সকালে নাস্তা করতে ইচ্ছা করে না? কোন রোগের লক্ষণ কি

আগের সংবাদ

মালাইকাকে স্পর্শ না করে প্রশংসায় ‘সত্যিকারের ভদ্রলোক’

পরের সংবাদ

আঙ্কারায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২২ , ১২:১৫ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২২ , ১২:১৬ অপরাহ্ণ

তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। সোমবার (৮ আগস্ট) রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

মূল অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন পাঠ, বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু পরিবার, স্বাধীনতা যুদ্ধের সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির প্রেরিত বাণী পাঠ করেন রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান এবং প্রধানমন্ত্রী বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিনিস্টার ও মিশন উপ-প্রধান মিজ শাহনাজ গাজী।

বাণী পাঠের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের থেকে দেয়া বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসা মুজিবের কর্মময় জীবনের ওপর নির্মিত ভিডিও প্রদর্শন হয়।

সোমবার আঙ্কারায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসার ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে নীরবতা পালন করেন রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নানসহ অন্যরা। ছবি: ভোরের কাগজ

অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র, ভারত, নাইজেরিয়া, তাজিকিস্তান ও মিশরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে শিশুদের মধ্যে ছড়া পাঠ ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং তাদের পুরস্কার প্রদান করেন রাষ্ট্রদূত।

একই অনুষ্ঠানে কিছুদিন আগে সিলেটের বানভাসি মানুষদের জন্য সাহায্য পাঠানোয় আঙ্কারায় শেখ রাসেল শিশু কর্নারের শিশু কিশোর সদস্যদের হাতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে পাওয়া ধন্যবাদ চিঠি প্রদান করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত।

সোমবার আঙ্কারায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসার ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে পুরস্কার বিতরণ শেষে শিশু প্রতিযোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান। ছবি: ভোরের কাগজ

পরে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য বিষয় ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা, অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণার’ ওপর ভিত্তি করে তার কর্মময় জীবন ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের ওপর স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের অবদান ও আত্মত্যাগের কথা এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের গৌরবময় জীবন তার আলোচনায় ফুটে উঠে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গমাতা ফাস্ট লেডির মর্যাদা ভোগ না করে অতি সাধারণ জীবন-যাপন করতেন এবং মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত বাঙালি নারীদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেন। পরিশেষে, রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন এবং সব মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসগর্কারী শহীদদের স্মরণ করেন।

এছাড়া, রাষ্ট্রদূত দূতাবাসে ‘বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেসা মুজিব নারী ও শিশু প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন ও উপহার বিতরণ করেন। এই কর্মসূচির অধীনে শিশুদেরকে বাংলাভাষা, নাচ, গান, আবৃত্তি এবং নারীদের রান্না ও সেলাই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। সবশেষে, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয় এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়