আন্দোলনের নামে বোমাবাজি করতে দেয়া হবে না: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আগের সংবাদ

সিলেটের বন্যা বিপর্যস্ত ৫০ পরিবারের পুনর্বাসনে চবি’র আমরা একুশ

পরের সংবাদ

সুবিধাভোগীরাই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত : আমু

প্রকাশিত: আগস্ট ১৩, ২০২২ , ৭:১২ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২২ , ৭:১৩ অপরাহ্ণ

ওয়ার্কার্স পার্টির আলোচনাসভা

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদর সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুবিধাভোগী কারা ছিল? কারা ষড়যন্ত্র করেছে? জিয়া, মোশতাক জাতীয় পার্টির কাজ সেটা পরিষ্কার করে দেয়। সেই ষড়যন্ত্র এখনো আছে। কেননা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করেছে তারা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ওই সময় আমাদের নেতৃত্ব কেন কোন ঘোষণা দিতে পারল না, সে কথা আজকে বলতে চাই না।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিউশনের সেমিনার হলে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা’র সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান। কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ মেনন অনুষ্ঠানে ছিলেন না। তবে তার পক্ষে সূচনাপত্র পড়ে শোনান দলের নেতা কামরুল আহসান। ওই পত্রে বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র প্রকাশ করতে ‘জাতীয় তদন্ত কমিশন’ গঠন করার দাবি করা হয়।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন সময়ের দাবি। দুই বছর আগেও আমরা বলেছি। একটা বিচার বিভাগ হোক বা গণ কমিশন হোক, সেটা গঠন করে নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করা হোক।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকা- ছিল নিছক কোনো ব্যক্তির হত্যা নয়। বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র। সেই কাজ জেনারেল জিয়াউর রহমান পরিকল্পিতভাবে করেছেন। জেনারেল এরশাদ করেছেন। সংবিধানে এখনো সাম্প্রদায়িকতা-সামরিক সরকারের ক্ষত আছে। এগুলো ধীরে ধীরে দূর করতে হবে।

একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল নায়ক জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। যে কারনে সংবিধান সংশোধন করে জিয়া বিসমিল্লাহ বসিয়ে দিল মাথার উপর। বঙ্গবন্ধু ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ করেছিলেন আর জিয়া সেটা পুনরুদ্ধার করেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়