বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া জড়িত: হানিফ

আগের সংবাদ

মিরপুরে গা গরম করলেন সাকিব

পরের সংবাদ

গুম, খুন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জোর ব্যাচেলেটের

প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০২২ , ৯:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২২ , ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

অর্ধশতাধিক ইস্যুকে স্পষ্ট করলেন চারমন্ত্রী
‘কনভিন্স’ হয়েছে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিরোধীদলীয় সদস্যদের গ্রেপ্তার, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ৫৭ ধারা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তাহীনতা, তৃতীয় লিঙ্গের শিশুদের শিক্ষা, রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, নারী শিক্ষা, এসিড সন্ত্রাস, এবং বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের ওপর গুরুত্ব দেয়ার মধ্য দিয়ে ঢাকায় চারদিনের সফর শুরু করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। দিনভর সরকারের চারমন্ত্রীর (পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, আইন এবং শিক্ষামন্ত্রী) সঙ্গে বৈঠকে ব্যাচেলেট অন্তত মানবাধিকার বিষয়ক অর্ধশতাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এসব ইস্যুতে বাংলাদেশের জবাবে মিশেল ব্যাচেলেট সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা। তবে সরকারের তরফে এমন সন্তুষ্টির কথা জানানো হলেও ব্যাচেলেটের তরফ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা রবিবার (১৪ আগস্ট) ভোরের কাগজকে বলেন, পৃথক পৃথক ইস্যু নিয়ে চার মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এরমধ্যে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও মানবাধিকারের বেশ কয়েকটি ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এমনকি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধনী আনতে যে কমিটি হয়েছে সেটির কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। পাশাপাশি জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশ যা যা বলে আসছিল তার কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে তাও আইনমন্ত্রী ব্যাচেলেটকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এসে এখানকার পরিস্থিতি দেখে ও বোঝে ব্যাচেলেট সন্তুষ্ট। ওই কর্মকর্তার মতে, আলোচনায় মানবাধিকার নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপে মিশেল যেমন খুশি হয়েছেন তেমনি আমরাও এই সফরকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। কিন্তু কেন এই গুরুত্ব তা তিনি বলেন নি।

ছবি: ভোরের কাগজ

এরআগে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট রবিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এরপরে তারা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠকে বসেন।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা আগে হলেও এখন নেই। বিচারবহির্ভূত হত্যার বিষয়ে কোনো তথ্য পেলে সরকার তা তদন্ত করবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যার বিষয়ে তারা বলেনি। আমরা নিজে থেকে বলেছি। এ রকম বলা হয়েছে যে, কিছু লোককে কিলিং করা হয়েছে। আমাদের এখানে আগে হতো- ২০০০, ২০০৩ ওই সময়ে। বিচারবহির্ভূত হত্যার বিষয়ে আমরা কোনো তথ্য পেলে তদন্ত করা হবে।

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে ড. মোমেন জানান, কিছু কিছু লোক নাকি বলেছে যে, ৭৬ জন লোক গত ১০ বছরে নিখোঁজ হয়ে গেছে। তারা বলেছে, সরকার নাকি নিখোঁজ করেছে। ৭৬ জনের মধ্যে আবার ১০ জনকে দেখা যায় পাওয়া গেছে। বাকিগুলো আমরা ঠিক জানি না। পরিবার কোনো তথ্য দেয় না। পরিবারকে বলা হয়, তারা ভয়ে আর কোনো তথ্য দেয় না। আমরা জানি না তারা কোথায় গেছেন।

মন্ত্রী বলেন, আমেরিকায় প্রতি বছর পুলিশ হাজারখানেক লোককে মেরে ফেলে। আমাদের দেশে আগে হত। ওই সময় মারা গেলে বলা হত হার্টফেলে হয়েছে। কিন্তু এখন আর হার্টফেল নেই। আমেরিকার ইস্যুটি হাইকমিশনারকে বলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, বলেছি এবং তিনি কিছু বলেননি।

বঙ্গবন্ধুর খুনি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা আমাদের আইনের কথা বলে, মানবাধিকারের কথা বলে, আইনের শাসনের কথা বলে তাদের দেশে আত্মস্বীকৃত খুনি ঘুরে বেড়ায়, বাজার করে, সন্তান নিয়ে সিনেমা হলে যায়। দেশে ফেরত আসলে তাদের ফাঁসি হবে— এই অজুহাতে যদি ফেরত না পাঠান, তবে ওই দেশের জেলে রাখেন না কেন। সেটাওতো করেন না।

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘ খুব উদ্বিগ্ন। তারা চায় এদেরকে সাহায্য করতে এবং এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে থাকবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি রোহিঙ্গা আগেও এসেছিল বহুবার এবং ফেরত গেছে। এবারে সংখ্যা বেশি। তবে দুঃখের বিষয় যারা মানবাধিকারের জন্য শান্তি পুরস্কার পেয়েছে তারা মিয়ানমারের সঙ্গে আগের মতো সম্পর্ক বজায় রাখছে। চুটিয়ে ব্যবসা করছে এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ব্যবসা ১৫ গুণ বেড়েছে। শুধু যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য বেড়েছে ১০০ গুণ। বিনিয়োগ হয়েছে গত ৫-৬ বছরে ২৩০ কোটি ডলার। আমরা বলেছি আপনারা রাখাইনে গিয়ে সাহায্য করেন। মিয়ানমারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আলোচনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গটি এসেছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওদের (জাতিসংঘ) ধারণা বাংলাদেশে টেলিভিশন মিডিয়া এগুলোতে কোনো ফ্রিডম নেই। কেউ নিজের কথা বলতে পারে না। তাদের (গণমাধ্যম) সেন্সর করে। আমি বলেছি, আমার এমন কিছু জানা নেই। আমি তো দেখি আমাদের মিডিয়া ভেরি স্ট্রং। প্রাইভেট টেলিভিশন একটা কথা বললে ধরে ফেলে। মিডিয়ার স্বাধীনতার প্রসঙ্গে বলেছি, আমরা এ সম্পর্কে জানি না। কিন্তু কেউ কেউ মনে হয় মনে করে। তারা মনে মনে চিন্তা করে। তাদেরকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অনেকগুলো মিডিয়া রেজিস্টার্ড হয়েছে। বাংলাদেশে সরকারের মিডিয়া ছাড়া কোনো মিডিয়া নেই। আমি বললাম, সারাদেশে নাকি ২ হাজার ৮০০ পত্রিকা বের হয়। সরকার এগুলোর সেন্সর করে বলে আমার জানা নেই। সরকারের এত ক্ষমতাও নেই, বলেন মোমেন।

দেশে সিভিল সোসাইটির প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মোমেন বলেন, দেশে সিভিল সোসাইটি নাকি নেই। এটা আমরা জানি না। সিভিল সোসাইটি তো সব জায়গায় থাকে। এনজিও আমাদের দেশে শতশত, কয়েক হাজার। এখানে প্রাইভেট ভলানটিয়ার অরগানাইজেশন খুব বেশি নেই। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘ খুব উদ্বিগ্ন এবং এ সমস্যা সমাধানে তারা আমাদের সহযোগিতা করবে বলেও উল্লেখ করেন মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে মিশেণ ব্যাচেলেট আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মুশতাক নিয়ে কথা হয়েছে। আলাপ হয়েছে প্রশিক্ষণের বিষয়ে। তিনি বলেন, হাইকমিশনার মুশতাক নিয়ে জানতে চেয়েছেন এবং আমি উত্তর দেয়ার পরে আর কোনো প্রশ্ন করেননি। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দি লেখক মুশতাক আহমেদ মৃত্যুর প্রসঙ্গ আলোচনায় এসেছে উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, আলাপ হয়েছে মুশতাকের মৃত্যু সম্পর্কে। তার প্রশ্নের পর আমি মুশতাকের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পড়ে শুনিয়েছি। তারপরে তিনি আর প্রশ্ন করেননি।

বাংলাদেশ মানবাধিকার ইস্যুটি বেশ মূল্যায়ন করে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সবশেষে আমি যেটা শক্তভাবে তুলে ধরেছি সেটা হলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মানবাধিকারকে সাংঘাতিক মূল্য দেয় বাংলাদেশ। তার কারণ হচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের একজন ভিকটিম হচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ মানবাধিকার বিষয়ে সবসময়, বিশেষ করে শেখ হাসিনার সরকার মানবাধিকারকে সবসময় সমুন্নত রাখবে এবং আইন দ্বারা যেকোনো ভায়োলেশন বন্ধ করা যায়, সেই ব্যাপারে সক্রিয় থাকবে।

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কি না, জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, কোনো উদ্বেগ ছিল না, এটা আলোচনার মধ্যে আসছে। বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে কি পর্যবেক্ষণ ছিল-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা ব্যাচেলেট বলবেন, আমি বলব না।

এরপরে তিনি সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে দেশে ‘গুম’ হওয়া ৭৬ জনের তালিকা তুলে ধরলেও বাংলাদেশ সফররত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটকে এ বিষয়ে তিনটি কারণ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ব্যাখ্যায় ‘কনভিন্স’ হয়ে কমিশনার ‘ধন্যবাদ’ দিয়ে চলে গেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। আসাদুজ্জামান খান বলেন, তিনি (মিশেল) আগেই আমাদের কিছু লিখিত প্রশ্ন দিয়েছিলেন। যেগুলো নিয়ে তিনি আলাপ করতে চেয়েছিলেন। সেগুলোর সবকিছু তাকে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে আমাদের ভূমিকা, আমাদের কীভাবে চলছে, আমাদের সরকারিভাবে একটি মানবাধিকার কমিশন রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা ছিল অনেকে মিসিং হয়ে যায়, আমাদের ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে জিজ্ঞাসা করেছেন। অনেক নৃশংসতা বাংলাদেশে হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আমরা কী করেছি? আমাদের ৭৬ জনের মিসিং বা ডিসঅ্যাপেয়ারেন্স পার্সনের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, আমাদের বলা হয়েছিল। আমরা দেখিয়ে দিয়েছি এ ৭৬ জনের মধ্যে ১০ জন তাদের বাড়িতেই আছে। দুজন জেলখানায় আছেন। যারা ডিসঅ্যাপেয়ারেন্স হয়ে আছেন, আমরা তাকে বলেছি আমাদের দেশে তিনটি কারণে ডিসঅ্যাপেয়ার হয়, প্রথম কারণ হচ্ছে ঘৃণ্য অপরাধ যারা করে, ভিডিওর মাধ্যমে আমরা দেখিয়েছি। পুলিশকে পিটিয়েও তারা হত্যা করেছে। আমরা এটাও দেখিয়েছি কীভাবে তারা মানুষের সম্পদ ধ্বংস করেছে। যারা এগুলো করেছে তারা সীমান্তের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বিভিন্ন দেশে চলে গিয়েছে। তারা ভারত কিংবা মিয়ানমার কিংবা অন্য কোনো জায়গায় তারা আশ্রয় নিয়েছেন। বাকিগুলো সব আমাদের সঙ্গেই আছে।

তিনি আরো বলেন, আজকে বিচার বিভাগ স্বাধীন, কাজেই বিচার এড়ানোর জন্যই তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সেটার একটা নমুনা আমরা তাকে দেখিয়েছি। কী ধরনের অপরাধ তারা করেছেন। মন্ত্রী বলেন, এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে ঋণে জর্জরিত হয় তারা গা ঢাকা দেয়। হয়তো কয়েকদিন পরে আত্মপ্রকাশ করে। আবার যারা পারিবারিকভাবে অসুবিধায় পড়ে তারাও গা ঢাকা দেয়। এ তিন ধরনের লোকদের গা ঢাকা দিতে দেখেছি। এটাই কমিশনরাকে বলেছি। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাদের গ্রেফতার করে তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তির চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, এক সময় পাহাড়ে অশান্তি থাকলেও শান্তি চুক্তির আওতায় এখন নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পাহাড়ে ভূমি কমিশনের কার্যক্রম শিগগিরই শুরু করতে পাহাড়ি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ চলছে। সেখানে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে শুধুমাত্র পুলিশ যাতে কাজ করতে পারে সেই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

সন্ধ্যায় তিনি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনির সরকারি বাড়িতে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের ভোরের কাগজকে বলেন, প্রায় ৪০ মিনিটের বৈঠকে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার শিক্ষামন্ত্রী কাছে জানতে চেয়েছেন, নারী শিক্ষার অগ্রগতি, শ্রেণিকক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান, রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা, এসিড সন্ত্রাস নির্মূলে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলো জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়