খালেদার গ্যাটকো দুর্নীতির মামলায় চার্জগঠনের শুনানি শুরু

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

সরকারকে আর বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ দেয়া হবে না: সেলিমা

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২২ , ৩:৫২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২২ , ৩:৫২ অপরাহ্ণ

এই স্বৈরাচার সরকার দেশের জনগণের উপর জুলুম নির্যাতন করে দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে কবর রাজ্যে পরিণত করেছে ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। তিনি বলেছেন, এই স্বৈরাচার সরকারের অধীনে দেশে আর কখনো কোনো বিনা ভোটের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

র‌বিবার (২৪ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লা‌বের সাম‌নে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএন‌পির উদ্যোগে ওয়াসার পানির মূল্য বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ এ মন্তব‌্য ক‌রেন তিনি।

‌সে‌লিমা ব‌লেন, কুইক রেন্টালের নামে বিদ্যুৎ খাত থেকে তারা কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি ও লুটপাট করেছে। এই অবৈধ সরকারের কোন জবাবদিহিতা নেই। কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার নয়। তাই তারা জনগণের টাকা দুর্নীতি ও লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছে। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেবে, তা না হলে বিএনপি কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না।

বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম উপস্থিত নেতাকর্মীদের উক্ত সমাবেশস্থলে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সরকার পতনের আন্দোলনে সবাইকে রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

জাতীয়তাবাদী যুব দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান বলেন, এই স্বৈরাচার সরকার দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ধ্বংস করেছে। তাদের বিচার এই বাংলাদেশেই একদিন হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশে কোন স্বৈরাচার শাসককে রাজত্ব করতে দেওয়া হবে না।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব বলেন, সরকার বাংলাদেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মা-বাবা তার সন্তানের মুখে খাবার দিতে না পেরে আত্মহত্যা করছে। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এই স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, লোডশেডিং এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষ যখন দিশেহারা তখন এই সরকার আবার নতুন করে পানির দাম বৃদ্ধি করেছে। পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সহ দ্রব্যমূলের উর্ধ্বগতির কারণে দেশের প্রতিটি মানুষ আজ ভুক্তভোগী। জনগণের প্রতি এই সরকারের কোন দায়বদ্ধতা নেই কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার নয়।

তাই তারা নির্লজ্জের মতো দেশ পরিচালনা করছে এবং দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই সরকার বেশ পরিচালনায় ব্যার্থ হয়েছে। এই রাজপথ জনগণের রাজপথ। বিএনপি এই রাজপথ দখল করে বর্তমান সরকারের পতন নিশ্চিত করবে। এই সৈরাচার সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথ ছাড়বে না।

বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু বলেন, শেখ হাসিনা বলেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা তার অফিস ঘেরাও করলেও নাকি তিনি আমাদের চা খাওয়ার দাওয়াত দিবেন। এটা ২০১৩ সালের মতো আরেকটি চক্রান্ত। বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামকে ব্যাহত করার জন্য শেখ হাসিনা এই চক্রান্তের আশ্রয় নিচ্ছে। বিএনপি আর কখনো আওয়ামী লীগের চক্রান্তের ফাঁদে পা দিবে না। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই এদের পতন ঘটানো হবে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বলেন, বর্তমান সরকারের জনগণের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার নয়। তাই এরা জনগণের স্বার্থের কথা চিন্তা না করে একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। রাজপথে দুর্বার আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়