৩টি গোপন নৈশভোজ ও ১টি জাতিকে বিলীনের চক্রান্ত

আগের সংবাদ

৩২ নম্বর সড়কের ৬৭৭ নম্বর বাড়ি : বাঙালির অন্যতম তীর্থস্থান

পরের সংবাদ

বঙ্গবন্ধু হত্যায় দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র

মোহাম্মদ শাহজাহান

মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৫, ২০২২ , ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২২ , ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

মুজিব হত্যা ষড়যন্ত্রে দেশি-বিদেশি চক্রের বিশেষভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি ২ জন বিদেশি সাংবাদিকের লেখা গ্রন্থে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। প্রথমটি হলো মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজের গ্রন্থ ‘বাংলাদেশ : দি আনফিনিসড রেভ্যুলুশন’ (Bangladesh : The Unfinished Revolution) এবং দ্বিতীয়টি হলো মার্কিন সাংবাদিক স্ট্যানলি ওলপার্টের গ্রন্থ ‘জুলফি ভুট্টো অব পাকিস্তান : হিজ লাইফ এন্ড টাইমস’ (Zulfi Bhutto of Pakistan : His life and Times)। লিফশুলজ তার গ্রন্থে বহু তথ্য সমাবেশ করে প্রমাণ করেছেন মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ-এর সঙ্গে মুজিব হত্যাকারীদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। লিফশুলজ লিখেছেন, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে নিয়োজিত অফিসারগণ ১৫ আগস্টের অন্তত ৬ মাস আগে থেকেই জানত মুজিবের সরকারকে উৎখাতের জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত অধ্যাপক উলপার্টের গ্রন্থে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর সঙ্গে বাংলাদেশের মাওপন্থিদের সরাসরি যোগাযোগ এবং মুজিববিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য অর্থ, অস্ত্রশস্ত্র ও বেতারযন্ত্র সরবরাহ সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্য দলিলের কথা উল্লেখ করা হয়। উলপার্ট তার গ্রন্থে লিখেছেন, দু’বছর ধরে ভুট্টো বাংলাদেশের কয়েকটি মুজিববিরোধী দলকে তার গোপন ‘স্বেচ্ছাধীন তহবিল’ থেকে অর্থ সাহায্য অব্যাহত রাখেন। আগস্ট মাস (১৯৭৫) শেষ হওয়ার আগেই তিনি তার বিনিয়োগের ফল লাভ করেন। পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি মার্কিস্ট-লেনিনিস্টের জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল হক ‘গভীর বেদনা ও নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণা’ নিয়ে তার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী ভুট্টোর কাছে ১৯৭৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর লিখিত এক চিঠিতে ‘জনগণের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সম্পর্কচ্যুত মুজিবের পুতুল সরকার’ এর বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ‘অর্থ, অস্ত্র-শস্ত্র এবং বেতারযন্ত্র’ সরবরাহের আবেদন জানান। উক্ত ‘সর্বোচ্চ গোপনীয় ও অত্যন্ত জরুরি’ চিঠিখানা ১৯৭৫-এর ৬ জানুয়ারি ভুট্টোর হাতে পৌঁছায়। ঢাকা থেকে লিখিত আবদুল হকের চিঠিখানি প্রধানমন্ত্রী ভুট্টোর বিশেষ উপদেষ্টা ও মন্ত্রীর মর্যাদাভোগী মাহমুদ আলীর মাধ্যমে পাঠানো হয়। সরকারি নথিভুক্ত করে চিঠিখানা তিনি ভুট্টোর কাছে প্রেরণ করেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ও তার সরকারের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য ড. হেনরি কিসিঞ্জার নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। এমনকি ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের আগেই নবসৃষ্ট দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বাজে মন্তব্য করেন। ১৯৭১-এর ৬ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ সম্পর্কে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতি ড. কিসিঞ্জার আলোচনার এক পর্যায়ে মন্তব্য করেন, নবগঠিত জাতি-রাষ্ট্র বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক ‘বাস্কেট কেইস’ (ভিক্ষুকের দেশ) হতে পারে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করার পর পরাজিত ও ব্যর্থ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কিসিঞ্জার বিজয়ের মহানায়ক শেখ মুজিবকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। বঙ্গবন্ধু মুজিব ছিলেন বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় নেতা। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সরকারের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য কিসিঞ্জার চক্র বাংলাদেশের খাদ্য জাহাজ আটকে দিয়ে এবং নানামুখী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে।
কথায় বলে ‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।’ বঙ্গবন্ধু হত্যা-ষড়যন্ত্রে জড়িতদের নাম আবার উঠে এসেছে মার্কিন অবমুক্ত করা দলিলে। সপরিবারে বাঙালি জাতির জনক হত্যাকাণ্ডে বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণ্য ভূমিকায় ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হেনরি কিসিঞ্জার ও পাকিস্তানের ভুট্টো।
এসব দলিলে দেখা যায়, শেখ মুজিবকে হত্যার ব্যাপারে একেবারে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন কিসিঞ্জার। এমনকি ১৫ আগস্ট ভোর রাতে কুলাঙ্গাররা যখন ৩২ নম্বর বাসভবনে হত্যা অভিযান চালায়- সেই মুহূর্তেও সুদূর আমেরিকা থেকে কিসিঞ্জার খোঁজখবর রাখছিলেন। মোশতাক-জিয়ার লেলিয়ে দেয়া কয়েকজন কুলাঙ্গার বিপথগামী সেনা সদস্য ২টি ইউনিট নিয়ে স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূসহ রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুক্রবার ওয়াশিংটন সময় সকাল ৮টায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার কয়েকজন কর্মকর্তা নিয়ে স্টাফ সভায় বসেন। ঢাকার খবর জানার জন্য উদগ্রীব কিসিঞ্জার বৈঠকের শুরুতেই বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলব।’ নিকট প্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আথারটন সভায় বাংলাদেশের ঘটনাবলী সম্পর্কে বলেন, ‘এটা হচ্ছে সুপরিকল্পিত ও নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করা অভ্যুত্থান।’ কিসিঞ্জার জানতে চান, ‘মুজিবুর কি জীবিত না মৃত?’ আথারটন বলেন, ‘মুজিব মৃত। তার অনেক ঘনিষ্ঠসহ পরিবারের সদস্য, ভাই, ভাগ্নে নিহত হয়েছেন।’ কিসিঞ্জার এই সভায় বসার আগেও ঐদিনের ঘটনাবলী সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার বলেন, ‘আমি ব্যুরো অব ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিসার্চ (আইএনআর) থেকে আরো ভালো খবর পেয়েছি। তিনি ওই কর্মকর্তার সঙ্গে ওয়াশিংটনে আগেই কথা বলেছেন। নরাধম কিসিঞ্জারের ভালো খবর হচ্ছে আমাদের জাতির পিতাকে হত্যার খবর।
ব্যুরো পরিচালক উইলিয়াম জি হিল্যান্ড কিসিঞ্জারকে জানান, ‘আমি যখন আপনার সঙ্গে কথা বলেছি, তখনো তিনি (শেখ মুজিব) নিহত হননি।’ কিসিঞ্জার প্রশ্ন করেন, ‘আচ্ছা? তারা কি কিছু সময় পর তাঁকে হত্যা করেছে?’ এর জবাবে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আথারটন বলেন, ‘আমরা যতদূর জানি- আমি বলতে পারি না যে, আমরা বিস্তারিত সবকিছু জেনে গেছি। কিন্তু ইঙ্গিত ছিল তাঁকে হত্যা-পরিকল্পনা বিষয়েই। তারা তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলে। ভেতরে প্রবেশ করে এবং তাঁকে হত্যা করে।’ ওয়াশিংটন সময় সকাল ৮টায় বাংলাদেশের ঘটনাবলী নিয়ে স্টাফ সভায় মিলিত হওয়া এবং তারও আগে মুজিব হত্যা সম্পর্কে আথারটনের সঙ্গে কিসিঞ্জারের তৎপরতা থেকে বোঝা গেল সে রাতে বড় মাপের ওই কুলাঙ্গার শিরোমণি ঘুমাননি। কিসিঞ্জারের নীতি হলো কোনো স্থায়ী শত্রæ বা মিত্র নয়, শুধু স্থায়ী হলো স্বার্থ। কিসিঞ্জারের চরিত্রে রয়েছে প্রচণ্ড প্রতিহিংসা-পরায়ণতা।’ তিনি ভাবতেন ‘মুজিব আমাদের লোক নন। আর তিনি যদি আমাদের লোক না হন, তবে স্থায়ী স্বার্থ বলে আমাদের কিছু থাকতে পারে না।
বাংলাদেশের ঘটনাবলী তিনি ব্যক্তিগত পরাজয় হিসেবে নেন।’ কিসিঞ্জার প্রথম ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। ১৯৭৩-এর শেষের দিকে তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়।
যদ্দুর জানা যায়, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ইউজিন বোস্টার মুজিব হত্যা-ষড়যন্ত্রে খুবই সক্রিয় ছিলেন। আর বাংলাদেশে মোশতাক, জিয়া, ফারুক-রশীদ চক্র তাদের বিদেশি প্রভুদের ঘৃণ্য ভৃত্য হিসেবে স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করেছে। বোস্টার গং ঢাকায় খুনি চক্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিল।
এমনকি ১৫ আগস্ট ভোররাতে হত্যাযজ্ঞ চলাকালে ঢাকার রাজপথে বোস্টারকে তার গাড়িতে ঘুরতে দেখা গেছে। সোজা কথায়, হাজার হাজার মাইলের পথ সুদূর ওয়াশিংটন থেকে কিসিঞ্জার এবং ঢাকা থেকে বোস্টার মুজিব হত্যাকাণ্ড সরাসরি তদারকি করেছেন। তারপর বোস্টার ঘন ঘন বার্তা পাঠিয়ে ঢাকার পরিস্থিতি ওয়াশিংটনকে অবহিত করেন। মার্কিন দূতাবাস তাদের বার্তায় ঘাতক চক্র কর্তৃক বাংলাদেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে হত্যার মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকে সামরিক অভ্যুত্থান হিসেবে উল্লেখ করে। যদিও ১৫ আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই সামরিক অভ্যুত্থান ছিল না।
বঙ্গবন্ধু হত্যা-ষড়যন্ত্রকারীরা লন্ডনেও সক্রিয় ছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট লন্ডনের ‘দি টাইমস’ পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপ্রসূত অভিযোগ সংবলিত একটি ডাহা মিথ্যা বিজ্ঞাপন (ডাবল কলাম বক্স) প্রকাশিত হয়। ‘ক্যাম্পেন ফর সোস্যাল ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ নামে একটি কল্পিত অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ওই বিজ্ঞাপনটি দেয়া হয়। উত্তর লন্ডনের ৬১ নম্বর ফিনসবারী পার্ক রোড, লন্ডন এন-৪ ঠিকানা ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনে বলা হয় : ‘বাংলাদেশে শুধু মানুষ নয়, মনুষ্য ধর্মও বিপদাপন্ন।’ বিজ্ঞাপনটির তিন লাইনব্যাপী শিরোনামে বলা হয়, ‘অনুগ্রহ করে বাংলাদেশকে ভুলবেন না, এটিও একটি একনায়কত্বাধীন দেশ।
এ দেশে শুধু মানুষ নয়, মনুষ্য ধর্মও বিপদাপন্ন।’ আসলে বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ঠিকানাটি ছিল ভুয়া। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাসগুপ্ত তার ‘মিডনাইট ম্যাসাকার ইন ঢাকা’ বইতে বলেন, “বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা লন্ডন ও জেদ্দায় অনুষ্ঠিত কয়েকটি বৈঠকের পর লন্ডনের একটি পত্রিকায় ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে ‘ক্ষুদে ডিক্টেটর’ আখ্যা দিয়ে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।’ ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৫ আগস্ট জাতির জনকের হত্যা দিবসে বিজ্ঞাপনটি দি টাইমস-এ প্রকাশিত হয়।
বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্র ছিল আরো বিস্তৃত। গত ৪৭ বছরে অনেক কিছু জানা গেলেও সবকিছু জানা যায়নি। ভুট্টো-কিসিঞ্জার ছাড়াও আরো অনেক দেশ ও অনেক চক্রান্তকারী এতে নিশ্চিতভাবেই জড়িত রয়েছে। বাংলাদেশে মোশতাক, জিয়া, এরশাদ, ফারুক, রশীদ, নূর, ডালিম, মাহবুব আলম চাষী ছাড়াও সামরিক-বেসামরিক আরো বহু ব্যক্তি মুজিব হত্যা ষড়যন্ত্রে জড়িত। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ওসমানী, খালেদ মোশাররফ, কর্নেল তাহের, জেনারেল মনজুরসহ আরো অনেকের ভূমিকাই স্বচ্ছ ছিল না। পাকিস্তান প্রত্যাগত ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের অনেকেই আড়াল থেকে ঘাতক চক্রকে মদদ দিয়েছে। জনক হত্যা ষড়যন্ত্রে সবচেয়ে বেশি লাভবান ব্যক্তি হচ্ছেন জিয়া ও এরশাদ। শুরু থেকেই এই দুইজন জড়িত ছিল বলেই আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীরা এদেরকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। আর অতি চালাক বেঈমান খন্দকার মোশতাক ৮০ দিনের নবাবী শেষে আউট হয়ে বাংলার ‘দ্বিতীয় মীরজাফর’ হিসেবে নিজের নামকে খোদাই করে নিয়েছে।
জনক হত্যাকাণ্ডে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কথা একটি মাত্র কলামে লেখা একেবারেই সম্ভব নয়। লিফশুলজ তার গ্রন্থে বহু দলিলপত্র-ভিত্তিক তথ্য প্রমাণ দিয়ে দেখিয়েছেন, লেডিজ ক্লাবের তুচ্ছ ঘটনার জের হিসেবে শেখ মুজিব নিহত হননি। তিনি প্রমাণ করেছেন, লেডিস ক্লাবের ঘটনার বহু আগেই মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুজিব হত্যাকারীরা যোগাযোগ স্থাপন করেছিল।
তাছাড়া স্ট্যানলি উলপার্ট তার গ্রন্থে মুজিব হত্যা ষড়যন্ত্রে পাকি প্রধানমন্ত্রী জেড এ ভুট্টোর জড়িত থাকার দলিলপত্র হাজির করেছেন। সবশেষে, বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

মোহাম্মদ শাহজাহান : মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়