ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিন বন্ধ থাকবে গ্যাস সরবরাহ

আগের সংবাদ

রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য বোঝা হয়ে উঠছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরের সংবাদ

৮৩ শ্রমিকের করোনা, বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ

প্রকাশিত: জুলাই ৩০, ২০২২ , ২:৪৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২২ , ৪:০১ অপরাহ্ণ

চালুর তিনদিনের মাথায় বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন। খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসির ৫০ জন চাইনিজ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৮৩ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ করে দিয়ে গত শুক্রবার রাত আটটার মধ্যে কয়লা উত্তোলন কাজে নিয়োজিত তিনশতাধিক বাংলাদেশি খনি শ্রমিককে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

খনির কয়লা উত্তোলন কাজে নিয়োজিত চাইনিজ ঠিকাদার এক্সএমসি-সিএমসির ৫০ জন চাইনিজ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক গত চার দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ১৪৩ জন চাইনিজের নমুনা পরীক্ষা করে ১৬ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়।

গত বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ২৯২ জন চাইনিজসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ৩০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৪ চীনা কর্মকর্তার করোনা পজেটিভ আসে। গতকাল আরও ২৫৩ জনের নমুনা নেয়া হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে খনিতে কর্মরত চারশ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে ১৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জনের করোনা পজেটিভ আসে। সংক্রমণ যাতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য প্রায় সাড়ে তিনশ শ্রমিককে ছুটি দিয়ে শুক্রবার রাত আটটার মধ্যে খনি ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এক্সএমসি-সিএমসির অধীনে কর্মরত এসব শ্রমিক রাতেই ক্যাম্পাস ছেড়ে নিজ নিজ বাড়ি চলে যায়। একই সঙ্গে কয়লা উৎপাদন বন্ধ করে দেয় এক্সএমসি-সিএমসি।

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, চীনা কর্মকর্তাদের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে কয়লা উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। খনি ক্যাম্পাসে বর্তমান ৯০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে।

জ্বালানি সংকটের কারণে পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় গত ২৭ জুলাই খনির ১৩০৬ নং ফেইস থেকে পরীক্ষামুলকভাবে কয়লা উৎপাদন শুরু করা হয়। গত তিনদিনে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। খনি ভূ-গর্ভে ১৩১০ নম্বর কোল ফেইসে মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ২৭ এপ্রিল থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ ছিল। বর্তমানে খনি ইয়ার্ডে ২০ হাজার টন ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইয়ার্ডে ২০ হাজার টন মোট ৪০ হাজার টন কয়লা মজুদ রয়েছে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়