বাংলাদেশের মানুষ জঙ্গিবাদের যুগে যেতে চায় না

আগের সংবাদ

করোনা সংক্রমণ বাড়ছে : স্বাস্থ্যবিধি মেনে সতর্ক থাকুন

পরের সংবাদ

বিশ্ব খাদ্য সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ এবং আমাদের সজাগ দৃষ্টি

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ , ১:১৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ , ১:১৫ পূর্বাহ্ণ

গত ১৪ সেপ্টেম্বর গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। ৪ দিনের ভারত সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে নানা বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিরাজমান অস্থিরতার ফলে তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা আগামী দিনগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সৃষ্টি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। বিশ্বে এখন ডলার সংকট তীব্রতর হচ্ছে, অনেক দেশ খাদ্য উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানিতে ডলার সংকটে ভুগছে। তাছাড়া পৃথিবীতে এ বছর জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সে কারণে অনেক দেশেই ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আগামী বছর যদি পৃথিবীতে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তাহলেও আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কিছু থাকবে না; কারণ পরিস্থিতি দিন দিন জটিলতর হচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলো প্রদান করেছে, তার ফলে জ¦ালানি সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্যদ্রব্য আমদানি-রপ্তানিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে; অনেক দেশ এখন তীব্র মুদ্রাস্ফীতিতে ধুঁকছে; সে কারণে অর্থনৈতিক স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড অনেকটা স্তিমিত হয়ে আসছে। এর ফলে সামনের দিনগুলোতে অনেক দেশ তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদন করতে পারবে না, আমদানি করারও সুযোগ কমে যাবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই আশঙ্কা অমূলক নয়। তিনি বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে যেসব উত্থান-পতন চলছে, তার সব কিছুরই খোঁজখবর রাখছেন এবং বিশ্ব সমস্যার সংকট সমাধানে বড় বড় দেশগুলোকে এগিয়ে আসার বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমানে জ¦ালানি সংকট, ডলার সংকট, দেশে দেশে মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য উদ্বৃত্ত না থাকা, প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে তার উদ্বেগের কথা খোলামেলা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সংবাদ সম্মেলনের দুই-তিন দিন পরে জানা গেছে, বিশ্বে এই মুহূর্তে ৮০টিরও বেশি দেশে খাদ্য উৎপাদন দারুণভাবে ব্যাহত হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ এখনই প্রয়োজনীয় খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এ মুহূর্তেই আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার কিছু কিছু দেশে অন্তত ৬০ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে। জলবায়ুর বর্তমান উষ্ণতা আরো দীর্ঘায়িত হলে আরো বেশিসংখ্যক দেশের জনগোষ্ঠী আগামী দিনগুলোতে খাদ্য সংকট বা দুর্ভিক্ষে পড়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করা হচ্ছে।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই আশঙ্কাকেই মাত্র ৪-৫ দিন আগেই প্রকাশ করেছেন। ফলে বোঝা যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি আমাদের দেশের মানুষের অন্তত খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক হওয়ার বার্তা দিয়েছেন। তার এ আশঙ্কা কোনো অবস্থাতেই খাটো করে দেখার কোনো কারণ নেই। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও অনেকটা তার এ কথার প্রতিধ্বনি যেখানে করছে সেখানে আমাদের অন্তত নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কৃষি উৎপাদনে এখন আরো জোরালোভাবে কীভাবে কাজ করবে সেটি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় আমাদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সবাইকেই সতর্কতার সঙ্গে এখন থেকেই প্রধানমন্ত্রীর বার্তা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে কাজ করলে আমরা খাদ্য উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ অনেকটাই মোকাবিলা করতে সক্ষম হব।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশে খাদ্য উৎপাদনের এক ইঞ্চি জমিও যেন চাষাবাদের বাইরে না থাকে সে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তার এ আহ্বান অনেকটাই বঙ্গবন্ধুর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দেশের কৃষিজমি চাষবাদের ওপর গুরুত্বারোপ করা নিয়ে যেসব বক্তব্য তখন দিয়েছিলেন সেগুলোরই প্রতিধ্বনির মতো শোনা যাচ্ছে। শুধু জমি চাষের আহ্বানই বঙ্গবন্ধু কিংবা শেখ হাসিনা জানিয়ে ক্ষান্ত থাকেননি, তারা কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ, সহায়ক কৃষিপণ্য এবং ঋণদানের নানামুখী ব্যবস্থা করেছেন। শেখ হাসিনা তার প্রথম মেয়াদে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালে কৃষিকে প্রাধান্য দেয়ার কারণে দেশে তখন খাদ্য উৎপাদন আগের সরকারগুলোর চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে দেশে বড় ধরনের কোনো খাদ্য ঘাটতি ঘটেনি, এমনকি ১৯৯৮ সালে শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যার কারণে অনেক দেশই আশঙ্কা করেছিল, বন্যা-পরবর্তীকালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষে মানুষ মারা যাবে। কিন্তু সে সময় তেমন কিছু ঘটেনি বরং সরকার বন্যার সময় কৃষকদের জন্য বীজের চারা সংরক্ষণ করে রেখেছিল। বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে কম খরচে তা বিতরণ করা হয়েছিল। কৃষকদের নামমাত্র মূল্যে কৃষিঋণ, বিনামূল্যে সার-বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ দিয়ে সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে কৃষি খাতকে চাঙ্গা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। সে কারণে খাদ্য উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছিল একইভাবে বাজারে কৃষিজাত পণ্যসামগ্রী সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় জনজীবনে স্বস্তি নেমে এসেছিল। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনের সয়ন্বয়তার পথে এই প্রথম অনেকটাই সফল হয়। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর দেশে কৃষি অর্থনীতিকে এতটাই প্রাধান্য দিয়েছিলেন, সারের দামে ব্যাপক ভর্তুকি প্রদান, বীজ উৎপাদন, সরবরাহ, নতুন নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন, উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন, গবেষকদের নানা রকমের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে, সরকারি সব সংস্থাকে সার্বক্ষণিক তদারকিতে রেখেছেন। ফলে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান হারে কৃষি উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করতে থাকে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে পরপর বেশ কয়েক বছর বাম্পার ফলন ফলাতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়। এবার বোরো মৌসুমে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। আমাদের যখন জনসংখ্যা সাড়ে ৭ কোটি ছিল, তখন যে ফসল উৎপাদন করতে আমরা সক্ষম হয়েছিলাম তাতে আমাদের জনগণের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব ছিল না; কিন্তু‘ ৫০ বছরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্বিগুণ তথা প্রায় ১৭ কোটিতে উন্নীত হলেও খাদ্য উৎপাদন প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশের মঙ্গাপীড়িত উত্তরাঞ্চল এখন খাদ্য এবং কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে খ্যাতি অর্জন করেছে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রভূত উন্নয়ন ঘটার ফলে এক অঞ্চলের কৃষিজ পণ্য অন্য অঞ্চলে দ্রুত পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদনের প্রতি কৃষকের আগ্রহ আগের চেয়ে অনেক গুণ বেড়েছে। নানা ধরনের ফলমুল, শাকসবজি, খাদ্যশস্য উৎপাদনেও বাংলাদেশ এখন দ্রুত বর্ধনশীল হয়ে উঠেছে। সিলেটসহ বিভিন্ন হাওর অঞ্চলে চাষাবাদ এবং কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ধান কাটা, সংগ্রহ আগের চেয়ে সহজতর হয়েছে। কৃষক ব্যাপকভাবে ধান উৎপাদনে উৎসাহী হয়ে উঠছে। তাছাড়া গত কয়েক বছরে দেশে খাদ্যশস্য উৎপাদনে যান্ত্রিক সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি প্রণোদনা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে কৃষি খাতে আধুনিক খামারের বিস্তার ঘটছে। এসবই বিগত কয়েক বছরে শেখ হাসিনা সরকারের কৃষি প্রণোদনার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ফলে আমাদের কৃষি অর্থনীতি গ্রামীণ সমাজ জীবনকে অনেকটাই পরিবর্তিত করে দিয়েছে। ফলে এখন আর আগের মতো খাদ্যের অভাব বা দারিদ্র্য গ্রামে দেখা যায় না। এটি আমাদের জন্য স্বস্তির বিষয়। গত দু’বছর করোনা অতিমারিকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদনে কোনো সংকট তৈরি হয়নি। সে কারণে দেশে খাদ্যের অভাব তেমন ঘটেনি, তবে দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ আমাদের আবাদি ফসলি জমির ওপর পড়তে শুরু করেছে। ব্যাপকসংখ্যক মানুষ গ্রামাঞ্চলে আর্থিক সচ্ছলতার কারণে নতুন নতুন বাড়িঘর, রাস্তাঘাট নির্মাণ করছে, এতে আবাদি জমির পরিমাণ কমে আসছে; এটি নিয়ন্ত্রণও করা যাচ্ছে না। কিন্তু আবাদি জমিতে নতুন নতুন বাড়িঘর নির্মাণ, শহর-উপশহরের বিস্তার; নানা ধরনের ছোট, মাঝারি শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা স্থাপন দেশের জমির সংকট বাড়িয়ে দিতে পারে। সে কারণে এখনই সরকারকে আবাদি জমির ব্যবহারে জনগণকে আরো বেশি সচেতন ও মিতব্যয়িতায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এছাড়া জমি যথাযথ ব্যবহারে আইন সংস্কারও জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বছর যে ধরনের জলবায়ুর প্রভাব পড়েছে, তাতে অনেক জায়গাতেই ফসল ঠিকমতো ফলানো সম্ভব হচ্ছে না; পানির অভাবে কৃষকদের জমি চাষবাদেও এবার বেশ সংকটে পড়তে হয়েছে। বৃষ্টির অভাব এবং বিলম্বে বর্ষার কারণে এবার ফসল কতটা ভালো হবে তা আগামী কয়েক মাস পরে বোঝা যাবে। এরপরই আমাদের আমন ফলন ভালো হলে এবারের সিলেট অঞ্চলের বন্যা এবং বর্ষাহীনতার কারণে ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা কতটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে সেটি কিছুদিন পরে বোঝা যাবে। এরপর বোরো ফসলের আগে পানির অবস্থা কেমন থাকে, সেটার ওপর নির্ভর করবে রবিশস্য এবং বোরো ধান ফলানো। সুতরাং কৃষি মন্ত্রণালয়ের জরুরি কাজ হবে অধীনস্থ সব সরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে আগামী দিনের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিধানের পরিকল্পনা প্রণয়ন, কার্যকর করা এবং দেশকে খাদ্য ও কৃষিজ পণ্যসামগ্রী উৎপাদনে সক্ষম করে তোলা। দেশে বিভিন্ন ধরনের মজুতদার সংস্থা গড়ে উঠেছে, যারা অতি লাভের আশায় ধান, চাল, গম, ভুট্টাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী মজুত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রবণতা রোধ করার জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে কার্যকর উদ্যোগ নিতেই হবে। আগামী বছরটি যেন খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ, বিতরণ এবং বাজার ব্যবস্থায় কোনোভাবেই অসাধু ব্যবসায়ী মজুতদার এবং কালোবাজারিরা আইনবিরোধী কর্তৃত্ব করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি এখনই দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দূরদৃষ্টি ও নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের কৃষিতে যে অগ্রগতি সাধন করেছেন সেটির সুফল আমরা ভোগ করছি। তবে বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় যে সতর্কতার বার্তা দিয়েছেন সেটিকেও আমাদের উপলব্ধি করতে হবে। বিশ্বে খাদ্যের যে সংকট সৃষ্টির আভাস তিনি দিয়েছেন সেটি ঘটলে আমাদের আমদানির সুযোগ তেমন থাকবে না। সে কারণেই চরম বৈরী আন্তর্জাতিক ও জলবায়ুর এই পরিস্থিতিতে খাদ্য উৎপাদনে আমাদের সক্ষমতা ধরে রাখতেই হবে। তাহলে অন্য সংকটগুলো আমাদের ততটা পিছিয়ে দিতে পারবে না; এই বাস্তবতা এখন আমাদের সবাইকে অনুধাবন করতেই হবে।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়