আগস্ট ট্র্যাজেডি ও বর্তমান হালচাল

আগের সংবাদ

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ : সাধারণ মানুষ সুফল পাবে তো?

পরের সংবাদ

কৌশল নির্ধারণে বিএনপি পিছিয়ে

বিভুরঞ্জন সরকার

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ , ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ , ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ

দেশ গরম হয়ে উঠছে। শরতের আকাশ নীল ছড়াচ্ছে, কাশবনে সাদার সমারোহ। বৃষ্টির জন্য হাপিত্যেশ করছেন অনেকে। তীব্র রোদ ঝলসে দিচ্ছে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষদের। প্রকৃতির বৈরী আচরণের কথা আমরা জানি। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় প্রকৃতিতে ভারসাম্য থাকছে না। প্রকৃতির রোষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনীতির হাওয়া বদল হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। হঠাৎ করেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের মাধ্যমে সরকারকে উৎখাতের জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।’ অন্যদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই সরকারের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। বিএনপির কর্মসূচিতে জনগণের এমন সম্পৃক্ততা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ক্ষমতাসীনরা সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।’
আসলে অবস্থা কী? বিএনপি কি সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে? সরকার কি সত্যি ভীতসন্ত্রস্ত? এ প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? তবে এই প্রসঙ্গে আমাদের দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনৈতিক ধারা নিয়ে মোটাদাগে কিছু কথা বলা যায়। আমাদের দেশের বড় দুটি দলের মৌলিক পার্থক্য হলো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দুর্বল হয়, আর বিএনপি দুর্বল হয় ক্ষমতার বাইরে থাকলে। বিএনপি হলো ক্ষমতার দল। ক্ষমতায় থেকে সামরিক উর্দি পরেই জিয়াউর রহমান জন্ম দিয়েছেন এই দলটি। ক্ষমতা ছাড়া বিএনপির স্বস্তি লাগে না। অথচ গত প্রায় ১৬ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে আছে দলটি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকেই বিএনপি নানা উপায়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে ক্ষমতায় যাওয়ার। কিন্তু তারা কোনোভাবেই শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজেরা ক্ষমতায় বসতে পারছে না। ক্ষমতায় যাওয়ার বৈধ ও স্বীকৃত দুটি পথের একটি হলো নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন ও আরেকটি হলো প্রবল গণআন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটানো। বিএনপি ঠিক করেছে তারা শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না এবং সরকারের পতন ঘটিয়েই ছাড়বে তারা। আবার আওয়ামী লীগও চাইছে আগামী জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় বসতে। অন্যদিকে নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের পরাজিত করে দেড় দশকের ক্ষমতায় যেতে না পারার বেদনা ঘোচাতে মরিয়া বিএনপিও। আগামী নির্বাচন দলীয় সরকার নাকি নির্দলীয় সরকারের অধীনে হবে- তা নিয়ে দল দুটির মধ্যে বিতর্ক এখন চরমে।
দলীয় সরকারের অধীনেই বরাবরের মতো আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে- এ কথা বারবার বিএনপিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। অন্যদিকে এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিএনপি। দল দুটির এমন মুখোমুখি অবস্থানে জমে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দুই দলের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও তৎপরতাকে নেহাত মাঠ গরমের চেষ্টা বলছেন। দীর্ঘদিন ধরে ছোট ছোট কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছে বিএনপি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তুলে সরকারের পতন ঘটাতে চায় তারা। বর্তমানে জনভোগান্তি নিয়ে রাজধানীসহ দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো। এসব কর্মসূচিতে আগের চেয়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়ছে বলে নেতারা হয়তো বড় আন্দোলনের ব্যাপারে কিছুটা আশাবাদী হয়ে উঠছেন। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী দুঃশাসন অবসানের আলামত ইতোমধ্যেই ফুটে উঠতে শুরু করেছে। এই সরকার আর বেশি দিন ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না। জনগণের বিজয় হবেই।’
কদিন আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দলীয় এক সমাবেশে মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা হরতাল ও অসহযোগ আন্দোলনের মতো কর্মসূচি ঘোষণার দাবি জানান। মির্জা ফখরুল জবাবে বলেছেন, আগে রাজপথ দখল করতে হবে। হরতালের আগে রাস্তা দখল করতে হবে। দখলকারী সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে জনগণের সরকার গঠন করতে হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কার মতো মেগা প্রকল্পে মেগা ঋণ নিয়ে বড় দুর্নীতি করছে। আজকে যে পরিমাণ ডলার লাগে, আগামী দুই বছর পর এর তিনগুণ ডলার লাগবে। এভাবে নতুন প্রজন্মের বড় ক্ষতি করেছে সরকার। আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতি শ্রীলঙ্কার চেয়েও খারাপ অবস্থায় চলে গেছে।’ চলতি বছর এই সরকারের শেষ বছর মন্তব্য করে বিএনপির আরেক নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘এরপরের সরকার হবে বিএনপির সরকার। এরপরের প্রধানমন্ত্রী হবেন বেগম খালেদা জিয়া অথবা তারেক রহমান।’
বিএনপির এসব বক্তব্যে কি সরকার বা আওয়ামী লীগ খুব বিচলিত বোধ করছে বলে মনে হয় না। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি অতীতেও হরতাল ডেকেছিল, তখন দেশব্যাপী যানজট হয়েছে। হরতাল ডেকে তারা বুঝতে পেরেছে তাদের ডাকে কেউ সাড়া দেয় না। আর আগের মতো তারা অবরোধ ডেকে দিনের পর দিন মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার অপচেষ্টা চালালে মানুষই বরং তাদের প্রতিহত করবে।’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘তাদের রাজপথ দখল করার কথা আমরা বহু আগে থেকে শুনে আসছি। আমরা সবাই রাজপথে নামলে কি দাঁড়াবে, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন। আমরা এখনো আমাদের নেতাকর্মীদের সেই আহ্বান জানাইনি। তবে আমি নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানাই বিএনপি দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’ বিএনপির গণআন্দোলন গড়ে তোলা এবং সরকার পতনের হুমকিকে ‘পাগলের প্রলাপ’ বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘যে দল নিজেদের নেত্রীকে মুক্ত করার জন্য আন্দোলন করতে পারে না, তারা নাকি আবার সরকার পতন ঘটাবে- এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়।’ বিএনপির আন্দোলন করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা জেগে জেগে ঘুমাচ্ছেন। বিএনপি নেতারা আন্দোলনের ফানুস উড়িয়ে গভীর শীত নিদ্রায় চলে যাচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘কিছু একটা বলতে হবে তাই এসব হাই সাউন্ডিং শব্দ তারা ব্যবহার করেন। বাস্তবে তাদের সক্ষমতা কতটুকু তা আমরা জানি। আন্দোলনের বস্তুগত পরিস্থিতিও বিরাজমান কিনা সেটাও বিএনপি নেতারা জানেন না। তাই বলব, দলটির নেতারা এখন কুম্ভকর্ণ, তাদের কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ভাঙানো দরকার সবার আগে।’
২০২৩ সালের শেষে অথবা ২০২৪ সালের শুরুতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই হিসাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখনো দেড় বছর বাকি। নির্বাচন দূরে থাকায় সঙ্গত কারণে ভোটগ্রহণের পদ্ধতিসহ কোনো বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকে ঘিরে দল দুটির প্রস্তুতিও রয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের ৬ মাস আগে থেকে সচরাচর রাজনৈতিক দলগুলোর চূড়ান্ত তৎপরতা শুরু হয়। দ্বাদশ নির্বাচন অনুষ্ঠান হতে এখনো অনেক দেরি। কাজেই চূড়ান্ত তৎপরতার সময় এখনো আসেনি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক তৎপরতা মাঠ গরমের চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সম্প্রতি বলেছেন, ‘গণফোরামের একাংশের প্রধান ড. কামাল হোসেনকে ইমাম মেনে বিএনপির সব চিন্তাভাবনা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।’ গত নির্বাচনের আগে ফ্রন্টের জন্য যে রূপরেখা তৈরি করা হয়েছিল তা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে উল্লেখ করে মোশাররফ বলেন, ‘নির্বাচন ঘোষণার পর ড. কামাল হোসেন বললেন তিনি নির্বাচনই করবেন না। আমরা যে রূপরেখা তৈরি করেছিলাম, আমাদের সব ভবিষ্যৎ চিন্তাভাবনা সেদিন সব ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মতো একটি দলকে এই ফ্যাসিবাদ সরকার ৫ না ৬টা আসন দিয়ে বিদায় করে দেয়।’ এই তিক্ত অভিজ্ঞতার পর বিএনপি ছোট ছোট দলগুলোকে নিয়ে আবার যে জোট বা ফ্রন্ট বা মোর্চা গঠনের চেষ্টা করছে, তা যদি সফলও হয় তাহলেও কি বিএনপির জন্য কোনো সুখকর অভিজ্ঞতা হবে? ছোট দলের বড় নেতারা আস্ফালন করে কী অবস্থা তৈরি করবে তা এখনো পরীক্ষিত নয়। ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বে গঠিত নতুন দলকে সম্ভাবনাময় ধরে নিয়ে যে গণতন্ত্র মঞ্চ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে, তা শেষ পর্যন্ত অশ্বডিম্ব প্রসব করে কিনা, সেটাও দেখার বিষয়। নূরের কথা বলার মধ্যে সঙ্গতি-সামঞ্জস্য থাকে না। নূর আসলে কোনো পক্ষের প্রতিনিধি সেটাও কি পরিষ্কার?
আবার সরকারবিরোধী আন্দোলনের আরেক স্তম্ভ নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার ডাকে মানুষ নামে, এটাও দেখা যায়নি। মান্না এর মধ্যে একদিন বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি নিজেদের মতো আলাদা পার্টি। কিন্তু তারা মূল জায়গায় কেউই নেই। তারা শাসনভার পেলে সবকিছু একই রকম করে চালাবে। কিন্তু আমরাও তাদের জনগণের সামনে আলাদা করে দেখাতে পারিনি।’ এতে মাহমুদুর রহমান মান্না আরো বলেন, ‘মানুষ জিজ্ঞাসা করে, আওয়ামী লীগ চেঞ্জ হলে কে আসবে? শুধু আওয়ামী লীগের বদলে বিএনপি আসলে জনগণের লাভ কী?’ মানুষের এই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব না দিয়ে মান্না আবার পরে বলেছেন, ‘আমি বিএনপি করি না, বিএনপি করব এমন কোনো কথাও নাই। কিন্তু বিএনপি ছাড়া এই লড়াই জেতা যাবে তা মনে করি না। এটা বাস্তব সত্য।’ আন্দোলনের জন্য বিএনপিকে দরকার উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমি সমালোচনা করতে পারি, কিন্তু বিএনপি গত ১৩-১৪ বছর লাগাতার সংগ্রাম করছে। যত নেতাকর্মীর নামে মামলা আছে, অতীতে এত নেতাকর্মীর নামে মামলা ছিল না। এই সরকারের চোখে কোনো পর্দা নেই। তারপরও তাদের মধ্যে ভাঙন ধরাতে পারেনি। তারা লড়াই করছে, জীবন দিচ্ছে। সবকিছু মিলেই আমি মনে করি, বিএনপিকে আন্দোলনের জন্য প্রয়োজন। বিএনপি পরাজিত হোক তা আমি চাই না। কারণ আমি মনে করি, বিএনপির পরাজয় মানেই আমার পরাজয়। কিন্তু বিএনপির জয় মানেই যে আমার জয়, এমনও নয়। বিএনপির কথা আমি শুনি, কারণ আমার তাদের দরকার। কিন্তু তাদের কথাই যে আমার কথা এমনটাও নয়।’
এটা স্পষ্ট যে, বিরোধী দলগুলো গোঁজামিল দিয়ে একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ার চেষ্টায় আছে। এতে সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুব উজ্জ্বল নয়। কারণ সরকারও নিশ্চেষ্ট বসে নেই। সরকার আত্মরক্ষার জন্য বিরোধীদের আক্রমণ মোকাবিলা করতেই চাইবে। যে পক্ষ কৌশল নির্ধারণে দূরদর্শিতার প্রমাণ রাখতে পারবে, সে পক্ষেরই জেতার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

বিভুরঞ্জন সরকার : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়