প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল

আগের সংবাদ

‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’

পরের সংবাদ

সাড়ে ১০ লাখ টন চাল ও গম কিনবে সরকার

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ , ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ , ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ

সরকারিভাবে চারটি দেশ থেকে ১০ লাখ ৩০ হাজার টন চাল ও গম কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেছেন, সরকারিভাবে ভিয়েতনাম থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টন চাল, মিয়ানমার থেকে ২ লাখ টন চাল এবং ভারত থেকে ১ লাখ টন চাল কেনা হচ্ছে। এছাড়াও রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টন গম কেনা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে বোরো সংগ্রহ অভিযান ও চলমান খাদ্যবান্ধব এবং খোলাবাজারে (ওএমএস) চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রমসহ সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। ইতোমধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক থাকায় ৪৭ হাজার টনের মতো চাল এসেছে। শুল্ক আরো ১০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছি। আমরা আশা করি, চাল আরো আসবে। চাল আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা চাল আনতে পারবেন তারা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

ওএমএস, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করার কারণে দেশের বাজারে এখন চালের দাম নিম্নমুখী উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারিভাবে ভিয়েতনাম থেকে ২ লাখ টন সিদ্ধ ও ৩০ হাজার টন আতপ মিলে মোট ২ লাখ ৩০ হাজার টন চাল আনা হচ্ছে। ১ লাখ টন ভারত থেকে চাল কেনা হবে। রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টন গম আনার জন্য এরই মধ্যে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন নেয়া হয়েছে। এরপর চুক্তি হয়েছে। আজকালের মধ্যে হয়তো এলসিও হয়ে যাবে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে আরো ২ লাখ টন চাল আনার প্রস্তাব আগামীকাল বুধবার (আজ) ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে যাচ্ছে। ভিয়েতনাম থেকে আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি টন সিদ্ধ চাল ৫২১ ডলার ও আতপ চাল ৪৯৪ ডলার করে পড়বে। প্রতি টন চাল ভারত থেকে ৪৪৩.৫ ডলার ব্যয়ে আনা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আমরা সরকারিভাবে চাল আরো কিনব। কারণ এবার প্রকৃতির অবস্থা খারাপ। আমনের ফলন কম হতে পারে। খরা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হলো এটা। আমরা থাইল্যান্ডের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। তারা সেভাবে সাড়া দেয়নি। আগে চুক্তির পরও চাল নেয়া হয়নি বলে থাইল্যান্ডের সঙ্গে মতবিরোধ আছে। তারপরও তারা এগিয়ে এসেছে। আমরা থাইল্যান্ড থেকে চাল নেয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মানের কারণে ভিয়েতনামের চালের দাম একটু বেশিই থাকে। দেশের মানুষকে স্বস্তি দিতে যেখান থেকে পারব চাল আনতে হবে। টাকার দিকে তাকিয়ে তো লাভ নেই।

বর্তমানে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত সর্বোচ্চ জানিয়ে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আপনারা দেখেছেন বাজার দর নিম্নমুখী, চালের দাম কমেছে। মিল গেট থেকে শুরু করে পাইকারি বাজার ও খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়