রক্তাক্ত ইতিহাসের সাক্ষ্য দেবেন জয়া

আগের সংবাদ

বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুদের মানসিক রোগ, সমাধান কী

পরের সংবাদ

আটলান্টিক মহাসাগরে ঝড়ের কবলে মিথিলা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২ , ১১:০৩ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২ , ১১:০৪ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি আটলান্টিক মহাসাগরে ঝড়ের কবলে পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কর্মশালা শেষে গত শুক্রবার রাতেই সিয়েরা লিওন থেকে কলকাতায় যাওয়ার ফ্লাইট ছিল। সেদিন বিকেলবেলা থেকেই প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি। সিয়েরা লিওনের রাজধানী, ফ্রি টাউন, আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে। এবং সিয়েরা লিওনের এয়ারপোর্টটা ফ্রি টাউন থেকে দূরে একটা বিচ্ছিন্ন জায়গায় অবস্থিত, যার নাম ‘লুংগি’। ফ্রি টাউন থেকে এক ঘণ্টা একটা ছোট ফেরিতে আটলান্টিক পার হয়ে ‘লুংগি’ এয়ারপোর্টে যেতে হয়। আটলান্টিকে সেদিন ঝড়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।

গণমাধ্যমে মিথিলা আরও বলেন, ঝড় বৃষ্টির কারণে একটু বেশিই চিন্তিত ছিলাম। আমার ফেরির টাইম ছিল রাত দুইটায়। এই ঝড়ের মধ্যেই আটলান্টিক পাড়ি দিতে হয়েছে। ঝড়টা হয়তো বড় ছিল না। কিন্তু আমাদের ফেরির যে সাইজ, তাতে করে সেটা নিয়ে আমার ভয় হয়েছে প্রচুর।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, গন্তব্যে পৌঁছে ফেরি থেকে নেমে টার্মিনাল পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যে দৌড়ে যেতে যেতেই ভেজা কাক হয়ে গেলাম। তারপর একটা বাসে চড়ে লুংগি এয়ারপোর্টে পৌঁছাতে বাজলো ভোর ৪টা।’ পরে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি। মিথিলা আরও বলেন, ‘এ গল্পটা শেয়ার করেছি শুধু তাদের জন্য যারা শুধু সুন্দর ছবিগুলোই দেখে, তার পেছনের কঠিন সময়ের গল্পগুলো জানেন না। এই যে, গত তিন সপ্তাহ ধরে মেয়েকে বাড়িতে রেখে হাজার হাজার মাইল বিভিন্ন দেশে, শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে জার্নি করে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করা, সেটা নিতান্তই জীবিকার তাগিদে; আমোদ ফুর্তির জন্য নয়। সবসময় সুন্দর ছবি আর ভালো কথাগুলো শেয়ার করি, কারণ আমি যা কিছু ভালো, আর পজিটিভ সেটাই ভাগ করে নিতে চাই। একজন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মী হিসাবে আমার কাজ নিয়ে ভীষণ গর্ববোধ করি আমি। তাই পেছনের কঠিন সময়গুলোকেও অভিজ্ঞতা হিসেবেই দেখি।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়