আমাদের সব শিক্ষকই কি শিক্ষা গ্রহণে অনাগ্রহী?

আগের সংবাদ

ইসির সংলাপ থেকে অর্জন কী

পরের সংবাদ

এই দিনকে সেই দিনের কাছে নিতে হলে

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

সরকারের সাবেক সচিব. এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান

প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২২ , ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২২ , ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ

পঞ্চাশ পেরুনো বাংলাদেশে ইতোমধ্যে নানান শিল্প উদ্যোগে এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে এর সমাজ ও অর্থনীতির ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। দেশটি কৃষি এবং ট্রেডিংনির্ভরতা থেকে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে অগ্রসরমান। বাংলাদেশ জনসংখ্যার ভারে ন্যুব্জ একটি দেশ। সে কারণে স্বাভাবিকভাবেই দেশের কর্মক্ষম জনগণকে কর্মকুশল দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার অনিবার্যতা মাহেন্দ্রক্ষণে উপনীত। কেননা ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ সৃজনশীল কর্মক্ষম জনসমষ্টির আওতায় চলে এসেছে, যা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট নামে পরিচিত। সনাতন শর্তানুযায়ী ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট মূলত ৩ দশক পর্যন্ত সৃজনশীল এবং উন্নয়ন অভিসারী অভিযাত্রায় থাকে। ইতোমধ্যে তার এক দশকের বেশি সময় চলে গেছে, সামনে আরো দেড়-দুই দশক বাকি আছে। এই সময়ের মধ্যে বিদ্যমান কর্মোপযোগীদের উৎপাদনশীল কাজে নিয়োজিত করতে না পারলে বা তাদের উপযুক্ত কর্মসম্পাদনে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারলে কিংবা তাদের জন্য উপযুক্ত কাজ এবং পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারলে তারা অলসতায় শয়তানের কর্মশালায় যোগ দিতে পারে কিংবা অকর্মণ্যতায় হতাশায় নিমজ্জিত হতে পারে, যে পরিস্থিতিতে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ডিজাস্টারে পরিণত হতে পারে। কেননা সমাজে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়ে গেলে উৎপাদনশীলতায় বা জিডিপিতে তাদের অবদান বঞ্চিত হয় দেশ এবং তারা নিজেরাই নিজেদের, পরিবার ও দেশের জন্য বোঝা বা বিপদের বা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর সেই ক্ষতির ধকল কাটিয়ে উঠতে জাতির জন্য প্রয়োজন হবে প্রচুর সময় এবং এর জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দিতে হবে বিশেষ মাশুল।
বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা এদেশের জনগণকে বিশেষ করে যুবসমাজকে এখনো পর্যাপ্ত যথাযথ দক্ষ জনসম্পদে বা প্রশিক্ষিত লোকবল হিসেবে গড়ে তুলতে পারেনি। যার জন্য এদেশ থেকে বিদেশে যাচ্ছে অদক্ষ শ্রমিক আর বিদেশের দক্ষ জনবল এদেশের মধ্য ও উচ্চতর পদগুলোতে বেশি বেতনে নিয়োজিত হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রচুর বিশ্ববিদ্যালয় সমাপনকারী ডিগ্রিধারী শিক্ষিতের সংখ্যা বেড়েছে; কিন্তু তাদের দেশের উদীয়মান শিল্পে, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ যোগ্য হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে না। স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের সেই বিখ্যাত চরণের মতো ডধঃবৎ ধিঃবৎ বাবৎুযিবৎব হড়ৎ ধহু ফৎড়ঢ় ঃড় ফৎরহশ.
বিভিন্ন সমীক্ষা-পরীক্ষা, পর্যালোচনায় বেরিয়ে এসেছে যে, বাংলাদেশি তরুণ উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপকদের মধ্যে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসের অভাব, ক্ষেত্রবিশেষে দুর্বলতা, প্রায়োগিক জ্ঞানের নিম্নগামিতা, প্রশিক্ষণ এবং অধিক শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহের অভাব, সৃজনশীল পৃষ্ঠপোষকতাদানের ঘাটতি বা কমতি রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য উঠতি বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ পরিস্থিতিতে টিকে থাকা কিংবা অধিকতর যোগ্যতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মতো উপর্যুক্ত ও দক্ষ জনবলের যেমন প্রয়োজন তেমনি টেকসই ও লাগসই প্রযুক্তি প্রয়োগ ও সমন্বয়ে দক্ষ জনবলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তার সঙ্গে প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক কর্ম কুশলতা। এই প্রয়োজনীয়তার বিপরীতে দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার গুণগত মান কমে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন সম্প্রসারণমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন নতুন যেসব চ্যালেঞ্জ দেখা যাচ্ছে, সেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়ে তা মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত ও উপর্যুক্ত লোকবলের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে।
এই সহস্রাব্দের শুরু থেকে বলতে গেলে বিশেষ করে মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বাস্তবায়ন যখন শুরু হয় তখন থেকে বাংলাদেশে দক্ষ জনবল বা মানবসম্পদ তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়ে নানা উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। দাতা সংস্থার পরামর্শ ও অর্থায়নে ইতোমধ্যে বেশকিছু সংস্থা, প্রকল্প, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ গৃহীত হলেও দৃশ্যমান দক্ষ জনবল সেভাবে যে গড়ে উঠেনি, তা বিগত দেড় দশকে বাংলাদেশে কর্মসৃজন, বিদেশে দক্ষ জনবল পাঠানোর এবং এদেশে বিদেশিদের নিয়োজ্জন সংক্রান্ত পরিসংখ্যান থেকে প্রতিভাত হচ্ছে। বিগত দেড় দশকে বরং দেখা গেছে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ঊর্ধ্ব ও মধ্যম পর্যায় ব্যবস্থাপক, পরামর্শক, সংগঠন ও কর্মীরা এসে বাংলাদেশে গার্মেন্টসহ বিভিন্ন আর্থিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত হয়েছে, ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে প্রত্যাবাসিত হচ্ছে। অপরদিকে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে দক্ষের পরিবর্তে অদক্ষ শ্রমিক প্রেরণের মাত্রা বেড়েছে। যদিও এই দেড় দশকে দেশে পরীক্ষায় পাসনির্ভর প্রচুর শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটেছে বা শ্রম বাজারে প্রবেশ করেছে; কিন্তু উঠতি বাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার মতো পর্যাপ্ত ও কার্যকর জ্ঞান দিয়ে তাদের নিয়োগ করা যায়নি এই অনুযোগে যে, তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর কর্মীদের তুলনায় চটপটে, পটু, প্রায়োগিক জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া থেকে পেছনে রয়েছে। এইরূপ অদক্ষ-অর্ধশিক্ষিত জনসম্পদ বছর বছর তাদের চাকরির বয়স খুইয়ে স্থায়ী বেকারে পরিণত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের যে কর্ম সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে সেখানে উপযুক্ত দেশীয় লোকবল সংস্থান করা যাচ্ছে না; অথচ সেগুলো বিদেশিদের দ্বারা পূরণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ গার্মেন্ট শিল্প একটি অতি সম্ভাবনাময় শ্রমিকনির্ভর শিল্প। সেখানে মধ্য পর্যায়ের অধিকাংশ ব্যবস্থাপক, পরিচালক, নকশাকার হিসেবে নিয়োজিতরা বিদেশি। যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে, গার্মেন্টের বায়াররা প্রতিবেশী দেশে (যারা আমাদের গার্মেন্ট শিল্পের প্রতিদ্ব›দ্বী) বসে সে দেশের লোক নিয়োগ না করলে আমাদের বাজার হারাতে হবে- এ ধরনের একটি অঘোষিত হুমকি রয়েছে। এর ফলে দেশি শিক্ষিত বেকারকে কর্মসংস্থানের চাহিদাকরণে টানাপড়েন সৃষ্টি হয় এবং চাকরি না পেয়ে বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণরা হতাশায় নিমজ্জিত। সাম্প্রতিককালে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে সেই হতাশার বেদনা বাক্সময় হয়ে প্রকাশ পেয়েছে। একই সময়ে দেশের টেকনিক্যাল শিক্ষার পরিবর্তে সাধারণ শিক্ষার জয়যাত্রা অব্যাহত থাকায় দক্ষ জনবল সরবরাহের পরিস্থিতি এমন একটি নেতিবাচক পর্যায়ে যাচ্ছে যে, দীর্ঘমেয়াদে তাতে এক করুণ ও আত্মঘাতী পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আশঙ্কা প্রকাশ পাচ্ছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট ডেমোগ্রাফিক ডিজস্টারে পরিণত হতে পারে।
জনসম্পদ উন্নয়নে বিদ্যমান এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা এবং উন্নত পর্যায়ে উত্তরণ শুধু জরুরি নয়, অনিবার্যও বটে। এখনই যদি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেয়া হয় তাহলেও আগামী ১৫ বছরের আগে সেই দক্ষ জনবলের সাক্ষাৎ মিলবে না। ততদিনে বর্তমানে বিদ্যমান বেকার ও অদক্ষ শিক্ষিত জনসম্পদ উপরে ও নিচের জন্য জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে থাকবে। ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান পর্যায়ে বিদেশিদের নিয়োগ অব্যাহত থাকলে বা রাখলে দেশের চাকরি বাজার দেশীয়দের জন্য আরো অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। এহেন পরিস্থিতি থেকে কার্যকরভাবে পরিত্রাণ পেতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ অনিবার্য হয়ে উঠেছে। গালভরা শব্দমাখা, দেশি-বিদেশি কনসালট্যান্ট ও বিদেশি সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে অনুসন্ধান পরীক্ষা পর্যালোচনার পথে থেকেও একটি আত্মনির্ভরশীল পরিস্থিতি সৃজনে নিজেদের ভাবনায় বা উদ্যোগে নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে-
১। দেশের শিক্ষিত জনবলকে দেশে নিয়োগ বা আত্মীকরণ নিশ্চিত করা। বাইরের বায়ারের চাপে, কিংবা বাইরের কর্মীদের স্মার্টনেসের যুক্তিতে তাদের নিয়োগ করা থেকে বিরত থেকে দেশীয়দের নিয়োগে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তথা চাহিদা সৃষ্টি করতে হবে। নিজেরা যদি নিজেদের লোকবল নিয়োগের জন্য ঝঢ়ধপব না রাখি বা পদ সৃষ্টি না করি তাহলে দেশীয়দের চাহিদা ও দক্ষ জনবল সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে না। দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে।
২। পেশাজীবী ও শিল্পগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী লোকবল তৈরির জন্য বিশেষায়িত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে। ইতোমধ্যে বিজিএমইএসহ কয়েকটি সংস্থা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট গড়ে তুলছে। কিন্তু সেসবের বাস্তবায়ন বড্ড ধীরগতিসম্পন্ন এবং সেখানে অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ লোকবল তৈরির কাজ এখনো শুরু হয়নি, শুরু হলেও মানসম্মত ফলাফল পেতে দেরি হচ্ছে। মনে রাখতে হবে সময় কারো জন্য বসে থাকবে না।
৩। বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা এই মুহূর্তে পড়াশোনা করছে তাদের ভাষা ও টেকনিক্যাল জ্ঞান, তাদের সৃজনশীলতার বিকাশ ভাবনা গতানুগতিক অবয়বে না রেখে তাদের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বিশেষ ব্যবস্থাপনাধীনে ভাষা চর্চা ও প্রয়োগিক দক্ষতা অর্জনের জন্য আলাদা বিশেষ কোর্সেও ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। তা না হলে বিদ্যমান শিক্ষার্থীরা শ্রম বাজারে গতানুগতিক অদক্ষ অবস্থায় প্রবেশ করবে।
৪। অদক্ষ শ্রমিক প্রেরণের পথ পরিহার করে বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণের লক্ষ্যে এবং দেশে দক্ষ জনবল সৃষ্টির জন্য আলাদাভাবে বিশেষ তহবিল গঠন করে বিশেষ কার্যক্রম বা উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যমান সব বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রকৃতপক্ষে কী শেখানো হচ্ছে তা কঠোর তদারকিতে এনে সেখানে গুণগত শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে।
৫। অদক্ষের পরিবর্তে দক্ষ জনবল প্রেরণ করতে পারলে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। দেশে দক্ষ জনবল পাওয়া গেলে বিদেশিদের নিয়োগ বন্ধ হলে ব্যাপক বিদেশি মুদ্রা ব্যয় সাশ্রয় ঘটবে। সরকারকে সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই লাভ লোকসানের সমীকরণটি যথা বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ শিক্ষার পরিবর্তে বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রতি মনোযোগী এবং যেখানে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুণগত মান বজায় রাখার ব্যাপারে কড়া তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান যেসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করবে তাকে সুলভ করতে কর রেয়াত কিংবা প্রণোদনা দেয়া যুক্তিযুক্ত হবে।
৬। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রমে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বিশেষ প্রয়োগিক জ্ঞানের পাঠ্যসূচি কার্যক্রম সংযুক্তকরণ।
৭। বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণে সচেষ্ট থাকা। অদক্ষ শ্রমিক প্রেরণের ক্ষেত্রে তাদের প্রেরণ ব্যয় যাতে সীমিত থাকে সেদিকে লক্ষ রাখা। কেননা অদক্ষ শ্রমিকরা বিদেশে বেশি বেতন পায় না অথচ তাদের যেতে যদি বেশি অর্থ ব্যয় হয় তাহলে তাদের প্রত্যাবাসনের দ্বারা প্রকৃতভাবে অর্থনীতি কোনোভাবে উপকৃত হবে না।
৮। সাধারণ শিক্ষা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত রেখে সাধারণ শিক্ষা এবং পরবর্তী পর্যায়ে প্রয়োগিক বা বৃত্তিমূলক টেকনিক্যাল শিক্ষার দিকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ধাবিত করা। শুধু উচ্চ মেধাসম্পন্ন ও গবেষণা ইচ্ছুকরা উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে যেতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষা পর্যায়ক্রমকে নিরুৎসাহিত করা।

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ : সরকারের সাবেক সচিব. এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়