সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিনিধি সভা

আগের সংবাদ

শরীর নিয়ে আতঙ্কের স্মৃতিচারণ অমিতাভের

পরের সংবাদ

গাজীপুরে সালনা রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট উদ্বোধন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

পর্যটন বর্ষ উপলক্ষে নয় কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সালনা রিসোর্ট অ্যান্ড পিকনিক স্পট উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রিসোর্টটি উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আলি কদরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিমান পবিহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুকেশ কুমার সরকার, মো. ওলিউল্লাহ, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির মো. জাবের ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমানসহ প্রমুখ।


সোমবার বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সালনা রিসোর্ট অ্যান্ড পিকনিক স্পট উদ্বোধনে বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। ছবি: ভোরের কাগজ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, পর্যটন সম্পর্কে যেকোনো কথা বলতে গেলেই এই খাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান সামনে আসবে। তিনি বাংলাদেশকে প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, পর্যটনকে নিয়ে আগে সেইভাবে চিন্তা করা হয়নি, আজকে যেভাবে চিন্তা করা হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে কেউ পিছিয়ে থাকতে চায় না। সবাই এগিয়ে যাচ্ছে পর্যটনে। তাহলে আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো? আমরা এগিয়ে যেতে চাই। সেজন্য দরকার আমাদের পর্যটনকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা। দেশি-বিদেশি থেকে শুরু করে বেসরকারি খাতের সবাইকে পর্যটনের বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে।

মাহবুব আলী বলেন, বেসরকারি খাতই সব দেশের পর্যটনকে এগিয়ে নিয়েছে। সরকার শুধু নীতিগত সাপোর্ট দেয়। আমরা আমাদের অংশীজনদের সকল প্রকার নীতিগত সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত। আগামী ডিসেম্বর মাসে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পূর্ণ হলে দেশের পর্যটন শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন হবে। পর্যটন শিল্প বিকশিত হলে দেশের জিডিপিও আরও বাড়বে।

মোকাম্মেল হোসেন বলেন, শিল্পের বিকাশে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। পর্যটন একটি ব্যাপক সম্ভাবনাময় শিল্প। দেশের পর্যটন এখন এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন সেটি এখন বাস্তবায়ন হচ্ছে।

২০১৯ সালে শুরু হয় রিসোর্টটির নির্মাণ কাজ। চলতি বছরের জুন মাসে শেষ হয় এটির নির্মাণ কাজ। তিন দশমিক ১২ একর ভূমির ওপর ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে সালনায় রিসোর্টটি তৈরি করা হয়েছে।

রিসোর্টে ছয়টি আধুনিক কটেজ রয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রতিটি কটেজে দুটি বেড রুম , একটি ড্রইং কাম ডাইনিং রুম রয়েছে। আধুনিক স্থাপত্য নকশায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৬০ আসন বিশিষ্ট রেস্তোঁরা, অভ্যর্থনা কাউন্টার , তিনটি স্যুভিনর শপ , একটি কফি কর্ণার রয়েছে। এছাড়া রয়েছে কনফারেন্স হল, গ্রুপ ট্যুরিস্টদের ডে-আউটিংয়ের জন্য দুটি পিকনিক শেড ও একটি কুকিং শেডসহ ২০০-৩০০ লোকের খাবার প্রস্তুতের ব্যবস্থা।

এনজে

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়