১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক

আগের সংবাদ

১৮ গুণী ২ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে শিল্পকলা পদক

পরের সংবাদ

প্রশাসনিক জটিলতা বন্ধে এবার আমরণ অনশনে ঢাবি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ , ৫:৫৭ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ , ৫:৫৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) প্রশাসনিক জটিলতায় সৃষ্ট নানা হয়রানি বন্ধে দুই দফা অবস্থান কর্মসূচির পরেও আট দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবার আমরণ অনশন শুরু করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দাবি পূরণের কোনো আশ্বাস না পেয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে হাসনাত বলেন, সোমবার গণস্বাক্ষরের প্রাপ্ত কাগজ, পূর্বে পরিচালিত জরিপ এবং সবার অভিযোগ নিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ভিসি স্যারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্যার আমাদের যৌক্তিক আট দফা দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো কথাই বলেননি। ভিসি স্যার আমার সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করেছেন। আমি স্যারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, স্যার আমি বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের কী বলব? তিনি (ভিসি) বলেছেন, ‌আমি নাকি মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছি এবং যা ইচ্ছে তা করছি।

হাসনাত আরো বলেন, ভিসি স্যারের অসহযোগিতামূলক আচরণের প্রতিবাদে ও আট দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমি অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করছি। এতে সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক বন্ধুদের সহযোগিতা কামনা করছি।

হাসনাতের এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী। তারা বলছেন, প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত বন্ধ হোক নাহলে আন্দোলন আরো জোরদার করা হবে।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে আট দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন তিনি। সেসময় তিনি উপাচার্যকে স্বারকলিপি এবং দাবি পূরণে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। পরে দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। মঙ্গলবার উপাচার্যের কাছ থেকে আশ্বাস না পেয়ে আমরণ অনশনের সীদ্ধান্ত নেন হাসনাত।

এর আগে একই দাবিতে গত ৩০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে সংবাদ সম্মেলনও করেন তিনি। তার আটটি দফা হলো-

  • শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন করা
  • প্রশাসনিক সকল কার্যক্রম অনতিবিলম্বে ডিজিটাইজড করা
  • নিরাপত্তা ও হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্র তদন্তের স্বার্থে অফিস সমূহের অভ্যন্তরে প্রতিটি রুমে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা
  • প্রশাসনিক ভবনে অফিস সমূহের প্রবেশদ্বারে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন করা
  • কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করা
  • কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক সাচিবিক বিদ্যা, পেশাদারিত্ব, মানুষিক ও আচরণগত প্রশিক্ষণ আইন করে বাধ্যতমূলক করা
  • প্রশাসনিক ভবনের অভ্যন্তরে অবস্থিত কর্মচারী ইউনিয়ন অফিস বাধ্যতামূলকভাবে তাদের ক্লাবসমূহে স্থানান্তর নিশ্চিত করা এবং
  • কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন প্রচারণা পরিবেশবান্ধব করা।

এনজে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়