুমিল্লা থেকে একসঙ্গে সাত এবং সিলেট থেকে কাছাকাছি সময়ে ৯ তরুণের নিখোঁজের পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা নড়েচড়ে বসেছেন। নিখোঁজদের অনেকেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
সূত্রমতে, চলতি বছরের শুরুতে সিলেট থেকে যে ৯ জন তরুণ নিখোঁজ হয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম লিডিং ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রিপল-ই বিভাগের ছাত্র শেখ মোহাম্মদ মামুন (২০)। তাকে উদ্ধারের জন্য পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করলেও এখনো তার কোনো হদিস মেলেনি। মামুনের সঙ্গে একই দিনে ঘর ছেড়েছিল সিলেটের আরো তিন তরুণ। গোয়েন্দারা এদের সম্পর্কে খোঁজখবর, অনুসদ্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে। এভাবে বুঝা যায়, যে রকমেই হোক, জঙ্গিরা নানা কৌশল অবলম্বন করে দেশের নানা স্থানে সংগঠিত হচ্ছে, রিক্রুটিংও চালাচ্ছে। তাই কোনোভাবেই আত্মতুষ্টির অবকাশ নেই। আর এটা সম্ভব হচ্ছে দেশে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক আবহের কারণে মুখ্যত-যদিও আরো অনেক কারণ এর পিছনে বিদ্যমান। কিন্তু সাম্প্রদায়িক আবহই মুখ্য এ কারণে যে, দরিদ্র ও শিক্ষাদীক্ষাহীন তরুণরা জঙ্গিবাদে আকৃষ্ট হচ্ছে বলে যে ধারণা বিদ্যমান ছিল অতীতে, সাম্প্রতিক কুমিল্লা-সিলেটের হিজরতকারী তরুণদের দিকে তাকালে স্পষ্টতই বুঝা যায় ওই ধারণা সঠিক নয়। এই তরুণরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং যথেষ্ট বিত্তশালী পরিবারের সন্তান। তাই ফিরে আসি পিরোজপুরের এবং অপরাপর স্কুলের শিক্ষকদের সম্পর্কে। কঠোরভাবে ছাত্রছাত্রীদের জানানো দরকার, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করতে হলে তা একমাত্র প্রধান শিক্ষকের কাছে করতে হবে, শিক্ষকদের সম্মানহানি হয়- এমন কিছু যেন কোনো ছাত্রছাত্রী বা অভিভাবক না করেন।

রণেশ মৈত্র : রাজনীতিক ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়