স্বপ্না ও সোহাগীর গ্রামে আনন্দের বন্যা

আগের সংবাদ

এবার ছেলেদের ফুটবলকে বদলে দিতে চান কলসিন্দুরের মালা রানি

পরের সংবাদ

সিনেমার সম্প্রীতি যাপন করলেই সিনেমায় আসা উচিত

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ , ১২:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ , ১২:০১ অপরাহ্ণ

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বিউটি সার্কাস’। টেলিভিশন ও ওয়েবে কাজের পর এবার সার্কাসের মতো চ্যালেঞ্জিং বিষয় বড় পর্দায় নিয়ে আসছেন নির্মাতা মাহমুদ দিদার। ‘বিউটি সার্কাস’ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন আর এস সৈকত

সার্কাস বিষয়টি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন ও কষ্টসাধ্য হওয়া সত্ত্বেও এটি নিয়েই সিনেমা বানানোর ইচ্ছা কেন হলো?
যখন টেলিভিশনের জন্য কাজ করতাম তখন থেকেই আমার বড় আয়োজনের গল্প পছন্দ। আমাদের সংস্কৃতির অংশ, সিনেমার সঙ্গে যায় এ রকম বড় চ্যালেঞ্জিং একটা প্লট খুঁজছিলাম, এক্ষেত্রে সার্কাসের চেয়ে বিশেষ আর কিছুই হতে পারে না। সেই বাস্তবতা ও ভাবনা থেকেই প্লট পছন্দ করা এবং বিষয়টি নিয়ে একটা চ্যালেঞ্জিং ও চিলিং মুভি হতে পারে সে ভাবনা থেকেই সার্কাস বিষয়টি বেছে নেয়া।

শুটিং চলাকালীন গ্রামবাসীদের সহযোগিতা কেমন পেয়েছিলেন?
আমরা শুরু থেকেই নওগাঁর জনগণের কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। হাজার হাজার জনগণ আমাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে। তারা খুবই শান্তিপ্রিয়, আমরা খুবই ভাগ্যবান যে আমাদের সিনেমায় তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পেয়েছি।

অভিনেতা হুমায়ুন সাধুর শেষ কাজ ‘বিউটি সার্কাস’। কেমন ছিল তার সঙ্গে কাজের সময়গুলো?
সাধু আমার দার্শনিক অংশীদার ছিল। আমরা একই অঞ্চলের মানুষ, চট্টগ্রামের। আমাদের ভাবনা ও ভাষার জায়গাটা একই রকম হওয়ায় আমাদের একটা আত্মিক সম্পর্ক ছিল। অভিনয় করতে এসে সে একজন চূড়ান্ত অভিনেতার মতো অভিনয় করে গেছে। সাধুকে আমরা মিস করব, তার স্মৃতি ‘বিউটি সার্কাস’ টিমে সবসময় অম্লান থাকবে।

অর্থের অভাবে ‘বিউটি সার্কাস’র শুটিং বন্ধ ছিল। শিল্পের চলার পথে এ রকম বাধা ও এর থেকে কীভাবে উত্তরণ ঘটতে পারে বলে মনে করেন?
এক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা থাকাটা জরুরি। সরকার বলতে আমি প্রশাসনিক জটিলতাকে বুঝাই। কোনো সার্কাস করতে গেলে প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়া যায় না। একটা দল এক জায়গায় দিনের পর দিন খেয়ে না খেয়ে সার্কাস করছে। তাদের কাজের অনুমতি দেয়া হয় না। বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি, রাজনৈতিক অফিসের অনুমতি নিতে হয়, যা ভয়ংকর একটি বিষয়। যারা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাদের অনুগত হয়ে কাজ করাটা বেশ কঠিন। তাই এক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই সার্কাস শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে আর আমার ইচ্ছা ছিল এই সম্প্রদায়কে একটু কালারফুলি দেখানো, তাদের দুঃখের কথা তুলে ধরা। আর কোনো কিছু হলেই যেমন সমাজ রাষ্ট্র সিনেমার বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে দাঁড়িয়ে যায় এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, খেলা কখনো নিষিদ্ধ হবে না কিন্তু সিনেমার একটা সংলাপে নিষেধাজ্ঞা পড়ে কেননা এর প্রভাব এত শক্তিশালী! সিনেমার এ ভাষা উপেক্ষা করা আমাদের জাতির ও সংস্কৃতির জন্য হানিকর।

সিনেমাটি নিয়ে কোনো আক্ষেপ আছে?
হ্যাঁ আছে, কারণ সিনেমার জন্য মানুষের অসহযোগিতামূলক আচরণ। আর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সিনেমাটা অনেক বেশি বোঝা উচিত, কারণ সিনেমাটা না বুঝেই তারা জড়িয়ে যায়। তাদের সিনেমা, নির্মাতা, গল্প, প্রভাব সম্পর্কে বোঝা উচিত। তাই সবাইকে অনুরোধ করব, কেবল সিনেমার সম্প্রীতির মধ্যে যাপন করলেই সিনেমায় আসুক।

প্রচারণার জন্য কী কী করলেন আর করছেন?
এর মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চলেছে। আজ বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকব, সঙ্গে ‘চিরকুট’ ব্যান্ডের সুমি আপাসহ অন্য কলাকুশলীরা থাকবেন।

পরবর্তী কোনো কাজ কি আসছে?
আগামী মাসেই হয়তো, আমি সেটা অফিসিয়ালি জানাব।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়