যাত্রাবাড়িতে বাসচাপায় মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত

আগের সংবাদ

রিমোট কন্ট্রোলের ডাকা আন্দোলনে জনগণ সাড়া দিবে না : সেতুমন্ত্রী

পরের সংবাদ

আস্থার অভাবে অচল আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজার: এবিবি

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২২ , ৩:২৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২২ , ৩:২৪ অপরাহ্ণ

আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আস্থার অভাব, অকার্যকারিতা একই সঙ্গে বাজার অস্থির করে সেখান থেকে কিছু গোষ্ঠীর মুনাফা হাতিয়ে নেয়ার কারণে অস্থিতিশীল ডলারের বাজার। এমন মন্তব্য করেছেন ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংক খাত নিয়ে সমসাময়িক আলোচনা সমালোচনার প্রেক্ষিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বর্তমানে অচল। এটাকে সচল করতে হবে। চলমান ডলার বাজারের অস্থিরতায় হয়তো কোনো ব্যাংক বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে। এ জন্য আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আস্থা বাড়াতে হবে।

তার মতে, আন্তঃব্যাংক লেনদেন ব্যবস্থা বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ক্ষেত্রে চালু করতে পারলে সংকট উত্তরণ সম্ভব। এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের মতো দেশে ডলারের বাজার একেবারে ফ্রি ফ্লোর করা সম্ভব না। কিছুটা ম্যানেজ করতে হবে।

আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার সচল, আস্থা ফিরিয়ে আনা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে মনে করেন তিনি।

ব্যাংকগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত হবে: এবিবি চেয়ারম্যান

সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনঃগঠনে জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সার্কুলারের ফলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমবে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোতেও জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত হবে বলে আশাবাদী এবিবি চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের করা নতুন পুনঃতফশিল নীতিমালা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটা কার্যকর হবে। এখানে ব্যাংক খাতকে ছাড় দেয়া হয়নি।

এবিবি চেয়ারম্যান আরও বলেন,ঋণ পুনঃতফসিল সব দেশেই হয়। কিন্তু কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি এটা অনুমোদন করে না। এমনটা বিশ্বের কোথাও নেই। ঋণ গ্রহীতাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক চেনে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয়। বিশ্বের কোনো দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল করেনা, এটা ব্যাংকারদের কাজ।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, আগে ঋণ পুনঃতফসিল হতে তিন থেকে চারমাস সময় লাগত। এখন ঋণ পুনঃতফসিল সর্বোচ্চ সাতদিনে হবে। এতে খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি ভালো হবে।

ঋণ পুনঃতফসিল সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনটি ব্যাংকারদের দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহি করবে। যদি ব্যাংকগুলোতে সুশাসন এবং দক্ষ জনবল থাকে তাহলে অবশ্যই সেই ব্যাংক এই সার্কুলারের মাধ্যমে ভালো ফলাফল করবে।

বাড়ছে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের চাপ

পুঁজিবাজার দুর্বল হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি ঋণের জন্য ব্যাংকে চাপ বাড়ছে বলে মনে করেন এবিবি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ব্যাংক মূলত স্বল্পমেয়াদী ঋণ দেয়। সর্বোচ্চ দুই-তিন বছরের জন্য চলতি মূলধন বিতরণ করে। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদি ঋণের জন্য ব্যাংকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে৷ যেটা মূলত বন্ড মার্কেট বা পুঁজিবাজারে সম্ভব।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়