লাদেনের ভাইদের থেকে মোটা অঙ্কের অনুদান নেন প্রিন্স চার্লসের সংস্থা

আগের সংবাদ

আমি কি বাচ্চা তৈরির মেশিন নাকি: কারিনা

পরের সংবাদ

হুমকির পর সালমানকে অস্ত্র রাখার অনুমতি পুলিশের

প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২২ , ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২২ , ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ

বন্দুক রাখার লাইসেন্স পেলেন অভিনেতা সালমান খান। সোমবার মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, এক মাস আগেই নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমতি চেয়েছিলেন সালমান। সম্প্রতিই সেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাকে। গত মে মাসে পঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসে ওয়ালাকে হত্যার পর সালমানও খুনের হুমকি পাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তার জেরেই অভিনেতাকে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমোদন দেওয়া হল।

সালমানকে যে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তা পুলিশকে জানিয়েছিলেন অভিনেতা নিজে এবং তার পরিবার। সালমানের বাবা সেলিম খান জুন মাসে একটি হুমকি চিঠিও খুঁজে পান তাদের বাড়ির চত্বরে। চিঠিটি রাখা ছিল একটি বেঞ্চে, যেখানে প্রতিদিন জগিং করে এসে বিশ্রাম নেন অভিনেতা। এরপরেই গত মাসে অর্থাৎ জুলাইয়ে মুম্বাইয়ের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে সালমান আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমতি চান।

ওই একই সূত্র জানিয়েছে, জুলাইয়ের শেষে মুম্বাই পুলিশের সদর দফতরে গিয়েছিলেন সালমান। সেখানে তিনি মুম্বাই পুলিশের শীর্ষ কর্তা বিবেক ফানসালকারের সঙ্গে দেখা করেন। জানা গিয়েছে, বিবেককে তিনি বলেছিলেন, আত্মরক্ষার্থে নিজের কাছে একটি বন্দুক রাখতে চান। এমনকি, ওই বন্দুক থাকলে তিনি তার পরিবারকে রক্ষা করতে পারবেন বলেও জানিয়েছিলেন সালমান।

মুম্বাই পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশের সদর দফতরে সালমানের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও হয়, যা বন্দুকের অনুমোদন পাওয়ার জন্য বাধ্যতামূলক। তার পরই সোমবার মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিনেতাকে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।

সালমান খান কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে ১৯৯৮ সালে একটি ছবির শ্যুটিংয়ের ফাঁকে আইন ভেঙে বিরল প্রজাতির হরিণ শিকারের অভিযোগ রয়েছে। গত ২৯ মে পঞ্জাবে গায়ক মুসেওয়ালাকে হত্যার পর কুখ্যাত অপরাধী লরেন্স বিষ্ণোই সালমানকেও খুনের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ ছিল। সুত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

টিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়