উন্নয়নবিরোধীদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না: কাদের

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

কলেরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু ৩ আগস্ট

প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২২ , ৩:৫২ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২২ , ৪:১২ অপরাহ্ণ

ঢাকার ৫ এলাকায় কলেরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে ৩ আগস্ট থেকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আইসিডিডিআর, বি ৩ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। তবে ৫ আগস্ট শুক্রবার এবং ৯ আগস্ট আশুরার কারণে এই কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সকাল আট টা থেকে বিকেল চার টা পর্যন্ত এই টিকা দান কার্যক্রম চলবে। ঢাকার যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, দক্ষিণখান, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরের প্রথম ডোজ কলেরা টিকা নেয়া ২৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫৮৫ জন অধিবাসীকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হবে। যারা ২৬ জুন থেকে ২ জুলাইয়ের মধ্যে প্রথম ডোজ কলেরা টিকা নিয়েছিলো তারা স্ব স্ব টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কার্ড দেখিয়ে দ্বিতীয় ডোজ কলেরা টিকা নিতে পারবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা ঢাকার পাঁচটি এলাকার বাসিন্দাদের থেকে কলেরা টিকাদান কার্যক্রমে অভূতপূর্ব সারা পেয়েছি এবং খুব অল্প সময়ে রেকর্ড সংখ্যক অধিবাসীকে টিকা দিতে পেরেছি। আমরা আশা করবো যারা প্রথম ডোজ কলেরা টিকা নিয়েছেন তারা অবশ্যই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে নিজেদেরকে এ রোগ থেকে সুরক্ষা করবেন।

আইসিডিডিআর,বি-র সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ও ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র ডিরেক্টর ড. ফেরদৌসী কাদরী বলেন, সবার প্রতি অনুরোধ কলেরা টিকা গ্রহণ করার পাশাপাশি নিজেকে ও প্রিয়জনদেরকে অন্যান্য রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, যেমন নিরাপদ পানির ব্যবহার, নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করবেন এবং ডায়রিয়াসহ অন্যান্য সংক্রমক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইউবায়োলোজিক্স কো. লিমিটেডের তৈরি ইউভিকল প্লাস নামের কলেরার টিকা এক বছর থেকে তদূর্ধ্ব বয়সীদেরকে দেয়া হয়। এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত। গর্ভবতী নারী এবং যারা বিগত ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নিয়েছেন তারা ছাড়া সবাই এই টিকা নিতে পারবেন। এই টিকা নেয়ার ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নেয়া যাবে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক সহায়তায় আইসিডিডিআর,বি কলেরার টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই কর্মসূচিতে আরও সহায়তা করছে জাতীয় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও এমএসএফ। দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, গ্যাভি-র আর্থিক সহায়তায় এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় ৭’শটি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

টিএপি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়