সিরিজ দুর্নীতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে বিপাকে মমতা

আগের সংবাদ

আজকের সংবাদপত্র পর্যালোচনা

পরের সংবাদ

ডলার কারসাজিতে ছয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২২ , ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২২ , ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের অব্যাহত পরিদর্শনের মধ্যেও খোলাবাজারে ডলারের দাম বাড়ছে, বিপরীতে কমছে টাকার মান; ১১৫ টাকা ছাড়িয়ে গেছে ইতোমধ্যেই। দেশে মুদ্রাবাজারের ইতিহাসে একদিনে ডলারের বিপরীতে টাকার মানের এতটা অবমূল্যায়ন এর আগে হয়নি।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযানে উঠে এসেছে ছয় ব্যাংকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণের। দর বৃদ্ধির ‘প্রমাণ পাওয়ায়’ সোমবার ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ট্রেজারি অপারেশনে অতিরিক্ত মুনাফা করায় পাঁচটি দেশি এবং একটি বিদেশি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির ‘প্রমাণ পাওয়ায়’ এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ওই ছয় ব্যাংককে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠিয়ে তাদের ট্রেজারি প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারে প্রতি ডলার রেকর্ড ১১৫ টাকা ৬০ পয়সায় বিক্রি হয়, যা আগের দিন রবিবার বিক্রি হয় ১১০ টাকায়। এর আগে ২৭ জুলাই খোলাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দর ওঠে ১১২ টাকা।

এদিকে, আন্তঃবাজারেও ৩০ পয়সা বেড়েছে ডলারের দাম। সোমবার ৩০ পয়সা বাড়িয়ে এ মুদ্রাটির দাম নির্ধারণ করা হয় ৯৫ টাকায়। এদিন ব্যাংকগুলোর দাহিদা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে ৯৫ টাকা দরে। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। আর এক বছরে কমেছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ।

ব্যাংকগুলোর বিদেশি মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে রপ্তানি আয়, রেমিটেন্স, বিদেশি মুদ্রায় আমানত সংগ্রহ ও বিভিন্ন ধরনের বন্ডে বিনিয়োগ। আবার বিদেশি প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে কোনো কোনো ব্যাংকের।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোন ব্যাংক কী পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবে, তার একটি সীমা (এনওপি-নেট ওপেন পজিশন) নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।

আগে ব্যাংকের রেগুলেটরি ক্যাপিটালের ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ করার সুযোগ ছিল। ডলার বাজারের অস্থিরতা কমাতে গত ১৫ জুলাই তা কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এই সীমার বেশি ডলার হাতে থাকলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অন্য কোনো ব্যাংকের কাছে বিক্রি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে ব্যাংকগুলোর।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়